মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্যয় ৪৫,৫০৩ কোটি

গাবতলী–দাশেরকান্দি মেট্রোরেল প্রকল্পে অনুমোদন

বাংলাভিউ প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
গাবতলী–দাশেরকান্দি মেট্রোরেল প্রকল্পে অনুমোদন

গাবতলী–দাশেরকান্দি মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এমআরটি লাইন-৫-এর সাউদার্ন রুট নামে পরিচিত এই প্রকল্পে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রস্তাবিত মেট্রোরেলটির দৈর্ঘ্য ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার। এর মধ্যে গাবতলী থেকে আফতাবনগর পর্যন্ত ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার হবে পাতালপথ। আফতাবনগর থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত ৪ দশমিক ১০ কিলোমিটার হবে উড়ালপথ। পুরো রুটে ১৫টি স্টেশন রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত মেট্রোরুট

রুটটি গাবতলী থেকে শুরু হয়ে টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদগেট, শুক্রাবাদ, কারওয়ান বাজার ও হাতিরঝিল হয়ে তেজগাঁও এবং আফতাবনগরের দিকে যাবে। এরপর আফতাবনগর সেন্টার, আফতাবনগর পূর্ব ও নাসিরাবাদ হয়ে দাশেরকান্দিতে শেষ হবে।

প্রকল্পের আওতায় দাশেরকান্দিতে একটি ডিপো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত। মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন প্রায় ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। বাকি অর্থ প্রকল্প ঋণ হিসেবে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও দুই মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয় সংশোধন

একই সভায় এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫-এর নর্দান রুটের সংশোধিত ব্যয়ও অনুমোদন করা হয়েছে। এমআরটি লাইন-১-এর নতুন ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। বিমানবন্দর–কমলাপুর রুটটির দৈর্ঘ্য ৩১ দশমিক ২৪ কিলোমিটার।

অন্যদিকে হেমায়েতপুর–ভাটারা ২০ কিলোমিটার এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুটের সংশোধিত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। ফলে তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্পের অনুমোদিত মোট ব্যয় প্রায় ২ লাখ ৪৯ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা।

মেট্রোরেল প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন কাঠামোতে বিদেশি ঋণের ভূমিকা রয়েছে। সাউদার্ন রুটে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ অর্থায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপে দরপত্র, নির্মাণ এবং ভূমি ও অবকাঠামোসংক্রান্ত কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী

বাংলাভিউ প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৭ এম
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন। সোমবার নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে তাঁকে বহনকারী তুর্কি এয়ারলাইনসের ফ্লাইট জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীরা। সফরের আগে ঢাকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, নিউইয়র্কে তাঁর ব্যস্ত কূটনৈতিক ও বহুপক্ষীয় কর্মসূচি থাকবে।

ইস্তাম্বুলে দুই ঘণ্টা ৩৫ মিনিটের যাত্রাবিরতির পর ফ্লাইটটি নিউইয়র্কে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন জুবাইদা খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। পরে মোটর শোভাযাত্রায় তাঁকে হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্কে নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার থেকে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি

নিউইয়র্ক সফরের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে মঙ্গলবার। সকালে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত বিশ্বনেতা ও তাঁদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে স্বাগত প্রাতরাশে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী পর্বে অন্যান্য বিশ্বনেতার সঙ্গে অংশ নেবেন তিনি।

দিনটিতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে এবং বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গেও তাঁর সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

রোহিঙ্গা ও জলবায়ু ইস্যুতে বৈঠক

২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক একটি সাইড ইভেন্টে অংশ নিয়ে দ্রুত প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন প্রধানমন্ত্রী। একই দিনে ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে ভাষণ

২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান। সরকারপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘের এই মঞ্চে এটিই তাঁর প্রথম বক্তব্য। পররাষ্ট্রসচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভাষণে গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটের মতো বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে।

সফরকালে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের কর্মসূচিও রয়েছে। এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় আলোচনায় আসতে পারে। অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে মেটা, ওয়াল স্ট্রিটসহ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।

বর্তমান সূচি অনুযায়ী, ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

আরও পড়ুন

ভ্যাপসা গরমের মধ্যে স্বস্তি, বাড়ছে বৃষ্টির সম্ভাবনা

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কোস্টগার্ড মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ

সর্বশেষ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খবর পেতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের X পেজে যুক্ত থাকুন।

ভ্যাপসা গরমের মধ্যে স্বস্তি, বাড়ছে বৃষ্টির সম্ভাবনা

বাংলাভিউ প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৩ এম
ভ্যাপসা গরমের মধ্যে স্বস্তি, বাড়ছে বৃষ্টির সম্ভাবনা

ভ্যাপসা গরমের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে বৃষ্টি। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে।

মঙ্গলবারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। ফলে কিছু এলাকায় গরমের তীব্রতা সাময়িকভাবে কমতে পারে।

বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে যেসব এলাকায়

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির বিস্তৃতি আরও বাড়তে পারে। এ সময়ে রংপুর, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। এতে কয়েকটি অঞ্চলে সাময়িকভাবে স্বস্তিদায়ক আবহাওয়া তৈরি হতে পারে। তবে ভারি বৃষ্টির কারণে নিচু এলাকা ও স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থায় ভোগান্তি দেখা দিতে পারে।

যেসব এলাকায় তাপপ্রবাহ চলছে

ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, খুলনা, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের ওপরও এর প্রভাব রয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এসব এলাকার কিছু জায়গা থেকে তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে।

বৃষ্টি হলেও সব এলাকায় একই মাত্রায় স্বস্তি মিলবে না। কারণ বৃষ্টির ধরন ও বিস্তৃতি অঞ্চলভেদে ভিন্ন হতে পারে। দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবৃষ্টি হলে বাইরে চলাচলে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় নজর বৃষ্টিতে

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের কয়েকটি বিভাগে বৃষ্টির বিস্তৃতি বাড়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও ভারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে। ফলে গরমের পাশাপাশি আকস্মিক বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকা জরুরি।


আরও পড়ুন

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩

সর্বশেষ আবহাওয়া ও জাতীয় খবর পেতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের X পেজে যুক্ত থাকুন।

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩

বাংলাভিউ প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৯ পিএম
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩

ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ১ হাজার ৫৯৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৪ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন মৃতদের মধ্যে বরিশাল ও ঢাকা বিভাগে একজন করে এবং চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে দুজন করে রয়েছেন। তাঁদের সবাই সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরের।

জাতীয় ডেঙ্গু পরিস্থিতির সর্বশেষ চিত্র

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ১ জানুয়ারি থেকে ২০ সেপ্টেম্বর সকাল পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৬১ হাজার ৯৭২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৫৭ হাজার ৬১০ জন চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন। অর্থাৎ মোট ভর্তির বিপরীতে এখনো ৪ হাজার ৩৬২ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নতুন করে ভর্তি হওয়া রোগীর চাপও চলমান রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দৈনিক হিসাবে এসব তথ্য সংক্রমণের সাম্প্রতিক গতিপ্রকৃতি বোঝার গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর পাশাপাশি নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় চলতি বছরের মোট আক্রান্তের হিসাব আরও বেড়েছে। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। নতুন মৃত্যুর ঘটনাগুলোও চারটি বিভাগে ছড়িয়ে রয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় রোগী ব্যবস্থাপনা ও নজরদারির প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্টভাবে সামনে এসেছে।

মৃত্যু ও ভর্তি—দুই সূচকেই নজর

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাবে, ছয়জনের মৃত্যু যোগ হওয়ায় চলতি বছরের মোট প্রাণহানি ১৮৪ জনে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৬১ হাজার ৯৭২ জনে দাঁড়িয়েছে। সেপ্টেম্বরের ২০ দিনেই ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি সামলাতে আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা এবং হাসপাতালগুলোর প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণ ও জমে থাকা পানি অপসারণে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

সর্বশেষ দৈনিক হিসাব অনুযায়ী, ডেঙ্গুর সংক্রমণ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। নতুন রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পরিস্থিতির পরিবর্তন বোঝার চেষ্টা চলছে। এটিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ আপডেট পেতে: দৈনিক বাংলাভিউ-এর X পেজ ফলো করুন।