২০১৮ সালের স্মৃতি নিয়ে এশিয়া কাপ জয়ের লক্ষ্য জ্যোতিদের

এশিয়া কাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে ২০১৮ সালের সোনালি স্মৃতি এখন আবার সামনে আনছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। সেবার শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে প্রথমবার নারী এশিয়া কাপের শিরোপা জিতে বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়েছিল দলটি।

এবার সেই ঐতিহাসিক সাফল্যের অনুপ্রেরণা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাচ্ছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ নারী দল।

বাংলাদেশ দল আগামী ২৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে দেশ ছাড়বে, আর দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপ শুরু হবে ২৮ আগস্ট।

গ্রুপ ‘বি’-তে এবার বাংলাদেশের তিন প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা, স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইন্দোনেশিয়া হবে।

নারী ক্রিকেটের নিয়মিত খবর ও সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট আপডেট জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগে যেতে পারেন।

এশিয়া কাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

জ্যোতি জানিয়েছেন, বিগত কয়েকটি আসরে সেমিফাইনালের বাধা পেরোতে না পারার সেই দীর্ঘ হতাশা এবার কাটাতে চায় বাংলাদেশ। তাই এবার দলের প্রথম বড় লক্ষ্য শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়ে সেমিফাইনাল পেরিয়ে সরাসরি ফাইনালে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করা।

অধিনায়কের দৃঢ় বিশ্বাস, ফাইনালে উঠতে পারলে এশিয়া কাপ জয়ের লক্ষ্য পূরণের সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যাবে।

বাংলাদেশের প্রস্তুতি নিয়েও যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী জ্যোতি, কারণ দল এবার কয়েকটি কার্যকর প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছে। এর মধ্যে শ্রীলঙ্কায় দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে দল, যা খেলোয়াড়দের প্রতিযোগিতামূলক ছন্দ ধরে রাখতে যথেষ্ট সহায়তা করেছে।

ফলে মূল টুর্নামেন্টে নামার আগে নিজেদের শক্তি, দুর্বলতা এবং প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ভালোভাবে বুঝে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন ক্রিকেটাররা।

২০১৮ সালের সাফল্য থেকে নতুন প্রেরণা

গ্রুপ পর্বকে এবার খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন জ্যোতি, কারণ শীর্ষস্থান পাওয়া সেমিফাইনালের কঠিন সমীকরণ সহজ করতে পারে। তার মতে, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে সেমিফাইনালে ভারতের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে এড়িয়ে যাওয়ার ভালো সম্ভাবনা তৈরি হবে।

তাই শুরু থেকেই ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলে প্রতিটি ম্যাচে ইতিবাচক ফল নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ।

জ্যোতি মনে করেন, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ সবসময় কঠিন হলেও দক্ষতার জায়গায় বাংলাদেশ নিজেদের পিছিয়ে মনে করে না।

বরং মাঠে ইতিবাচক মানসিকতা বজায় রাখা এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাকেই তিনি সাফল্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত মনে করেন।

এশিয়া কাপ জয়ের লক্ষ্য পূরণ করে আট বছর আগের অর্জন ফেরাতে চায় জ্যোতিরা; আরও জানতে এক্স দেখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *