জলবায়ু অর্থায়নে ২৫ সদস্যের কমিটি গঠন

জলবায়ু অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট ও কার্বন ট্রেডিং কার্যক্রমকে সমন্বিত জাতীয় কাঠামোয় আনতে ২৫ সদস্যের ‘জলবায়ু অর্থায়ন সম্পর্কিত জাতীয় কমিটি’ গঠন করেছে সরকার। ন্যাশনাল কমিটি অন ক্লাইমেট ফাইন্যান্স বা এনসিসিএফ নামের এই কমিটির সভাপতি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
জলবায়ু অর্থায়ন কমিটির নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী
পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু কমিটির সহসভাপতি থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ সমন্বয়ক এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। দ্রুত আপডেট পেতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের X অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করুন।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ স্থানীয় সরকার, পররাষ্ট্র, অর্থনৈতিক সম্পর্ক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ভূমি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, শিল্প, বাণিজ্য, সড়ক পরিবহন, বেসামরিক বিমান পরিবহন, নৌপরিবহন, রেলপথ, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং পানি সম্পদসংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রণালয়ের সচিবরাও কমিটিতে থাকবেন।
কার্বন বাজারে জাতীয় কাঠামো তৈরির দায়িত্ব
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, কমিটি জলবায়ু অর্থায়ন ও কার্বন ক্রেডিট বিষয়ে জাতীয় রূপকল্প, লক্ষ্য ও কৌশলগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। প্যারিস চুক্তির অনুচ্ছেদ ৬-সহ আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার অনুসারে জাতীয় কার্বন ক্রেডিট ও জলবায়ু অর্থায়ন কাঠামো প্রণয়ন, অনুমোদন ও বাস্তবায়নে পরামর্শ দেবে।
কার্বন ট্রেডিংয়ের নীতিগত দিকনির্দেশনা এবং মনোনীত জাতীয় কর্তৃপক্ষের কার্যক্রমও তত্ত্বাবধান করবে এনসিসিএফ। বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকির প্রেক্ষাপট নিয়ে দৈনিক বাংলাভিউয়ের সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রতিবেদন পড়া যেতে পারে। সেখানে দক্ষিণ এশিয়ার নিম্নভূমি ও জনবসতির ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি তুলে ধরা হয়েছে।
অর্থ সংগ্রহ ও প্রকল্প মূল্যায়ন করবে কমিটি
কমিটি নীতি, কৌশল ও নির্দেশিকা চূড়ান্ত করার পাশাপাশি বিদ্যমান কাঠামো সংস্কারের সুপারিশ করবে। দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় জলবায়ু তহবিল এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও অর্থায়ন সংগ্রহের কৌশল নির্ধারণ করবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মসূচি ও প্রকল্পের অগ্রগতি পরিবীক্ষণ, কারিগরি কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা এবং আন্তমন্ত্রণালয় নীতিগত জটিলতা নিরসনের দায়িত্বও থাকবে। প্রজ্ঞাপন জারির সঙ্গে সঙ্গে কমিটি কার্যকর হয়েছে।
বছরে অন্তত দুইবার সভা হবে; প্রয়োজনে যেকোনো সময় সভা আহ্বান ও নতুন সদস্য কো-অপ্ট করা যাবে। আরও গুরুত্বপূর্ণ খবর ও আপডেট পেতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের WhatsApp চ্যানেল অনুসরণ করুন।








