সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩

নেপালের দেবঘাট বনে ১৯৯ অজ্ঞাত মরদেহ দাফন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২১ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নেপালের দেবঘাট বনে ১৯৯ অজ্ঞাত মরদেহ দাফন

নেপালের দেবঘাট বনে ১৯৯ অজ্ঞাত মরদেহ অস্থায়ী সমাধিস্থলে পরিণত হয়েছে। গত ২৬ আগস্টের ভয়াবহ বন্যায় রসুয়া থেকে ভেসে আসা বহু মরদেহ চিতওয়ানে উদ্ধার হয়েছে।

কয়েক দিন আগেও পর্যটকে মুখর এলাকাটির চিত্র এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। কর্তৃপক্ষ দেবঘাট বনে অজ্ঞাত মরদেহ সাময়িকভাবে দাফন করছে।  দ্রুত পচন এবং স্থানীয় মর্গে জায়গার সংকটের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্যের সম্ভাব্য ঝুঁকিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

দেবঘাট বনে ১৯৯ অজ্ঞাত মরদেহ দাফন

৩১ আগস্ট সকালে পাওয়া সর্বশেষ তথ্যে চিতওয়ানে ২৭২টি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৯টি অজ্ঞাত মরদেহ দেবঘাট বনে দাফন করা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত ১২ জনের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। নেপালি সেনাবাহিনী, পুলিশ ও সশস্ত্র পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার এবং মরদেহ ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে।

নদীর তীর ও আশপাশে এখনও নতুন মরদেহ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে শনাক্তকরণ ও সংরক্ষণে কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ বাড়ছে।

ডিএনএ নমুনা ও কবরের তথ্য সংরক্ষণ দেবঘাট বনে ১৯৯ অজ্ঞাত মরদেহ

অজ্ঞাত মরদেহগুলো দাফনের আগে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রতিটি মরদেহের শনাক্তকরণ চিহ্ন এবং কবরের অবস্থানও নথিভুক্ত করছে কর্তৃপক্ষ। পরে ডিএনএ মিললে নির্দিষ্ট কবর থেকে দেহাবশেষ উত্তোলন করা সম্ভব হবে।

নিখোঁজ স্বজনের সন্ধানে বহু পরিবার চিতওয়ানের অস্থায়ী ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রে যাচ্ছেন। কেউ ছবি নিয়ে যাচ্ছেন, আবার কেউ উদ্ধার হওয়া মরদেহের তথ্য পরীক্ষা করছেন।

দৈনিক বাংলাভিউয়ে নেপালসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনের আরও খবর পাওয়া যাবে।

নেপাল বন্যায় প্রাণহানি আরও বেড়েছে

সর্বশেষ হিসাবে নেপালে ৭৮৮ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। দেশটিতে এখনও ২ হাজার ৫০২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদিকে তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যু এবং ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

সব মিলিয়ে নেপাল ও তিব্বতে মৃতের সংখ্যা ৮০৪ জনে পৌঁছেছে। নিখোঁজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৮ জনে। উদ্ধার অভিযান এখনও বিভিন্ন এলাকায় অব্যাহত রয়েছে।

নতুন বিপর্যয়ের আশঙ্কা

এদিকে নতুন বন্যার ঝুঁকিও পুরোপুরি কাটেনি। বিশেষজ্ঞরা নতুন পাথরধসে পাহাড়ি জলাধারগুলোর ওপর চাপ বাড়ার আশঙ্কা করছেন। এক গবেষকের হিসাবে প্রাথমিক ঢলের গতি ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কিলোমিটার ছিল।

কর্তৃপক্ষ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলেছে। নদীর পানি বাড়লে দ্রুত উঁচু স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ সংবাদ জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করা যাবে।

ডিজিটাল অধিকার সুরক্ষায় আইন প্রয়োগে সমতা চান বিশেষজ্ঞরা

বাংলাভিউ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১:২১ এম
ডিজিটাল অধিকার সুরক্ষায় আইন প্রয়োগে সমতা চান বিশেষজ্ঞরা

ডিজিটাল অধিকার সুরক্ষায় শুধু নতুন আইন প্রণয়ন বা পুরোনো আইন সংশোধন যথেষ্ট নয়। আইন প্রয়োগে সমতা, অপব্যবহার বন্ধ এবং কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

একই সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তারা। ৩০ আগস্ট সকালে ঢাকার একটি হোটেলে টেকগ্লোবাল ইনস্টিটিউটের গোলটেবিলে এসব মত উঠে আসে।

‘ডিজিটাল পলিসিস অ্যান্ড রাইটস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনায় নীতিনির্ধারক, সাংবাদিক, আইনজীবী, গবেষক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আইন প্রয়োগে বৈষম্য বন্ধের দাবি

এদিকে দ্য ডেইলি স্টারের কনসালটিং এডিটর কামাল আহমেদ বলেন, বিদ্যমান আইনের অপব্যবহার ঠেকানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তাঁর মতে, রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ হলেও সাধারণ নাগরিকের বৈধ অভিযোগে প্রতিকার পেতে দেরি হয়। ফলে আইনের ওপর মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অন্যদিকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ডিজিটাল শাসনের সংকটে আমলাতন্ত্র, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মের ভূমিকা রয়েছে।

অভিযোগ ওঠা ক্ষমতাকাঠামোর কাছেই প্রতিকারের নিয়ন্ত্রণ থাকলে স্বাধীন তদন্ত দুর্বল হতে পারে।

মতপ্রকাশ ও অনলাইন নিরাপত্তা

আইনজীবী প্রিয়া আহসান চৌধুরী বলেন, মানহানি বা বিভ্রান্তিকর তথ্যকে অস্পষ্টভাবে সাইবার অপরাধ হিসেবে গণ্য করা ঝুঁকিপূর্ণ। এতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

এছাড়া অনলাইন হয়রানি ও ব্ল্যাকমেলের শিকার নারীরা অভিযোগ জানাতে গিয়ে প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পাওয়ার কথাও তিনি তুলে ধরেন।

কার্টুনিস্ট মেহেদী হক বলেন, বিধিনিষেধমূলক আইনের ভয় আত্মনিয়ন্ত্রণ ও আত্মনিষেধের প্রবণতা বাড়াতে পারে।

ফলে সমালোচনা, ব্যঙ্গচিত্র এবং স্বাধীন মতপ্রকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ডিজিটাল অধিকার সুরক্ষায় জবাবদিহি

এদিকে বিটিআরসির উপপরিচালক এস এম তাইফুর রহমান বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করে না। একই সঙ্গে বিটিআরসি নজরদারিও চালায় না বলে জানান তিনি।

জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির পরিচালক হোসাইন বিন আমিন বলেন, সাইবার বুলিং ও অনলাইন হয়রানির শিকারদের সহায়তায় একটি পোর্টাল চালু হয়েছে।

টেকগ্লোবাল ইনস্টিটিউটের কান্ট্রি হেড ফৌজিয়া আফরোজ অংশগ্রহণমূলক নীতিনির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেন।

তিনি নাগরিক সমাজ, গবেষক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে পরামর্শপ্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।

ডিজিটাল অধিকার সুরক্ষায় আইন, প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মের সমান জবাবদিহি প্রয়োজন বলে আলোচনায় মত আসে।

দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জাতীয় খবর পড়ুন। এছাড়া নিয়মিত আপডেট পাওয়া যাবে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স অ্যাকাউন্টে

সুনামগঞ্জে সিজারে নবজাতকের গলায় ক্ষতের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪০ পিএম
সুনামগঞ্জে সিজারে নবজাতকের গলায় ক্ষতের অভিযোগ

সুনামগঞ্জে নবজাতকের গলায় ক্ষত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌর শহরের কাজী পয়েন্টের জেনারেল হাসপাতালের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে ২৭ আগস্ট সন্ধ্যায়। ডা. অতুল কুমার মজুমদার (মিন্টু)-র তত্ত্বাবধানে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারটি সম্পন্ন হয়।

নবজাতকটি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের মঈনুল ইসলামের সন্তান। পরিবারের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকের অসাবধানতায় শিশুটির গলায় গভীর ক্ষত তৈরি হয়। এরপর ওই স্থান থেকে রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

সুনামগঞ্জে নবজাতকের গলায় ক্ষত নিয়ে পরিবারের অভিযোগ

রোগীর স্বজন উস্তার আলী জানান, ঘটনার পর তারা চিকিৎসকের কাছে বিষয়টির ব্যাখ্যা চান। তবে চিকিৎসক প্রথমে ক্ষতটিকে ‘জন্মগত দাগ’ বলে উল্লেখ করেন বলে তার দাবি।

একই সঙ্গে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। আরেক স্বজন নূর মিয়া বলেন, তারা চিকিৎসকের কাছ থেকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাননি।

বরং কথা বলতে গেলে তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। স্বজনদের দাবি, রাতে চিকিৎসকের চেম্বারে গেলে তারা হুমকিরও মুখে পড়েন।

হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতাল এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা তানভীর আহমেদ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।

তিনি বলেন, চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এদিকে সুনামগঞ্জে নবজাতকের গলায় ক্ষত হওয়ার অভিযোগ ঘিরে উপস্থিত স্বজনদের উদ্বেগ বাড়ে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে।

নবজাতককে সিলেটে পাঠানো

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন শেখ জানান, নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের সহায়তায় তাকে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তখন শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল বলে পুলিশ জানায়।

এছাড়া স্বজনদের অভিযোগের পর জিল্লুর রহমান সোহাগ নামে একজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।

তবে অভিযোগের বিষয়ে চিকিৎসকের পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।

দৈনিক বাংলাভিউয়ের দেশের আরও খবর নিয়মিত পড়তে পারেন।

ইমরানের ছেলেদের সাক্ষাৎকারে স্কাই স্পোর্টসের ওপর ক্ষুব্ধ পিসিবি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৯ পিএম
ইমরানের ছেলেদের সাক্ষাৎকারে স্কাই স্পোর্টসের ওপর ক্ষুব্ধ পিসিবি

স্কাই স্পোর্টসের ওপর পিসিবির ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ইমরান খানের দুই ছেলের একটি সাক্ষাৎকার ঘিরে। লর্ডসে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে সাক্ষাৎকারটি সম্প্রচার করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটি।

সুলাইমান খান ও কাসিম খানের সাক্ষাৎকার নেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইক আথারটন। সেখানে তারা কারাবন্দি বাবার স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

স্কাই স্পোর্টসের ওপর পিসিবির আপত্তি

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাক্ষাৎকার প্রচারের আগেই স্কাই স্পোর্টসের সঙ্গে যোগাযোগ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।

সাক্ষাৎকার দেখানো হলে ক্রিকেটাররা মাঠে না ফেরার বিষয়টিও বিবেচনায় ছিল।

তবে পিসিবির আপত্তি সত্ত্বেও ১৮ মিনিটের সাক্ষাৎকারটি শেষ পর্যন্ত প্রচার করে স্কাই স্পোর্টস।

এরপর পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা নির্ধারিত সময়েই মাঠে ফেরেন। পাকিস্তানে সিরিজ সম্প্রচারকারী রাষ্ট্রীয় চ্যানেল পিটিভি অবশ্য সাক্ষাৎকারটি দেখায়নি।

ফলে স্কাই স্পোর্টসের ওপর পিসিবির ক্ষোভ নিয়ে ক্রিকেট অঙ্গনে আলোচনা বাড়ে।

ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে ছেলেদের উদ্বেগ

সুলাইমান ও কাসিম জানান, প্রায় তিন বছর ধরে কারাগারে থাকা বাবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। একই সঙ্গে উপযুক্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি ইমরানকে ইসলামাবাদের শিফা হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।

তবে তাকে পিমস হাসপাতালে পরীক্ষার পর আবার কারাগারে পাঠানো হয়।

ইমরানের পরিবার এ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তারা ব্যক্তিগত চিকিৎসকের মাধ্যমে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সুযোগ চায়।

সাবেক অধিনায়কদেরও চিকিৎসার আহ্বান

ইমরানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ২১ জন সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে চিঠি দিয়েছেন।

তাদের মধ্যে মাইক আথারটনসহ বিভিন্ন দেশের সাবেক অধিনায়ক রয়েছেন।

অন্যদিকে পাকিস্তান সরকার ইমরানের প্রতি নির্যাতন বা সাক্ষাতে বাধার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সরকারের দাবি, বন্দি হওয়ার পর বহুবার পরিবার ও আইনজীবীরা তার সঙ্গে দেখা করেছেন।

২০২৩ সালের আগস্ট থেকে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে রয়েছেন ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান।

তিনি ও পিটিআই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

দৈনিক বাংলাভিউয়ের খেলাধুলার আরও খবর পড়ুন। নিয়মিত আপডেট পাওয়া যাবে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স অ্যাকাউন্টে