শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকা মেডিকেলে হবে নতুন ৫ ভবন: একনেক সভায় ১০ হাজার কোটি টাকার ১১ প্রকল্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
ঢাকা মেডিকেলে হবে নতুন ৫ ভবন: একনেক সভায় ১০ হাজার কোটি টাকার ১১ প্রকল্প

ঢাকা মেডিকেলে হবে নতুন ৫ ভবন: একনেকে ১০ হাজার কোটি টাকার ১১ প্রকল্প

ঢাকা মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের আবাসন সংকট নিরসনে নতুন পাঁচটি ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য প্রায় ১ হাজার ১৫৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির আওতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে তিনটি ১৫ তলা ও দুটি ৪ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য বুধবার (১৯ আগস্ট) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপনের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় সভায় ঢাকা মেডিকেলের প্রকল্পসহ মোট ১১টি প্রকল্প উপস্থাপনের কথা রয়েছে। এসব প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় প্রায় ১০ হাজার ৪৬ কোটি টাকা।

ঢাকা মেডিকেলের পাঁচ ভবনে যা থাকবে

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের মে মাসে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ঢাকা মেডিকেলের নতুন ভবন নির্মাণের প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়। সে সময় প্রকল্পটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের জন্য তালিকাভুক্ত হলো।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির আওতায় একটি ১৫ তলা ভবন একাডেমিক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহার করা হবে। আরেকটি ১৫ তলা ভবন হবে ছাত্র হোস্টেল এবং অন্য ১৫ তলা ভবনটি আবাসিক কোয়ার্টার হিসেবে ব্যবহৃত হবে। পাশাপাশি দুটি ৪ তলা ভবনও নির্মাণ করা হবে। প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, হাসপাতালের রাস্তার পাশে ও মর্গের কাছাকাছি থাকা কয়েকটি টিনশেড ভবন অপসারণ করে সেখানে নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে। বর্তমানে যেখানে শিক্ষকদের কোয়ার্টার রয়েছে, সেই এলাকাও প্রকল্পের আওতায় আসবে।

আবাসন সংকট নিরসনে গুরুত্ব

১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা মেডিকেল কলেজের অনেক ভবন দীর্ঘদিনের পুরোনো। বর্তমানে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী এখানে পড়াশোনা করছেন। তবে বিশেষ করে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট রয়েছে। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের জন্যও পর্যাপ্ত আবাসন সুবিধার প্রয়োজন রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যানের আলোকে নতুন প্রকল্পটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, একটি ১৫ তলা আবাসিক ভবন ও একটি হোস্টেল নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯৯ কোটি টাকা। আরেকটি ১৫ তলা ভবন ও দুটি ৪ তলা ভবন নির্মাণে ব্যয় হবে ৫৭৭ কোটি টাকা। বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও সংশ্লিষ্ট কাজে আরও ১১৮ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে।

এদিকে দেশের ১০টি মেডিকেল কলেজে ১৯টি হোস্টেল নির্মাণের পৃথক একটি প্রকল্পও একনেক সভায় উপস্থাপনের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ওই প্রকল্পের আওতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে আরও দুটি ছাত্রী হোস্টেল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

একনেকে আরও যেসব বড় প্রকল্প

ঢাকা মেডিকেলের প্রকল্প ছাড়াও বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের জন্য দুটি প্রোডাক্ট অয়েল ট্যাংকার জাহাজ কেনার প্রায় ১ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকার প্রকল্প সভার তালিকায় রয়েছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সেতুর স্মার্ট রক্ষণাবেক্ষণ প্রযুক্তির সক্ষমতা বাড়াতে প্রায় ১১৬ কোটি টাকার একটি প্রকল্পও উপস্থাপনের কথা রয়েছে।

গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে গ্রামের সড়ক পুনর্বাসন ও শক্তিশালীকরণের জন্য প্রায় ৪ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প তালিকাভুক্ত হয়েছে। পানিসম্পদ খাতে লালমনিরহাট সদর উপজেলায় ধরলা নদীর ডান তীরের ভাঙন রোধে প্রায় ২৯৯ কোটি টাকা এবং চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাট থেকে কুমিরা ঘাট পর্যন্ত উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণে প্রায় ৫৫৯ কোটি টাকার প্রকল্প রয়েছে।

ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও নদী সুরক্ষায় তুরাগ নদ সংরক্ষণ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের জন্য প্রায় ৫৬৭ কোটি টাকার প্রস্তাবও সভার তালিকায় রয়েছে। এছাড়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সক্ষমতা জোরদারকরণ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনী, জামালপুরের মাদারগঞ্জে ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী এবং ডেসকো এলাকায় বৈদ্যুতিক অবকাঠামো সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনীও অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের কথা রয়েছে।

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী

বাংলাভিউ প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৭ এম
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন। সোমবার নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে তাঁকে বহনকারী তুর্কি এয়ারলাইনসের ফ্লাইট জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীরা। সফরের আগে ঢাকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, নিউইয়র্কে তাঁর ব্যস্ত কূটনৈতিক ও বহুপক্ষীয় কর্মসূচি থাকবে।

ইস্তাম্বুলে দুই ঘণ্টা ৩৫ মিনিটের যাত্রাবিরতির পর ফ্লাইটটি নিউইয়র্কে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন জুবাইদা খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। পরে মোটর শোভাযাত্রায় তাঁকে হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্কে নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার থেকে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি

নিউইয়র্ক সফরের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে মঙ্গলবার। সকালে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত বিশ্বনেতা ও তাঁদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে স্বাগত প্রাতরাশে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী পর্বে অন্যান্য বিশ্বনেতার সঙ্গে অংশ নেবেন তিনি।

দিনটিতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে এবং বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গেও তাঁর সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

রোহিঙ্গা ও জলবায়ু ইস্যুতে বৈঠক

২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক একটি সাইড ইভেন্টে অংশ নিয়ে দ্রুত প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন প্রধানমন্ত্রী। একই দিনে ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে ভাষণ

২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান। সরকারপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘের এই মঞ্চে এটিই তাঁর প্রথম বক্তব্য। পররাষ্ট্রসচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভাষণে গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটের মতো বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে।

সফরকালে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের কর্মসূচিও রয়েছে। এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় আলোচনায় আসতে পারে। অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে মেটা, ওয়াল স্ট্রিটসহ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।

বর্তমান সূচি অনুযায়ী, ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

আরও পড়ুন

ভ্যাপসা গরমের মধ্যে স্বস্তি, বাড়ছে বৃষ্টির সম্ভাবনা

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কোস্টগার্ড মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ

সর্বশেষ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খবর পেতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের X পেজে যুক্ত থাকুন।

ভ্যাপসা গরমের মধ্যে স্বস্তি, বাড়ছে বৃষ্টির সম্ভাবনা

বাংলাভিউ প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৩ এম
ভ্যাপসা গরমের মধ্যে স্বস্তি, বাড়ছে বৃষ্টির সম্ভাবনা

ভ্যাপসা গরমের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে বৃষ্টি। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে।

মঙ্গলবারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। ফলে কিছু এলাকায় গরমের তীব্রতা সাময়িকভাবে কমতে পারে।

বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে যেসব এলাকায়

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির বিস্তৃতি আরও বাড়তে পারে। এ সময়ে রংপুর, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। এতে কয়েকটি অঞ্চলে সাময়িকভাবে স্বস্তিদায়ক আবহাওয়া তৈরি হতে পারে। তবে ভারি বৃষ্টির কারণে নিচু এলাকা ও স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থায় ভোগান্তি দেখা দিতে পারে।

যেসব এলাকায় তাপপ্রবাহ চলছে

ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, খুলনা, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের ওপরও এর প্রভাব রয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এসব এলাকার কিছু জায়গা থেকে তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে।

বৃষ্টি হলেও সব এলাকায় একই মাত্রায় স্বস্তি মিলবে না। কারণ বৃষ্টির ধরন ও বিস্তৃতি অঞ্চলভেদে ভিন্ন হতে পারে। দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবৃষ্টি হলে বাইরে চলাচলে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় নজর বৃষ্টিতে

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের কয়েকটি বিভাগে বৃষ্টির বিস্তৃতি বাড়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও ভারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে। ফলে গরমের পাশাপাশি আকস্মিক বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকা জরুরি।


আরও পড়ুন

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩

সর্বশেষ আবহাওয়া ও জাতীয় খবর পেতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের X পেজে যুক্ত থাকুন।

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩

বাংলাভিউ প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৯ পিএম
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩

ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ১ হাজার ৫৯৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৪ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন মৃতদের মধ্যে বরিশাল ও ঢাকা বিভাগে একজন করে এবং চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে দুজন করে রয়েছেন। তাঁদের সবাই সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরের।

জাতীয় ডেঙ্গু পরিস্থিতির সর্বশেষ চিত্র

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ১ জানুয়ারি থেকে ২০ সেপ্টেম্বর সকাল পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৬১ হাজার ৯৭২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৫৭ হাজার ৬১০ জন চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন। অর্থাৎ মোট ভর্তির বিপরীতে এখনো ৪ হাজার ৩৬২ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নতুন করে ভর্তি হওয়া রোগীর চাপও চলমান রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দৈনিক হিসাবে এসব তথ্য সংক্রমণের সাম্প্রতিক গতিপ্রকৃতি বোঝার গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর পাশাপাশি নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় চলতি বছরের মোট আক্রান্তের হিসাব আরও বেড়েছে। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। নতুন মৃত্যুর ঘটনাগুলোও চারটি বিভাগে ছড়িয়ে রয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় রোগী ব্যবস্থাপনা ও নজরদারির প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্টভাবে সামনে এসেছে।

মৃত্যু ও ভর্তি—দুই সূচকেই নজর

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাবে, ছয়জনের মৃত্যু যোগ হওয়ায় চলতি বছরের মোট প্রাণহানি ১৮৪ জনে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৬১ হাজার ৯৭২ জনে দাঁড়িয়েছে। সেপ্টেম্বরের ২০ দিনেই ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি সামলাতে আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা এবং হাসপাতালগুলোর প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণ ও জমে থাকা পানি অপসারণে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

সর্বশেষ দৈনিক হিসাব অনুযায়ী, ডেঙ্গুর সংক্রমণ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। নতুন রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পরিস্থিতির পরিবর্তন বোঝার চেষ্টা চলছে। এটিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ আপডেট পেতে: দৈনিক বাংলাভিউ-এর X পেজ ফলো করুন।