শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর ও স্পষ্ট বার্তা প্রদান করেছেন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,শেখ হাসিনাকে আর আসার জন্য অনুরোধ করা হবে না, বরং আইনি প্রক্রিয়ায় তাঁকে দেশে ধরে নিয়ে আসার প্রস্তুতি চলছে।
দৈনিক বাংলাভিউ-এর বিশেষ কূটনৈতিক প্রতিবেদনে সরকারের এই উচ্চপর্যায়ের কঠোর অবস্থানের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হলো।
শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড আসামি হিসেবে আপিল
উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান উল্লেখ করেন যে শেখ হাসিনা বর্তমানে একজন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ঘোষিত পলাতক ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।
প্রসিকিউশনের চূড়ান্ত তথ্য অনুযায়ী, তাঁর আপিল করার নির্ধারিত আইনি সুযোগ কিংবা বিচার পুনর্বিবেচনার সময়সীমা ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গেছে।
ফলে তিনি দেশে পা রাখলে তাঁর জন্য কেবলমাত্র পূর্বে নির্ধারিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আইনি বাধ্যবাধকতাই অপেক্ষা করছে।
সব সাম্প্রতিক খবরের আপডেট পেতে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে অনুসরণ করুন।
শেখ হাসিনাকে হস্তান্তর, ভারত সফরের শর্ত ও রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা
শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের বিষয়টি ভারতের ওপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি নয়।
বরং এটি পুরোপুরি আইনি ও রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা বলে তিনি স্পষ্টভাবে পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের পূর্বশর্ত হিসেবে ইস্যুটি যুক্ত থাকায় বাংলাদেশ সরকার বিষয়টিকে চরম গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে অগ্রসর হচ্ছে।
বর্তমানে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারে মুখোমুখি দাঁড় করানো ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প পথ সরকারের সামনে খোলা নেই।
দেশের রাজনীতি ও সর্বশেষ সংবাদের চিত্র দেখতে টুইটার পেজ-এ নজর রাখুন।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে আস্থার পরিবেশ নিশ্চিতে তাগিদ
ইতালিতে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তার প্রসঙ্গ টেনে উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য জনমনে গভীর ক্ষোভের জন্ম দিচ্ছে যা বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের বোঝা উচিত।
তিনি ভারতের হাইকমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন যে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি পাঠিয়েছে আস্থার পরিবেশ ফেরানোর তাগিদে।
পারস্পরিক কূটনীতি ও স্বচ্ছ সম্পর্ক জোরদারে দুই দেশের মধ্যে কার্যকর এনগেজমেন্ট নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য ব্যক্ত করেন।











