বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

লংলা চা-বাগান থেকে অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিতে চম্পা নাইডু

বাংলাভিউ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
লংলা চা-বাগান থেকে অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিতে চম্পা নাইডু

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার লংলা চা-বাগানে বেড়ে ওঠা চম্পা নাইডু ভারতের অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগে পিএইচডি গবেষণা করছেন।

প্রতিকূলতা পেরিয়ে তাঁর এই পথচলা চা-বাগানের মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

চম্পা নাইডু শিক্ষাজীবনের বাঁক

২০১০ সালে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চম্পা নাইডু ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন স্কুলে ভর্তি হন।

চা-বাগানের শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য পরিচালিত আবাসিক প্রতিষ্ঠানটিতে বিনা খরচে পড়াশোনা ও থাকার সুযোগ তাঁর শিক্ষাজীবনে বড় পরিবর্তন আনে।

২০১৫ সালে এসএসসি ও ২০১৭ সালে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জনের পাশাপাশি তিনি ডাচ্–বাংলা ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পান।

পরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণের আরেকটি গল্প পড়ুন দৈনিক বাংলাভিউয়ের এই প্রতিবেদনে।

বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে চা-বাগানের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি চা-শ্রমিক ও তাঁদের সন্তানদের শিক্ষা, অধিকার ও জীবনযাত্রা নিয়ে কাজ করেন। পরে জননীতি, মানবাধিকার ও সামাজিক বৈষম্যের বিষয়েও তাঁর আগ্রহ বিস্তৃত হয়।

অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষণা

২০২৩ সালে ICCR Scholarship নিয়ে ভারতে গিয়ে অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তি হন চম্পা।

তেলুগু সম্প্রদায়ের সদস্য হিসেবে অন্ধ্র প্রদেশে তাঁর পারিবারিক শেকড় রয়েছে। সেই টানও বিশ্ববিদ্যালয়টি বেছে নেওয়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

২০২৫ সালে দ্বিতীয়বার ICCR Scholarship পেয়ে তিনি অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগে পিএইচডি শুরু করেন।

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়েও সুযোগ পেলেও পারিবারিক শেকড় ও অন্ধ্র প্রদেশের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের কারণে সেখানেই থাকার সিদ্ধান্ত নেন।

২০২৫ থেকে ২০২৮ সময়কালে চলা গবেষণায় বাংলাদেশের চা-বাগানের শ্রমজীবী মানুষের জীবন, মানবাধিকার, সামাজিক বাস্তবতা, জীবনমান উন্নয়ন ও কার্যকর নীতিমালার সম্ভাবনা প্রাধান্য পাচ্ছে।

শেকড়ের মানুষের জন্য গবেষণা

চম্পার লক্ষ্য শুধু সমস্যাগুলো তুলে ধরা নয়; চা-শ্রমিকদের অধিকার, জীবনমান ও সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নীতিগত পরিবর্তন খুঁজে দেখাও তাঁর কাজের অংশ।

তাঁর কাছে এই অর্জন ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি চা-বাগান থেকে উঠে আসা অন্য মেয়েদের সামনে সম্ভাবনার দরজা খোলার উদাহরণ।

আজ চা-বাগানের অনেক তরুণ-তরুণী পড়াশোনা করে ভালো জায়গায় গিয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করছেন।

চা-বাগান থেকে বেরিয়ে এলেও শেকড়ের মানুষদের পেছনে ফেলেননি তিনি।

আরও গুরুত্বপূর্ণ খবর ও আপডেট পেতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের WhatsApp চ্যানেল অনুসরণ করুন।

দ্রুত আপডেট পেতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের X অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করুন।

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী

বাংলাভিউ প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৭ এম
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন। সোমবার নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে তাঁকে বহনকারী তুর্কি এয়ারলাইনসের ফ্লাইট জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীরা। সফরের আগে ঢাকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, নিউইয়র্কে তাঁর ব্যস্ত কূটনৈতিক ও বহুপক্ষীয় কর্মসূচি থাকবে।

ইস্তাম্বুলে দুই ঘণ্টা ৩৫ মিনিটের যাত্রাবিরতির পর ফ্লাইটটি নিউইয়র্কে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন জুবাইদা খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। পরে মোটর শোভাযাত্রায় তাঁকে হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্কে নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার থেকে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি

নিউইয়র্ক সফরের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে মঙ্গলবার। সকালে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত বিশ্বনেতা ও তাঁদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে স্বাগত প্রাতরাশে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী পর্বে অন্যান্য বিশ্বনেতার সঙ্গে অংশ নেবেন তিনি।

দিনটিতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে এবং বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গেও তাঁর সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

রোহিঙ্গা ও জলবায়ু ইস্যুতে বৈঠক

২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক একটি সাইড ইভেন্টে অংশ নিয়ে দ্রুত প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন প্রধানমন্ত্রী। একই দিনে ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে ভাষণ

২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান। সরকারপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘের এই মঞ্চে এটিই তাঁর প্রথম বক্তব্য। পররাষ্ট্রসচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভাষণে গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটের মতো বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে।

সফরকালে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের কর্মসূচিও রয়েছে। এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় আলোচনায় আসতে পারে। অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে মেটা, ওয়াল স্ট্রিটসহ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।

বর্তমান সূচি অনুযায়ী, ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

আরও পড়ুন

ভ্যাপসা গরমের মধ্যে স্বস্তি, বাড়ছে বৃষ্টির সম্ভাবনা

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কোস্টগার্ড মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ

সর্বশেষ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খবর পেতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের X পেজে যুক্ত থাকুন।

ভ্যাপসা গরমের মধ্যে স্বস্তি, বাড়ছে বৃষ্টির সম্ভাবনা

বাংলাভিউ প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৩ এম
ভ্যাপসা গরমের মধ্যে স্বস্তি, বাড়ছে বৃষ্টির সম্ভাবনা

ভ্যাপসা গরমের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে বৃষ্টি। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে।

মঙ্গলবারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। ফলে কিছু এলাকায় গরমের তীব্রতা সাময়িকভাবে কমতে পারে।

বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে যেসব এলাকায়

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির বিস্তৃতি আরও বাড়তে পারে। এ সময়ে রংপুর, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। এতে কয়েকটি অঞ্চলে সাময়িকভাবে স্বস্তিদায়ক আবহাওয়া তৈরি হতে পারে। তবে ভারি বৃষ্টির কারণে নিচু এলাকা ও স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থায় ভোগান্তি দেখা দিতে পারে।

যেসব এলাকায় তাপপ্রবাহ চলছে

ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, খুলনা, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের ওপরও এর প্রভাব রয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এসব এলাকার কিছু জায়গা থেকে তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে।

বৃষ্টি হলেও সব এলাকায় একই মাত্রায় স্বস্তি মিলবে না। কারণ বৃষ্টির ধরন ও বিস্তৃতি অঞ্চলভেদে ভিন্ন হতে পারে। দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবৃষ্টি হলে বাইরে চলাচলে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় নজর বৃষ্টিতে

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের কয়েকটি বিভাগে বৃষ্টির বিস্তৃতি বাড়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও ভারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে। ফলে গরমের পাশাপাশি আকস্মিক বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকা জরুরি।


আরও পড়ুন

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩

সর্বশেষ আবহাওয়া ও জাতীয় খবর পেতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের X পেজে যুক্ত থাকুন।

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩

বাংলাভিউ প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৯ পিএম
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩

ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ১ হাজার ৫৯৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৪ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন মৃতদের মধ্যে বরিশাল ও ঢাকা বিভাগে একজন করে এবং চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে দুজন করে রয়েছেন। তাঁদের সবাই সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরের।

জাতীয় ডেঙ্গু পরিস্থিতির সর্বশেষ চিত্র

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ১ জানুয়ারি থেকে ২০ সেপ্টেম্বর সকাল পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৬১ হাজার ৯৭২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৫৭ হাজার ৬১০ জন চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন। অর্থাৎ মোট ভর্তির বিপরীতে এখনো ৪ হাজার ৩৬২ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নতুন করে ভর্তি হওয়া রোগীর চাপও চলমান রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দৈনিক হিসাবে এসব তথ্য সংক্রমণের সাম্প্রতিক গতিপ্রকৃতি বোঝার গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর পাশাপাশি নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় চলতি বছরের মোট আক্রান্তের হিসাব আরও বেড়েছে। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। নতুন মৃত্যুর ঘটনাগুলোও চারটি বিভাগে ছড়িয়ে রয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় রোগী ব্যবস্থাপনা ও নজরদারির প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্টভাবে সামনে এসেছে।

মৃত্যু ও ভর্তি—দুই সূচকেই নজর

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাবে, ছয়জনের মৃত্যু যোগ হওয়ায় চলতি বছরের মোট প্রাণহানি ১৮৪ জনে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৬১ হাজার ৯৭২ জনে দাঁড়িয়েছে। সেপ্টেম্বরের ২০ দিনেই ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি সামলাতে আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা এবং হাসপাতালগুলোর প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণ ও জমে থাকা পানি অপসারণে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

সর্বশেষ দৈনিক হিসাব অনুযায়ী, ডেঙ্গুর সংক্রমণ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। নতুন রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পরিস্থিতির পরিবর্তন বোঝার চেষ্টা চলছে। এটিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ আপডেট পেতে: দৈনিক বাংলাভিউ-এর X পেজ ফলো করুন।