তারেক রহমানের ছয় মাস: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির অম্লমধুর সমীকরণ

বিপুল জনসমর্থন নিয়ে গঠন করা বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হচ্ছে আগামীকাল। মানুষের আকাশসম প্রত্যাশা আর আকাঙ্ক্ষা সামনে রেখে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার যাত্রা শুরু করেছিল। এই ছয় মাসে মানুষের প্রত্যাশা কতটা পূরণ হয়েছে এবং সরকার তার প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কতটুকু সফল হয়েছে, তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ। সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নানা ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী সূচনা করেছেন। তিনি রাত-দিন একাকার করে কাজ করছেন এবং তার সাদামাটা জীবনযাপন ও চলাফেরায় মানুষের মন জয় করে চলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর চিরাচরিত প্রথাগত চরিত্রের ধারণা তিনি অনেকটা বদলে দিয়েছেন মানুষের কাছাকাছি থেকে। দায়িত্ব নেয়ার পরও প্রধানমন্ত্রী গুলশানের নিজের বাসায় থাকছেন। নিজের প্রটোকলের গাড়ি বহর ছোট করে দিয়েছেন এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের বাড়তি প্রটোকল বাতিল করেছেন। প্রধানমন্ত্রী কখনো কখনো নিজেই গাড়ি চালিয়ে কর্মস্থলে বা সরকারি অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের মতো ট্রাফিক সিগন্যাল অনুসরণ করছেন এবং সড়কে চলতে বাড়তি কোনো সুবিধা নিচ্ছেন না। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অহেতুক অনেক ব্যয় কমিয়ে সময় মেনে সচিবালয়ে নিজে অফিস করছেন।

তবে প্রধানমন্ত্রীর এই অদম্য গতির সঙ্গে পেরে উঠছেন না তার রানিংমেটরা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে বিরামহীন গতিতে ছুটে চললেও তার মন্ত্রিসভার অনেকে তার সঙ্গে পাল্লা দিতে পারছেন না। ফলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে ঠিক আগের মতোই স্থবিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মন্ত্রণালয় ও বিভাগে গতি আনার চেষ্টা চললেও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল মিলছে না। মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের কেউ কেউ আছেন না নেই, সেটা সাধারণ মানুষ টের পাচ্ছেন না। একজনকে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়ার কারণে তারা সব গুছিয়ে উঠতে পারেননি। কেউ কেউ আবার শুরুতেই ব্যক্তিগত অর্জন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় সংকট তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের মতো ব্যক্তিদের কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা সরকারের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

এই সময়ে সরকারের নানা জনবান্ধব কর্মসূচি যেমন মানুষকে আশান্বিত করেছে, তেমনি সিরিজ ক্রাইসিসে মানুষ আশাহতও হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের ২১ দিনের মাথায় সরকার ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের কার্যক্রম শুরু করে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সূচনা করেছিল। কৃষকদের ঋণ মওকুফ, কৃষক কার্ড, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরতদের ভাতা কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। ক্রীড়া ক্ষেত্রেও বেশকিছু জনবান্ধব কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার, এর মধ্যে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ২২ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে প্রাথমিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্টার্ট-আপ ও আইডিয়া কম্পিটিশন তাদের উজ্জীবিত করেছে। দ্রুতই এসব সংকট কাটাতে না পারলে সামনে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে এমনটা আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনের সময়ে প্রশাসন ও আমলাতন্ত্রে যে অনিয়ম তৈরি হয়েছে তা অনেক ক্ষেত্রে এখনো বিদ্যমান। জনপ্রশাসনে এখনো পুরোমাত্রায় শৃঙ্খলা ফিরেনি। যার ফলে সরকারের কোনো কার্যক্রমই কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোতে পারছে না। পদে পদে আটকে যাচ্ছে। ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। গত ছয় মাসে সরকারের বাইরে বিএনপি’র দলীয় কোনো কার্যক্রম খুব একটা দৃশ্যমান ছিল না। ২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর এক নজিরবিহীন অবস্থায় পড়ে দেশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে চেষ্টা করেও পুরো পারেনি। বিএনপি সরকারের সামনে এটি ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু এখনো বাহিনীগুলোর মনোবল পুরো ফিরেনি। একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উদ্বেগ ছড়াচ্ছে। সামনেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাজার পরিস্থিতি এখনো পুরো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনের সময় মানুষ নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে অতিষ্ঠ ছিল। বর্তমান সরকারের ছয় মাসের মাথায় অনেক পণ্যের দাম বাড়তি। বাজার নিয়ন্ত্রণে মানুষ দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখতে পাচ্ছে না। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে শুরু থেকেই ভুগতে হয়েছে। সরকারের দায়িত্ব নেয়ার পরই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ পরিস্থিতি বদলে দেয়। জ্বালানি সংকটে বড় ধাক্কা খায় সরকার। পাম্পে পাম্পে হাহাকার পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও নানা চেষ্টায় সেই অবস্থা কাটিয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এখন নতুন করে তৈরি হয়েছে গ্যাস এবং বিদ্যুতের সংকট।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সরকার বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এই দুই খাত অনেকটাই বিপর্যস্ত। শিক্ষায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। কিন্তু হাতে সময় কম। দ্রুতই সঠিক উদ্যোগ নিয়ে বা বাস্তবায়নের পথে হাঁটার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। লুটপাট আর অব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত স্বাস্থ্য খাত। সরকারের তরফে বলা হচ্ছে, গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা জোরদার এবং সেই লক্ষ্যে উপজেলা হাসপাতালগুলোকে ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেয়ার সময় দেশ ছিল নানা সংকটে জর্জরিত। ছিল রাজনৈতিক বিভাজন, অর্থনীতিতে চাপ, আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক অস্থিরতা। ওদিকে পররাষ্ট্র বিষয়েও নতুন সরকারের সামনে কঠিন বাস্তবতা। প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক, সীমান্ত, বাণিজ্য, পানিবণ্টন এবং ক্ষমতাচ্যুত সাবেক সরকারের আমলের নানা চুক্তির বিষয়ে সরকারকে চাপে রাখা হয়েছে। এমন অবস্থায় রাজনীতিও খুব একটা স্বস্তিকর অবস্থায় নেই। ছয় মাস বয়সী একটি সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে রাজপথে সক্রিয় বিরোধী দল। এমনকি সচিবালয় ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচিও তারা পালন করেছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে সরকারকে চাপে রাখতে একের পর এক কর্মসূচি দিয়ে আসছে জামায়াত-এনসিপি’র নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল।

সরকারের ছয় মাসের মূল্যায়ন করে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বর্তমান এনার্জি ক্রাইসিস বাদ দিলে সরকারকে আমি পঞ্চাশ দিতাম। তিনি বলেন, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব নীরবে এবং নিঃশব্দে শক্তিশালীভাবে চলছে এটি সবচেয়ে বড় নেতিবাচক দিক। অন্যদিকে সরকারের ছয় মাসের মূল্যায়নে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেন, ছয় মাসে বিএনপি সরকারের অধিকাংশ নির্বাচনী অঙ্গীকার ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়েছে। কোথাও হয়তো ১০০ শতাংশ না হলেও সেখানে ৯৫ শতাংশ, ৯০ শতাংশ আছে। কোথাও ১০০ শতাংশ হয়েছে। সরকার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ছয় মাসে সরকার জনগণের আস্থা অর্জন, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, রাষ্ট্র সংস্কার, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি রক্ষার চেষ্টা করেছে। তবে অনেক ক্ষেত্রে প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল আসেনি। ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের পর মানুষের যে আকাশ সমান প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল সরকার তা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে।

সরকারই বা তার প্রতিশ্রুতি কতোটা পূরণ করতে পেরেছে? দলের নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে।

দলীয় কার্যক্রমে মন্থর থাকায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অনেকে দিকভ্রান্ত।

তার নিরন্তর ছুটে চলা দেখে সরকারের সমালোচকদেরও থেমে কথা বলতে হচ্ছে।

নিজে এবং কর্মকর্তাদের জন্য স্বল্প মূল্যের খাবার তালিকা করে দিয়েছেন।

তার কার্যালয়ে যাওয়া অতিথিদেরও এই খাবারই দেয়া হচ্ছে।

কোনো ঘটনা ঘটলে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

বক্তৃতা-বিবৃতিতে প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদের মতো তার মিতব্যয়ী ভাষারও প্রশংসা করছে সাধারণ মানুষ।

অনেকে বলছেন, শুরুতে ২০ সদস্যের মন্ত্রিসভা করার আলোচনা থাকলেও মন্ত্রিসভার সদস্য আরও বাড়ানো হয়েছিল।

মন্ত্রিসভা বড় হলেও কার্যক্রমে এর প্রভাব খুব একটা পড়েনি।

শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তুলেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এর জন্য জাতীয় সংসদে দুঃখপ্রকাশ করতে হয় তাকে।

খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে তার কয়েকটি অনিয়ন্ত্রিত বক্তব্যে কিছুটা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

সারের দাম বাড়ার পাশাপাশি সংকটে ভুগছেন অনেক এলাকার কৃষক।

এই সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে কৃষি এবং জনজীবনে বড় প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যে উগ্রবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতার তথ্য সামনে আসছে।

বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি তৎপরতার আলামত মিলছে।

আইনশৃঙ্খলা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই এই তৎপরতা রুখতে না পারলে সামনে বড় অঘটন ঘটতে পারে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জনপ্রশাসন এখনো পুরো সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়নি বলে মনে করা হচ্ছে।

সেবা খাতে বড় পরিবর্তনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

তথ্য সংগ্রহে জনবল নিয়োগ, তালিকা প্রস্তুতি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় দলের নেতারাই সমস্যা তৈরি করছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের পর এখন আলোচনায় ভারত সফর।

এই সফর ঘিরে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে।

ছয় মাসে জাতীয় সংসদের দু’টি অধিবেশন সমাপ্ত হয়েছে।

এই দুই অধিবেশনে সংসদ কার্যক্রমেও অনেক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদে ‘জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি আইন’ পাস হয়েছে।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধানকে সম্পৃক্ত করে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল’ও পাস হয়েছে।

আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ১৯ দিনে এবং মেহেরপুরের শিশু ধর্ষণ মামলার রায় ২৯ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করে দ্রুততম সময়ে বিচার নিশ্চিতের নজির তৈরি করেছে।

নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির পর মাত্র এক মাসে ১০টি রায় ঘোষণা।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মোজাফফর হোসেনকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তিনি দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পলাতক ছিলেন।

শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিকে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে গ্রেপ্তার এবং দেশে প্রত্যর্পণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে সরকার।

অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপান্তর করা হয়েছে।

পরিবেশ সুরক্ষায় দেশ জুড়ে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের বিশাল সামাজিক কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে।

ঢাকাকে দূষণমুক্ত করতে প্রাথমিকভাবে ২৫০টি সর্বাধুনিক পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক বাস চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ঢাকা শহরে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিক ও করতে বেশির ভাগ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাকে এআই বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে স্বয়ংক্রিয় কার্গো রিলিজ ব্যবস্থা চালু এবং ঢাকার যানজট নিরসণের চারটি আন্তঃজেলা বাসটার্মিনাল মহানগরের বাইরে স্থানান্তর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এখন এনার্জি ক্রাইসিস, আমি জানি না- এই মাসের মধ্যে যদি শেষ হয়ে যায়, এক সপ্তাহের মধ্যে হয়ে যাওয়া উচিত।

আমলাতান্ত্রিক দুর্নীতি কমাতে পারেনি।

কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিতে সময় লেগেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *