বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার পরপরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ কার্যকরভাবে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী দুলু। রোববার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন ভবন উদ্বোধন শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, তিস্তা নদীর সঙ্গে যুক্ত ১৪টি শাখা নদী রয়েছে এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট মোকাবিলায় মাটি খনন করে পানি ধরে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। উজান থেকে পর্যাপ্ত পানি না পাওয়া গেলে বিকল্প হিসেবে সার্ভিস ওয়াটারের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ও রোগীসেবার মানোন্নয়নে তদারকি জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন মন্ত্রী। তিনি জানান, হাসপাতালটিকে আগের স্বাভাবিক ও উন্নত অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি নিয়মিতভাবে হাসপাতালের পরিচালক এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের (PWD) প্রকৌশলীদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে লাইটিং ব্যবস্থা ও সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়ে এরই মধ্যে প্রয়োজনীয় সভা সম্পন্ন হয়েছে। খুব দ্রুত এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জিত হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রেজেকা সুলতানা ফেন্সী, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. সামসুজ্জামান সামু এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।