ব্যয় ৪৫,৫০৩ কোটি
গাবতলী–দাশেরকান্দি মেট্রোরেল প্রকল্পে অনুমোদন

গাবতলী–দাশেরকান্দি মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এমআরটি লাইন-৫-এর সাউদার্ন রুট নামে পরিচিত এই প্রকল্পে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রস্তাবিত মেট্রোরেলটির দৈর্ঘ্য ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার। এর মধ্যে গাবতলী থেকে আফতাবনগর পর্যন্ত ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার হবে পাতালপথ। আফতাবনগর থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত ৪ দশমিক ১০ কিলোমিটার হবে উড়ালপথ। পুরো রুটে ১৫টি স্টেশন রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত মেট্রোরুট
রুটটি গাবতলী থেকে শুরু হয়ে টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদগেট, শুক্রাবাদ, কারওয়ান বাজার ও হাতিরঝিল হয়ে তেজগাঁও এবং আফতাবনগরের দিকে যাবে। এরপর আফতাবনগর সেন্টার, আফতাবনগর পূর্ব ও নাসিরাবাদ হয়ে দাশেরকান্দিতে শেষ হবে।
প্রকল্পের আওতায় দাশেরকান্দিতে একটি ডিপো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত। মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন প্রায় ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। বাকি অর্থ প্রকল্প ঋণ হিসেবে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও দুই মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয় সংশোধন
একই সভায় এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫-এর নর্দান রুটের সংশোধিত ব্যয়ও অনুমোদন করা হয়েছে। এমআরটি লাইন-১-এর নতুন ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। বিমানবন্দর–কমলাপুর রুটটির দৈর্ঘ্য ৩১ দশমিক ২৪ কিলোমিটার।
অন্যদিকে হেমায়েতপুর–ভাটারা ২০ কিলোমিটার এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুটের সংশোধিত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। ফলে তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্পের অনুমোদিত মোট ব্যয় প্রায় ২ লাখ ৪৯ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা।
মেট্রোরেল প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন কাঠামোতে বিদেশি ঋণের ভূমিকা রয়েছে। সাউদার্ন রুটে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ অর্থায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপে দরপত্র, নির্মাণ এবং ভূমি ও অবকাঠামোসংক্রান্ত কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।








