অডিও ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে পদত্যাগ করলেন সিইউর হল প্রভোস্ট

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মান্নান বিতর্কিত একটি অডিও ভাইরাল হওয়ার পর পদত্যাগ করেছেন। সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্রে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণের উল্লেখ করেছেন।
তবে হলে আসন বরাদ্দ দেওয়া নিয়ে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের সাথে ফোনালাপ ফাঁসের পরই ঘটনাটি ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ওই অডিওতে প্রভোস্ট ও ছাত্রদল নেতার মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা ও শিবিরের আধিপত্য সংক্রান্ত নানা অভিযোগের কথা শোনা গেছে। শিক্ষা
-গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সর্বশেষ তথ্যের নিয়মিত আপডেট জানতে আমাদের ওয়েবসাইটে আরও জানুন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের আসন বরাদ্দ নিয়ে উত্তাপ
ভাইরাল ফোনালাপে ছাত্রদল নেতা এক ছাত্রের জন্য আসনের জন্য জোরালো সুপারিশ করলেও তাকে সিট দিতে অপারগতা ব্যক্ত করেন প্রভোস্ট। পরবর্তীতে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনে শিক্ষক এবং নেতার মধ্যে পাল্টাপাল্টি বাক্যবিনিময় হলে ক্যাম্পাসের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
ছাত্রদলের দাবি মেধার ভিত্তিতে আসন বণ্টন না করে সেখানে নির্দিষ্ট একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছিল।
তবে প্রভোস্টের দাবি ছিল প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম ও নীতি অনুসরণ করেই হলের সব সাধারণ শিক্ষার্থীকে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু পরবর্তীতে প্রো-ভিসির সুপারিশ ও ব্যক্তিগত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
পরিশেষে নৈতিক চাপের মুখে পড়ে ওই হল প্রভোস্ট পদত্যাগপত্র জমা দিতে বাধ্য হন বলে জল্পনা চলছে।
ক্যাম্পাসে প্রশাসনিক স্বচ্ছতার দাবি
শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট সমাধান এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সিট বরাদ্দের দাবি নিয়ে ক্যাম্পাসে বর্তমানে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
পরিশেষে বলা যায় যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপের ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের आंदोलনের আশঙ্কাজনক ক্ষোভ আপাতত বেশ প্রশমিত হয়েছে।
তবে ভবিষ্যতে বৈষম্যহীন আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হবে।
শিক্ষার সমস্ত তাজা খবরের আপডেট সরাসরি পেতে আমাদের অফিশিয়াল এক্স পেজে ফলো করুন।









