শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাকাই টেস্টে ইনিংস হার এড়াতে লড়ছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩২ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাকাই টেস্টে ইনিংস হার এড়াতে লড়ছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম

ইনিংস হার এড়াতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনে আজ অলআউট হয়ে ১৪৬ রানের লিড নিয়েছে স্বাগতিক অজি দল।

ডারউইনে প্রথম টেস্ট জয়ের পর ম্যাকাইতে স্বাগতিক বোলারদের তোপে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছিল। জবাবে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শরীফুল ইসলামের বিধ্বংসী বোলিং তোপে অস্ট্রেলিয়া আজ ২১০ রানে থমকে যায়।

​দিনের শুরুতে আট উইকেটে ১৬৫ রান নিয়ে খেলতে নেমে শেষ পর্যন্ত লায়নের ৩২ রানে দলীয় স্কোর বাড়ায় তারা।

বাংলাদেশের পক্ষে বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম একাই সাতটি উইকেট শিকার করে সফরকারীদের ম্যাচে দ্রুত ফিরিয়ে আনার নায়ক হন।

♻️ খেলাধুলার সংবাদের সমস্ত বিশ্বস্ত খবরের আপডেট জানতে আমাদের ওয়েবসাইটে আরও জানুন

ইনিংস হার এড়াতে টপ অর্ডারের করুণ আত্মসমর্পণ

​১৪৬ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে পুনরায় চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে টিম বাংলাদেশের ব্যাটাররা।

মূলত অজি তারকা মিচেল স্টার্কের বিষাক্ত স্পেলে সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক দ্রুত সাজঘরে ফিরে গিয়েছেন।

এরপর প্যাট কামিন্সের গতিময় বাউন্সারে ওপেনার তানজিদ হাসান ক্যাচ দিলে মাত্র ২৪ রানেই ৩ উইকেট হারায় দল। ফলে লাঞ্চ বিরতির আগে দ্বিতীয় ইনিংসে বিশাল ইনিংস হার এড়াতে মারাত্মক মনস্তাত্ত্বিক চাপের মুখে পড়েছে সফরকারী বাংলাদেশ।

তবে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দিতে ক্রিজে বেশ সতর্ক রয়েছেন।

এই মুহূর্তে ইনিংসের পরাজয় এড়াতে হলে টাইগারদের এখনও অন্তত ১০৭ রান সংগ্রহ করতে হবে।

​টেস্ট জয়ে শান্ত ও মুশফিকের ওপর আস্থা

​লাঞ্চ বিরতি পর্যন্ত ১১ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ৩৯ রান তুলে আপাতত প্রতিরোধ গড়েছে লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা। বর্তমানে অধিনায়ক শান্ত ২৩ রান এবং অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ৪ রান নিয়ে ক্রিজে অপরাজিত অবস্থান করছেন।

​পরিশেষে বলা যায় দ্বিতীয় সেশনের পুরো দায়িত্ব এখন ক্রিজে থাকা এই দুই নির্ভরযোগ্য অভিজ্ঞ ব্যাটারের কাঁধে ন্যস্ত।

তাই শান্ত ও মুশফিকের দায়িত্বশীল জুটিই বাংলাদেশকে আজ এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা করতে পারে।

দৈনিক বাংলাভিউ এখন এক্স এতে খেলার সমস্ত তাজা খবরের আপডেট সরাসরি পেতে আমাদের এক্স পেজ টি ফলো করুন

নাগরিক নিরাপত্তায় দৃশ্যমান পদক্ষেপ জরুরি, বাড়ছে উদ্বেগ

বাংলাভিউ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৫ এম
নাগরিক নিরাপত্তায় দৃশ্যমান পদক্ষেপ জরুরি, বাড়ছে উদ্বেগ

নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে সামনে ছিল। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি।

সরকার গঠনের শুরুতেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

তবে গত ছয় মাসের বিভিন্ন উদ্যোগের পরও জনমনে নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম সাত মাসের তুলনায় চলতি বছর খুন বেড়েছে।

নাগরিক নিরাপত্তা বাড়ছে উদ্বেগ

রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনা নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

পুলিশের প্রাথমিক ভাষ্য নিয়েও নিহতদের স্বজন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে ২৫ জুন লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। অনুসন্ধানে ছয় মাসে একই পরিবারের একাধিক সদস্য হত্যার ১৮টি ঘটনা পাওয়া গেছে।

এসব ঘটনায় মোট ৪৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৪টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ভুক্তভোগীদের নিজেদের ঘর বা বাড়িতে।

ফলে মানুষের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

মাদক নিয়ন্ত্রণ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তে গুরুত্ব

খুনের বিভিন্ন ঘটনায় মাদক, জমি বা সম্পত্তি বিরোধ এবং পারিবারিক কলহের বিষয় সামনে এসেছে।

রংপুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজন মাদকাসক্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ। লক্ষ্মীপুরের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রেও একই তথ্য এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইয়াবাসহ সিনথেটিক মাদকের বিস্তার অপরাধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।

মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে উৎসমুখে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ এবং শক্তিশালী নজরদারি প্রয়োজন।

রংপুরের চার হত্যার বিশ্বাসযোগ্য তদন্তও পুলিশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

যৌক্তিক সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জোরালো হয়েছে।

এদিকে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধের হারও ঊর্ধ্বমুখী বলে সংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে। তাই শুধু অগ্রাধিকারের ঘোষণা নয়, দৃশ্যমান ও সমন্বিত পদক্ষেপ এখন জরুরি।

নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘরে-বাইরে মানুষের নিরাপত্তাবোধ ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। মাদক নিয়ন্ত্রণ, পেশাদার তদন্ত এবং অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা ছাড়া সেই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

চার বছরে ১৪৭ প্রাণহানি

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৪ এম
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা গত চার বছরে উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। মাওয়া টোল প্লাজা থেকে ধলেশ্বরী টোল প্লাজা পর্যন্ত ৫৪৮টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ১৪৭ জন নিহত এবং ৮৭৪ জন আহত হয়েছেন।

পরিসংখ্যানটি ২৫ জুন ২০২২ থেকে ২৭ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের। বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম তথ্যগুলো নিশ্চিত করেন।

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা:চার বছরের চিত্র

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের চাপ দ্রুত বেড়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে ছোট-বড় দুর্ঘটনার সংখ্যাও বাড়তে দেখা গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে, নির্ধারিত অংশে চার বছরে ৫৪৮টি দুর্ঘটনায় শতাধিক মানুষের প্রাণ গেছে।

এছাড়া আহত ৮৭৪ জনের অনেককেই ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেলেই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধারকাজে যান। তারা ঝুঁকি নিয়ে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান।

অন্যদিকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সড়ক ও জননিরাপত্তার আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এড়াতে চালকদের আহ্বান

এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনার উদাহরণ হিসেবে ২০২৫ সালের ২৯ এপ্রিলের একটি ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সেদিন শ্রীনগরে রাস্তা পার হওয়ার সময় বাসের ধাক্কায় এক ব্যক্তি নিহত হন।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, যানবাহনের চাপ বাড়ার সঙ্গে দুর্ঘটনার সংখ্যাও বাড়ছে।

তাই চালকদের ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং থেকে বিরত থাকতে বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে পথচারী ও সাধারণ মানুষকেও সড়ক ব্যবহারে আরও সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিয়ম মেনে চললে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব বলে মনে করছে সংস্থাটি।

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনার এই পরিসংখ্যান সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

চার বছরে ১৪৭ প্রাণহানি দ্রুত ও কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তাও সামনে এনেছে।

তবে দুর্ঘটনা কমাতে শুধু চালকদের সতর্কতাই যথেষ্ট নয়। নিয়মিত নজরদারি, সচেতনতা এবং সড়ক ব্যবহারে দায়িত্বশীল আচরণও গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ফায়ার সার্ভিসও নিয়মিত সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা নিয়ে পরবর্তী তথ্য আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

হিমালয়ের বিপর্যয়ে বাড়ছে দক্ষিণ এশিয়ার দুর্যোগ ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২৫ এম
হিমালয়ের বিপর্যয়ে বাড়ছে দক্ষিণ এশিয়ার দুর্যোগ ঝুঁকি

দক্ষিণ এশিয়ার দুর্যোগ ঝুঁকি নতুন করে সামনে এনেছে নেপালের সাম্প্রতিক হড়পা বান। পাহাড়ি স্রোত, কাদা ও পাথর দ্রুত জনপদ এবং যোগাযোগব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এই বিপর্যয় দেখিয়েছে, হিমালয়ের দুর্যোগ কোনো এক দেশের সীমানায় আটকে থাকে না।

নেপাল-চীন সীমান্তের রাসুওয়াগাড়ি-গিরোং অঞ্চলের ঘটনাটি এখন বিশেষভাবে আলোচনায়। ইউএসজিএসের প্রাথমিক বিশ্লেষণে হিমবাহধস থেকে ভয়াবহ ধস ও বন্যা সৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি বলা হয়েছে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব নির্ধারণে আরও বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রয়োজন।

দক্ষিণ এশিয়ার দুর্যোগ ঝুঁকিতে হিমালয়ের পরিবর্তন

হিমালয়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, হিমবাহ সরে যাওয়া এবং বরফ গলা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ রয়েছে। এসব পরিবর্তনে পাহাড়ি ঢাল দুর্বল হতে পারে এবং হিমবাহ-হ্রদও বড় হতে পারে। ফলে ভূমিধস, হড়পা বান এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে।

এই বাস্তবতায় শুধু অতীতের বৃষ্টি বা নদীর সর্বোচ্চ পানির হিসাব যথেষ্ট নয়।

উন্নয়ন পরিকল্পনায় ভবিষ্যতের আরও চরম পরিস্থিতিকেও বিবেচনায় নিতে হবে। সেতু, রাস্তা, বাঁধ ও বসতির নকশায় পরিবর্তিত ঝুঁকি যুক্ত করা জরুরি।

নেপালের সাবেক যোজনা কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান গোবিন্দরাজ পোখরেল আগাম সতর্কতার ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

অন্যদিকে চীনা কর্তৃপক্ষ সতর্কতা না দেওয়া এবং বাঁধ বিপর্যয়ের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

দুর্যোগ ও জলবায়ু সংক্রান্ত আরও প্রতিবেদন জানতে আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

ভারত-বাংলাদেশের করণীয় কী

বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর বিপুল পানি সীমান্তের ওপার থেকে আসে।

তাই দেশের বন্যা ব্যবস্থাপনা শুধু অভ্যন্তরীণ তথ্যের ওপর নির্ভর করলে যথেষ্ট হবে না। ভারতের ক্ষেত্রেও একই বাস্তবতা প্রযোজ্য।

নেপাল, ভারত, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে রিয়েল-টাইম তথ্য বিনিময় আরও শক্তিশালী করা দরকার।

প্রয়োজনে চীনের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকেও এই ব্যবস্থায় যুক্ত করতে হবে।

স্যাটেলাইট তথ্য, নদী পর্যবেক্ষণ ও ভূমিধস শনাক্তকরণ একসঙ্গে কাজ করলে সতর্কতা দ্রুত পৌঁছাতে পারে।

তবে প্রযুক্তির পাশাপাশি নিরাপদ সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থাও জরুরি। কয়েক ঘণ্টার আগাম তথ্য একটি গ্রাম খালি করতে পারে এবং বহু জীবন বাঁচাতে পারে।

তাই ত্রাণের পাশাপাশি দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতিতে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। দক্ষিণ এশিয়ার দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতাই এখন সবচেয়ে কার্যকর পথ।

কারণ নদী, বরফ ও পাহাড় কোনো রাজনৈতিক সীমানা মানে না।

সর্বশেষ জলবায়ু ও আঞ্চলিক খবর আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।