শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ক্রাইম প্যাট্রল’, বিরক্ত জাকিয়া বারী মম

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২১ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ক্রাইম প্যাট্রল’, বিরক্ত জাকিয়া বারী মম

জাকিয়া বারী মমের মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বর্তমান পরিবেশ নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। একের পর এক সংঘাত, সহিংসতা ও বিদ্বেষের খবর দেখে নিজের অস্বস্তির কথা জানিয়েছেন এই অভিনয়শিল্পী।

সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মম লেখেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকলে মনে হয় ক্রাইম প্যাট্রল দেখতেছি!’ পোস্টটি দেওয়ার পর তিনি প্রথম আলোকে এর পেছনের কারণও ব্যাখ্যা করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে মমের অস্বস্তি

মম বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকলেই এখন একের পর এক ঘটনার খবর চোখে পড়ে। মারামারি, হানাহানি ও বিদ্বেষের এসব খবর দেখে তার মন খারাপ হয়ে যায়।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেই মন খারাপ থেকেই তিনি ফেসবুকে এমন মন্তব্য করেছেন।

জনপ্রিয় ‘ক্রাইম প্যাট্রল’ সিরিজের সঙ্গে তুলনাটি মূলত অপরাধ ও সহিংসতার ধারাবাহিক খবরকে বোঝাতে এসেছে।

সিরিজটিতে একের পর এক অপরাধ এবং তার নেপথ্যের ঘটনা তুলে ধরা হয়। মমের কাছে বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়ার চিত্রও অনেকটা তেমন মনে হচ্ছে।

বিনোদন জগতের আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

অভিনয়ের বাইরে মম বিভিন্ন সময় সমসাময়িক ঘটনা ও নিজের অনুভূতি নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে কথা বলেন।

জাকিয়া বারী মমের মন্তব্যে ব্যক্তিগত অসহায়ত্বও উঠে এলো

নিজের বর্তমান অবস্থান প্রসঙ্গে মম বলেন, তিনি অন্য পেশাজীবী ও সাধারণ মানুষের মতোই জীবন কাটাচ্ছেন।

নিজের কাজ ও জীবন নিয়েই ব্যস্ত থাকতে পছন্দ করেন বলে জানান তিনি।

তবে চারপাশের এসব ঘটনা দেখলে তারও খারাপ লাগে। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ হিসেবে সবকিছু পরিবর্তন করার ক্ষমতা তার নেই।

মম আরও বলেন, মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের দুঃখ-বেদনা লিখে রাখে। তিনিও নিজের সময়ের অনুভূতিটা ফেসবুকে লিখে রাখলেন।

জাকিয়া বারী মমের মন্তব্য তাই শুধু একটি সংক্ষিপ্ত ফেসবুক পোস্টেই সীমাবদ্ধ থাকেনি।

প্রথম আলোর সঙ্গে কথায় তিনি নিজের মন খারাপের কারণও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন।

অভিনয়ের খবরের বাইরেও সমসাময়িক নানা ঘটনা ও ইস্যু নিয়ে মম নিয়মিত নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

এবারও চারপাশের সংঘাত ও বিদ্বেষ দেখে একইভাবে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।

মমের বক্তব্যে সাধারণ মানুষের অসহায়ত্ব এবং সামাজিক মাধ্যমের নেতিবাচক খবরের প্রভাব স্পষ্ট হয়েছে।

সর্বশেষ বিনোদন আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলা ও সমঝোতার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪২ এম
কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলা ও সমঝোতার অভিযোগ

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু ঘিরে সাউথ চট্টগ্রাম হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে কন্যাশিশুটির মৃত্যু হয়। শিশুটির বাবা মো. নাঈম ও মা নিফা আক্তারের বাড়ি আনোয়ারা উপজেলায়।

পরিবার জানায়, প্রসবজনিত কারণে ১৬ আগস্ট নিফা আক্তারকে শিকলবাহার ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেদিন রাত দেড়টার দিকে তার সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। অস্ত্রোপচারের পর মা সুস্থ থাকলেও নবজাতকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে পরিবার উদ্বিগ্ন ছিল।

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু নিয়ে পরিবারের অভিযোগ

নাঈমের অভিযোগ, হাসপাতালে থাকা অবস্থায় চিকিৎসকদের বারবার ডাকলেও সময়মতো সাড়া পাওয়া যায়নি।

রাতে ও ভোরে চিকিৎসকের উপস্থিতি চাইলেও যথাযথ সেবা মেলেনি বলে দাবি তার। এই অবহেলার কারণেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

পরিবারের দাবি, মৃত্যুর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আর্থিক সমঝোতার আলোচনা হয়। এক লাখ টাকার রফাদফার গুঞ্জনের মধ্যে নাঈম প্রায় ৮০ হাজার টাকা লেনদেনের কথা জানিয়েছেন।

তার ভাষ্য, বিল ও চিকিৎসা খরচ বাদ দিয়ে ৪০ হাজার টাকা বড় ভাই ইদ্রিসকে দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও স্থানীয় আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

নাঈম বলেন, স্ত্রী এখনো একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় সম্ভাব্য হয়রানি নিয়েও পরিবার উদ্বিগ্ন।

হাসপাতালের বক্তব্য ও তদন্ত কমিটি

তবে হাসপাতালের ম্যানেজার নজরুল ইসলাম এক লাখ টাকার সমঝোতার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

তার দাবি, নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা সত্য হলেও এমন লেনদেন সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, জন্মের পর থেকেই শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না।

ঘটনাটি কর্ণফুলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের নজরে এসেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোছাম্মৎ জেবুন্নেছা বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানিয়েছেন এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সিভিল সার্জনের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

ডা. জেবুন্নেছা বলেন, আর্থিক লেনদেনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ তাদের কাছে জমা পড়েনি।

তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ এবং কারও দায় ছিল কি না, তা স্পষ্ট হবে।

পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ প্রকাশের দাবি জানিয়েছে।

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু নিয়ে তাই তদন্তের ফল এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতিতে বাড়ছে এজেন্সিগুলোর আর্থিক ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪২ এম
ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতিতে বাড়ছে এজেন্সিগুলোর আর্থিক ঝুঁকি

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতি নিয়ে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জিডিএস-ইস্যুকৃত টিকিট বাতিল, এডিএম এবং অনিয়মিত বুকিং নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি বাড়িয়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থাটি।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইস্যু করা টিকিট একই দিনে বাতিল করতে হবে। সেটিও প্রথম ফ্লাইট ছাড়ার অন্তত ৭২ ঘণ্টা আগে করতে হবে। একই সঙ্গে বুকিংয়ের সব ফ্লাইট সেগমেন্ট একসঙ্গে বাতিল করতে হবে।

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতিতে কোথায় কড়াকড়ি

উদাহরণ হিসেবে ঢাকা-দুবাই-মদিনা রুটের কোনো একটি সেগমেন্ট রেখে অন্যটি বাতিল করা যাবে না। এমন কার্যক্রম নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

যাত্রার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল কার্যত নিষিদ্ধের পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

নিয়ম ভাঙলে ১০০ মার্কিন ডলার জরিমানা আরোপ হতে পারে। এর সঙ্গে প্রযোজ্য নো-শো চার্জ এবং অতিরিক্ত ৫০ ডলার প্রশাসনিক ফিও যোগ হতে পারে।

ফলে ছোট ভুলও এজেন্সির জন্য বড় আর্থিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

খাতসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, আগে অনেক ক্ষেত্রে ভুল সংশোধনের সুযোগ ছিল। তবে নতুন কড়াকড়িতে পরিবারভিত্তিক বা দলীয় বুকিংয়ে ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

ভ্রমণ ও এভিয়েশনের আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

এজেন্সিগুলোর জন্য বাড়ছে সতর্কতার প্রয়োজন

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অতীতে টিকিট ইস্যু করে আসন আটকে রাখার অভিযোগ ছিল।

ফ্লাইট সেগমেন্ট বাতিল না করেই টিকিট বাতিল দেখানোর ঘটনাও ঘটত। শেষ মুহূর্তের বুকিং ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও ছিল।

নতুন নীতির লক্ষ্য এসব অনিয়ম কমানো এবং আসন ব্যবস্থাপনা আরও সুশৃঙ্খল করা। খাতসংশ্লিষ্টদের একাংশ মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদে পেশাদার এজেন্টদের জন্য এটি ইতিবাচক হতে পারে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে এজেন্সিগুলোকে এখন আরও সতর্ক থাকতে হবে।

ভিসা জটিলতা, চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থা বা যাত্রীর হঠাৎ পরিকল্পনা বদল বিশেষ সমস্যা তৈরি করতে পারে।

কারণ সময় ঘনিয়ে এলে জরিমানা এড়ানোর সুযোগ সীমিত হয়ে যায়।

এদিকে ইউএস-বাংলার অফিসিয়াল নীতিতে এজেন্সি থেকে কেনা টিকিটের রিফান্ড সংশ্লিষ্ট এজেন্সির মাধ্যমেই করতে বলা হয়েছে।

সেখানে বাতিল চার্জ টিকিটের ভাড়ার শর্ত অনুযায়ী প্রযোজ্য হওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

যাত্রীদেরও টিকিট ইস্যুর আগে তারিখ, গন্তব্য, পাসপোর্ট তথ্য এবং ভ্রমণ পরিকল্পনা ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতি সম্পর্কে আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা আপিলে ৯১ শতাংশ নাম ফিরল

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৪ এম
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা আপিলে ৯১ শতাংশ নাম ফিরল

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের আপিল নিষ্পত্তিতে ৯১ শতাংশের বেশি নাম আবার তালিকায় ফিরেছে। বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার পর এই তথ্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

নির্বাচন কমিশনের আরটিআই তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৮২ হাজার ৭৮২টি আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫ হাজার ৪৪৩ জনের নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা আপিলে ৯১ শতাংশ নাম ফিরল

নিষ্পত্তি হওয়া আপিলের মধ্যে সাত হাজার ৩৩৯ জনের নাম তালিকার বাইরে রয়ে গেছে।

অর্থাৎ সিদ্ধান্ত হওয়া মামলার ৯১ দশমিক ১৩ শতাংশেই ভোটারের নাম পুনর্বহাল হয়েছে।

কংগ্রেস সংসদ সদস্য ইশা খান চৌধুরীর তথ্য অধিকার আবেদনের জবাবে এসব পরিসংখ্যান দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আরটিআই তথ্যটি পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

৭ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৩৮ লাখ ১০ হাজার ৬২০টি আপিল জমা পড়েছিল।

তবে এর মধ্যে মাত্র ৮২ হাজার ৭৮২টির নিষ্পত্তি হয়েছে, যা মোট আপিলের ২ দশমিক ১৭ শতাংশ।

ফলে ৩৭ লাখ ২৭ হাজার ৮৩৮টি আপিল তখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল।

ভারতের নির্বাচনসংক্রান্ত আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

আপিলের সংখ্যায় বড় অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন

আরটিআই তথ্যে আপিলের মোট সংখ্যা নিয়েও বড় পার্থক্য সামনে এসেছে। এসআইআর পর্যালোচনায় ২৭ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ ভোটারকে ‘অযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

কিন্তু আপিল জমা পড়েছে ৩৮ লাখ ১০ হাজার ৬২০টি। অর্থাৎ অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত ভোটারের তুলনায় আপিলের সংখ্যা ১০ লাখ ৮২ হাজার ১২০টি বেশি।

ইশা খান চৌধুরী এই পার্থক্যের ব্যাখ্যা নির্বাচন কমিশনের কাছে চেয়েছেন।

তার অভিযোগ, অতিরিক্ত আপিলের একটি অংশ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার উদ্দেশ্যে কমিশন বা অন্য পক্ষ থেকে করা হয়েছে।

তবে এই অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পৃথক ব্যাখ্যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

ফলে আপিলের সংখ্যা কেন অযোগ্য ভোটারের চেয়ে বেশি, সেই প্রশ্ন এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।

ইশা খান চৌধুরীর মতে, বিপুলসংখ্যক সফল আপিল প্রাথমিক বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

তার দাবি, প্রকৃত ভোটারদের অনেকে প্রথম পর্যায়ে তালিকা থেকে বাদ পড়েছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই পরিসংখ্যান এখন রাজনৈতিক বিতর্কের নতুন বিষয় হয়ে উঠেছে। পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।