প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
গণতন্ত্রে জনগণের ক্ষমতায়ন, কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে জনগণের প্রতি সরকারের বর্তমান অঙ্গীকার হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।
‘সবার আগে বাংলাদেশ—সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রত্যয়ে সরকার এমন রাষ্ট্র ও সমাজ গড়তে কাজ করছে, যেখানে অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত হবে। সোমবার আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এবারের প্রতিপাদ্য আলোচনাভিত্তিক গণতন্ত্রের মাধ্যমে মানুষের অংশগ্রহণ, উদ্যোগ ও মালিকানা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছে। — জাতীয় থেকে আরও পড়ুন।
বাণীতে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের গণতন্ত্রকামী মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা জানান এবং তাদের গণতান্ত্রিক ও মানবিক অধিকারের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
কল্যাণমূলক রাষ্ট্রে অধিকার ও ক্ষমতায়নের ওপর জোর
তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র কেবল ভোট দেওয়ার অধিকারে সীমাবদ্ধ নয়। রাষ্ট্র ও সমাজে বাক্স্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠাও গণতন্ত্রের মৌলিক শর্ত।
টেকসই গণতন্ত্রের জন্য জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা জরুরি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সরকার জনগণের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে বাণীতে জানান প্রধানমন্ত্রী।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, জনগণের সঙ্গে নিয়মিত আলাপ-আলোচনা এবং তাদের স্বার্থকে নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব দেওয়া কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
গণতন্ত্রের অতীত সংকটের প্রসঙ্গ
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে।
তিনি জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্র চালুর ভূমিকা এবং বাক্, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে দীর্ঘ আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের কথাও তুলে ধরেন।
বিএনপি সরকারে কিংবা বিরোধী দলে—উভয় অবস্থান থেকেই গণতন্ত্রের পক্ষে থেকেছে বলে দাবি করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ
প্রধানমন্ত্রী এমন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য তুলে ধরেন, যেখানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতার সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ, সামাজিক স্থিতি ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি।
আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে বিশ্বের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরকার এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ চালিয়ে যাবে বলে জানান।
আরও পড়ুন
সীমা লঙ্ঘন না করার হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর
দুর্নীতির শ্বেতপত্র ধরে ধাপে ধাপে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে এক্সে দৈনিক বাংলাভিউয়ের সঙ্গে যুক্ত হোন।








