রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৫১ জনের প্রাণহানি, গৃহহীন ৫ হাজার মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৭ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৫১ জনের প্রাণহানি, গৃহহীন ৫ হাজার মানুষ

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে পৌঁছেছে। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার বরাত দিয়ে রোববার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

শনিবার সকালে পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশে এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৪১টি আফটারশক অনুভূত হয়েছে, যা উদ্ধারকাজকে আরও চ্যালেঞ্জিং করে তুলেছে।

উপস্বাস্থ্যমন্ত্রী বেঞ্জামিন পলাস অক্টাভিয়ানাস জানিয়েছেন, এই ঘটনায় ৩৬ জন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং ৭৭ জন সামান্য আঘাত পেয়েছেন। দুর্যোগের ফলে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

এছাড়া সিক্কা অঞ্চলে তিন হাজার ৩০০-এর বেশি মানুষ নিজেরাই নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন, আবার অনেকে স্থানীয় ক্রীড়া কমপ্লেক্সে আটকা পড়েছেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বিএনপিবি জানিয়েছে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের বড় একটি অংশ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভূমিকম্পে এক হাজার ৩০০টির বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এছাড়া ভূমিধস ও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় অনেক এলাকায় উদ্ধারকারীদের পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে। তবে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল মাউমেরের বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব টেডি ইন্দ্রা উইজায়া জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে সাড়ে তিন হাজারের বেশি সামরিক ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া পূর্ব নুসা তেংগারা সরকার প্রদেশটিতে জরুরি অবস্থা জারির বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে, যাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় অর্থ ও সম্পদ বরাদ্দ করা সম্ভব হয়।

জ্বালানি খাতেও এর প্রভাব পড়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পারতামিনা জানিয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় ২০টি পেট্রল স্টেশন বর্তমানে অচল হয়ে পড়েছে। ১৯৯২ সালে এই অঞ্চলের কাছাকাছি ৭ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল, যা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সৃষ্টি করেছিল। সেই ঘটনার পর এটিই ওই এলাকার সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২৯ কোটি মানুষের দেশ ইন্দোনেশিয়া একটি বিস্তৃত দ্বীপপুঞ্জ। দেশটি ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত হওয়ায় অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ। টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে এখানে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে। ২০২২ সালে পশ্চিম জাভায় আঘাত হানা ভূমিকম্পে শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। এটি করা হলে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সম্পদ ও অর্থ বরাদ্দ করতে পারবে।

সুনামগঞ্জে সিজারে নবজাতকের গলায় ক্ষতের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪০ পিএম
সুনামগঞ্জে সিজারে নবজাতকের গলায় ক্ষতের অভিযোগ

সুনামগঞ্জে নবজাতকের গলায় ক্ষত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌর শহরের কাজী পয়েন্টের জেনারেল হাসপাতালের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে ২৭ আগস্ট সন্ধ্যায়। ডা. অতুল কুমার মজুমদার (মিন্টু)-র তত্ত্বাবধানে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারটি সম্পন্ন হয়।

নবজাতকটি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের মঈনুল ইসলামের সন্তান। পরিবারের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকের অসাবধানতায় শিশুটির গলায় গভীর ক্ষত তৈরি হয়। এরপর ওই স্থান থেকে রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

সুনামগঞ্জে নবজাতকের গলায় ক্ষত নিয়ে পরিবারের অভিযোগ

রোগীর স্বজন উস্তার আলী জানান, ঘটনার পর তারা চিকিৎসকের কাছে বিষয়টির ব্যাখ্যা চান। তবে চিকিৎসক প্রথমে ক্ষতটিকে ‘জন্মগত দাগ’ বলে উল্লেখ করেন বলে তার দাবি।

একই সঙ্গে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। আরেক স্বজন নূর মিয়া বলেন, তারা চিকিৎসকের কাছ থেকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাননি।

বরং কথা বলতে গেলে তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। স্বজনদের দাবি, রাতে চিকিৎসকের চেম্বারে গেলে তারা হুমকিরও মুখে পড়েন।

হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতাল এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা তানভীর আহমেদ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।

তিনি বলেন, চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এদিকে সুনামগঞ্জে নবজাতকের গলায় ক্ষত হওয়ার অভিযোগ ঘিরে উপস্থিত স্বজনদের উদ্বেগ বাড়ে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে।

নবজাতককে সিলেটে পাঠানো

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন শেখ জানান, নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের সহায়তায় তাকে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তখন শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল বলে পুলিশ জানায়।

এছাড়া স্বজনদের অভিযোগের পর জিল্লুর রহমান সোহাগ নামে একজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।

তবে অভিযোগের বিষয়ে চিকিৎসকের পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।

দৈনিক বাংলাভিউয়ের দেশের আরও খবর নিয়মিত পড়তে পারেন।

ইমরানের ছেলেদের সাক্ষাৎকারে স্কাই স্পোর্টসের ওপর ক্ষুব্ধ পিসিবি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৯ পিএম
ইমরানের ছেলেদের সাক্ষাৎকারে স্কাই স্পোর্টসের ওপর ক্ষুব্ধ পিসিবি

স্কাই স্পোর্টসের ওপর পিসিবির ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ইমরান খানের দুই ছেলের একটি সাক্ষাৎকার ঘিরে। লর্ডসে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে সাক্ষাৎকারটি সম্প্রচার করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটি।

সুলাইমান খান ও কাসিম খানের সাক্ষাৎকার নেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইক আথারটন। সেখানে তারা কারাবন্দি বাবার স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

স্কাই স্পোর্টসের ওপর পিসিবির আপত্তি

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাক্ষাৎকার প্রচারের আগেই স্কাই স্পোর্টসের সঙ্গে যোগাযোগ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।

সাক্ষাৎকার দেখানো হলে ক্রিকেটাররা মাঠে না ফেরার বিষয়টিও বিবেচনায় ছিল।

তবে পিসিবির আপত্তি সত্ত্বেও ১৮ মিনিটের সাক্ষাৎকারটি শেষ পর্যন্ত প্রচার করে স্কাই স্পোর্টস।

এরপর পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা নির্ধারিত সময়েই মাঠে ফেরেন। পাকিস্তানে সিরিজ সম্প্রচারকারী রাষ্ট্রীয় চ্যানেল পিটিভি অবশ্য সাক্ষাৎকারটি দেখায়নি।

ফলে স্কাই স্পোর্টসের ওপর পিসিবির ক্ষোভ নিয়ে ক্রিকেট অঙ্গনে আলোচনা বাড়ে।

ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে ছেলেদের উদ্বেগ

সুলাইমান ও কাসিম জানান, প্রায় তিন বছর ধরে কারাগারে থাকা বাবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। একই সঙ্গে উপযুক্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি ইমরানকে ইসলামাবাদের শিফা হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।

তবে তাকে পিমস হাসপাতালে পরীক্ষার পর আবার কারাগারে পাঠানো হয়।

ইমরানের পরিবার এ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তারা ব্যক্তিগত চিকিৎসকের মাধ্যমে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সুযোগ চায়।

সাবেক অধিনায়কদেরও চিকিৎসার আহ্বান

ইমরানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ২১ জন সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে চিঠি দিয়েছেন।

তাদের মধ্যে মাইক আথারটনসহ বিভিন্ন দেশের সাবেক অধিনায়ক রয়েছেন।

অন্যদিকে পাকিস্তান সরকার ইমরানের প্রতি নির্যাতন বা সাক্ষাতে বাধার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সরকারের দাবি, বন্দি হওয়ার পর বহুবার পরিবার ও আইনজীবীরা তার সঙ্গে দেখা করেছেন।

২০২৩ সালের আগস্ট থেকে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে রয়েছেন ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান।

তিনি ও পিটিআই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

দৈনিক বাংলাভিউয়ের খেলাধুলার আরও খবর পড়ুন। নিয়মিত আপডেট পাওয়া যাবে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স অ্যাকাউন্টে

নেপাল-তিব্বত বন্যায় ৩০ দেশের নাগরিক নিখোঁজ, উদ্ধার অব্যাহত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৫ এম
নেপাল-তিব্বত বন্যায় ৩০ দেশের নাগরিক নিখোঁজ, উদ্ধার অব্যাহত

নেপাল-তিব্বত বন্যায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিয়েছে। শনিবারের সর্বশেষ হিসাবে দুই অঞ্চলে অন্তত ৬৭৬ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। প্রায় তিন হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ, যাদের মধ্যে বহু বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন।

নেপালের দুর্যোগ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটিতে ২ হাজার ৪২৬ জন এখনো নিখোঁজ। তিব্বতের গিরোং কাউন্টিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

উদ্ধার অভিযানে হেলিকপ্টার, সেনা, পুলিশ ও বিশেষায়িত দল কাজ করছে।

নেপাল-তিব্বত বন্যায় ৩০টির বেশি দেশের নাগরিক নিখোঁজ

নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যের নাগরিক রয়েছেন।

নেপালের পর্যটন কর্তৃপক্ষের হিসাবে ৩০টির বেশি দেশের নাগরিক দুর্যোগের সময় ওই অঞ্চলে ছিলেন।

অনেকেই কৈলাস-মানসসরোবরগামী পর্যটক ও তীর্থযাত্রী। ভারত জানিয়েছে, তাদের শতাধিক নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে আরও কয়েকশ ভারতীয় এখনো যোগাযোগের বাইরে রয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, ইউক্রেন ও অস্ট্রেলিয়ার অনেক নাগরিকের সন্ধানেও সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলো কাজ করছে।

দুর্যোগের বিস্তৃত প্রেক্ষাপট ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি আরও জানুন

পাহাড়ি অঞ্চল, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক এবং বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ উদ্ধার তৎপরতাকে কঠিন করে তুলছে।

উদ্ধার অভিযানে আন্তর্জাতিক সহায়তা

নেপাল এখন টানেল উদ্ধার, ডিএনএ শনাক্তকরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক কারিগরি সহায়তা চেয়েছে। ভারত ও অন্যান্য দেশ ইতোমধ্যে উদ্ধার সরঞ্জাম, চিকিৎসা সহায়তা এবং ত্রাণ পাঠিয়েছে।

কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের শ্রমিকও নিখোঁজ তালিকায় রয়েছেন। কাদা ও ধ্বংসাবশেষে আটকে থাকা টানেলগুলোতে উদ্ধারকারী দল বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে।

খারাপ আবহাওয়া ও নতুন বৃষ্টির আশঙ্কায় কিছু সময় হেলিকপ্টার অভিযান ব্যাহত হয়েছে।

চীনও তিব্বতের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও সরিয়ে নেওয়ার কাজ চালাচ্ছে।

সীমান্তবর্তী নতুন হ্রদের পানি নিয়ে সতর্কতা থাকলেও সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণে তাৎক্ষণিক ঝুঁকি কিছুটা কমেছে। তবু সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা বন্যা নিয়ে সতর্ক রয়েছে কর্তৃপক্ষ।

নেপালে চার হাজারের বেশি মানুষকে বিভিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের তালিকা যাচাই করতে কনস্যুলার সমন্বয়ও জোরদার করা হয়েছে।

নেপাল-তিব্বত বন্যার উদ্ধার পরিস্থিতি আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স আপডেটেও নজর রাখা যেতে পারে।

নতুন মরদেহ উদ্ধার ও নিখোঁজদের সন্ধান পাওয়ায় সরকারি হিসাব নিয়মিত পরিবর্তিত হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য এখন জীবিতদের উদ্ধার, আহতদের চিকিৎসা এবং বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি পৌঁছানো।

একই সঙ্গে বিদেশি নাগরিকদের পরিচয় ও অবস্থান নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তথ্য বিনিময় চলছে।