শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩

ফুকেটে সাদিয়া আয়মানের প্রাণবন্ত মুহূর্ত, মিষ্টি ভুলে মুগ্ধ ভক্তরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২১ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ফুকেটে সাদিয়া আয়মানের প্রাণবন্ত মুহূর্ত, মিষ্টি ভুলে মুগ্ধ ভক্তরা

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান অভিনয়ের পাশাপাশি তার প্রাণবন্ত ব্যক্তিত্বের কারণেও দর্শকদের কাছে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন। কাজের ব্যস্ততার বাইরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিজের বিভিন্ন মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি।

সম্প্রতি থাইল্যান্ডের ফুকেট ভ্রমণের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন সাদিয়া। ছবিগুলোতে তাকে বেশ হাসিখুশি ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে দেখা গেছে। ক্যাপশনে নিজের আনন্দের অনুভূতিও তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী। তার কথায়, মুহূর্তটি এতটাই আনন্দের ছিল যে সেই খুশির ছাপ তার চোখেমুখেও স্পষ্ট ছিল।

তবে ছবিগুলোর পেছনে ছিল মজার একটি ঘটনা। ছবি তোলার আগে চকলেট খাওয়ায় ঠোঁটের আশপাশে সামান্য দাগ থেকে গিয়েছিল সাদিয়ার। বিষয়টি তখন খেয়াল করেননি তিনি। পরে ছবিগুলো দেখার পরও সেটিকে বড় কোনো বিষয় হিসেবে নেননি।

বরং নিজের সেই স্বাভাবিক চেহারাটিই তার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। মজার ছলে সাদিয়া জানিয়েছেন, ছবিগুলোতে নিজেকে এতটাই কিউট মনে হয়েছে যে সেগুলো প্রকাশ না করে থাকতে পারেননি।

জানা গেছে, ফুকেট থেকে কেপ প্যানওয়া যাওয়ার সময় গাড়িতে বসেই ছবিগুলো তোলা হয়েছিল। ভ্রমণের পথে প্রকৃতির সৌন্দর্য ও নির্ভার সময় বেশ উপভোগ করেছেন অভিনেত্রী।

সাদিয়ার এই স্বাভাবিক ও আনন্দময় মুহূর্তগুলোও ভক্তদের নজর কেড়েছে। ছবি প্রকাশের পর তার অনুসারীরা বিভিন্ন মন্তব্যে অভিনেত্রীর হাসি, সাবলীল উপস্থিতি ও স্বতঃস্ফূর্ত লুকের প্রশংসা করছেন।

গ্যাস সংকটে ৬৬০ বস্ত্রকল বিপর্যস্ত, কোথাও উৎপাদন ৩০ শতাংশে

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৮ এম
গ্যাস সংকটে ৬৬০ বস্ত্রকল বিপর্যস্ত, কোথাও উৎপাদন ৩০ শতাংশে

গ্যাস সংকটে বস্ত্রকল খাতের বড় অংশ এখনো স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে পারেনি। জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে দেশের ৬৬০টি বস্ত্রকল তীব্র সংকটে ভুগছে।

অনেক কারখানায় উৎপাদন আংশিক বন্ধ রয়েছে, কোথাও সক্ষমতার মাত্র ৩০ শতাংশ ব্যবহার হচ্ছে। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পরিস্থিতি জানিয়েছে।

সংগঠনটির হিসাবে দেশে এক হাজার ৮০০টির বেশি বস্ত্রকল রয়েছে। এর মধ্যে ৫২৭টি স্পিনিং মিল, আর ২০১৯ সাল থেকে ২৪৪টি কারখানা বন্ধ।

গ্যাস সংকটে বস্ত্রকল এর উৎপাদনে বড় ধাক্কা

গাজীপুরের ভবানীপুরে মোশাররফ কম্পোজিট টেক্সটাইলে স্বাভাবিক সময়ে দিনে ১৭০ টন সুতা উৎপাদিত হয়। তবে এক মাস ধরে উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৩০ শতাংশে নেমেছে।

পল্লী বিদ্যুৎ ও ডিজেল জেনারেটরে সীমিত উৎপাদন চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোশাররফ হোসেন জানান, সাম্প্রতিক দুই দিনে গ্যাসের চাপ ৩-৪ পিএসআই হয়েছে।

তবু উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েনি। অন্যদিকে এশিয়া কম্পোজিট মিলস ৭০-৭৫ শতাংশ সক্ষমতা ব্যবহার করতে পারছে।

শ্রীপুরের একটি কারখানায় গ্যাসের চাপ এখনো ২ পিএসআইয়ের নিচে। সেখানে উৎপাদন সক্ষমতার ৩০-৩৫ শতাংশ ব্যবহার হচ্ছে।

নরসিংদীর ভূঁইয়া টেক্সটাইল ২২ দিন বন্ধ থাকার পর সীমিতভাবে উৎপাদন শুরু করেছে। সর্বশেষ সংবাদ জানতে ক্লিক করুন

নারায়ণগঞ্জে সংকট এখনো তীব্র

ফতুল্লার এমএস ডাইং প্রিন্টিং অ্যান্ড ফিনিশিংয়ে ১৮ আগস্ট থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ। কারখানাটির দৈনিক ১১০ টন কাপড় ডাইংয়ের সক্ষমতা থাকলেও উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

এতে গার্মেন্টস বিভাগেও প্রয়োজনীয় কাপড় সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।

বিটিএমএর সহসভাপতি আবুল কালাম জানিয়েছেন, সোনারগাঁয়ের চৈতি কম্পোজিটে উৎপাদন ৪০ শতাংশে নেমেছে।

তবে হবিগঞ্জ ও চট্টগ্রামের কারখানায় গ্যাস সরবরাহ তুলনামূলক সন্তোষজনক রয়েছে।

বস্ত্র খাতের তাৎক্ষণিক পরিবর্তন আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স আপডেটেও চোখ রাখা যেতে পারে।

সংকটের শুরু ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর। সামিটের টার্মিনাল থেকেও সরবরাহ ব্যাহত হয়।

পরে দুটি টার্মিনালের কার্যক্রম ধাপে ধাপে ফিরলেও কয়েকটি শিল্পাঞ্চলে চাপ এখনো স্বাভাবিক হয়নি।

বিটিএমএ কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা যাচাই করছে। মূল্যায়ন শেষে পুনরুজ্জীবন ও প্রয়োজনীয় সহায়তার প্রস্তাব বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে।

সংগঠনটি বলছে, দীর্ঘ সংকটে আর্থিক চাপ বেড়েছে এবং বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তবে কিছু এলাকায় পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে।

মেসিদের নতুন কোচ কিলি গঞ্জালেজ, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৯ এম
মেসিদের নতুন কোচ কিলি গঞ্জালেজ, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

ইন্টার মায়ামির নতুন কোচ হিসেবে আর্জেন্টিনার ক্রিস্তিয়ান আলবার্তো ‘কিলি’ গঞ্জালেজকে নিয়োগ দিয়েছে ক্লাবটি। তবে প্রয়োজনীয় ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার পরই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেবেন।

ততদিন অন্তর্বর্তী কোচ গিয়ের্মো হোয়োসই মেসিদের ডাগআউট সামলাবেন। ৫২ বছর বয়সী কিলির জন্ম আর্জেন্টিনার রোসারিও শহরে, লিওনেল মেসিরও জন্ম একই শহরে।

খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ৫৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। ইউরোপে ভ্যালেন্সিয়া ও ইন্টার মিলানের মতো বড় ক্লাবেও খেলেছেন এই সাবেক উইঙ্গার।

কিলি গঞ্জালেজের খেলোয়াড়ি ও কোচিং অভিজ্ঞতা

ভ্যালেন্সিয়ার হয়ে ২০০২ সালে লা লিগা জেতেন কিলি। পরে ইন্টার মিলানের হয়ে ২০০৬ সালে সিরি আ শিরোপার অংশ ছিলেন।

অবসরের নয় বছর পর ২০২০ সালে রোসারিও সেন্ট্রালের মাধ্যমে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি।

এরপর আর্জেন্টিনার ইউনিয়ন সান্তা ফে ও প্লাতেন্সের দায়িত্বও সামলেছেন কিলি। ইন্টার মায়ামির আগে প্লাতেন্স ছিল তার সর্বশেষ ক্লাব।

আন্তর্জাতিক ফুটবলের আরও খবর আরও জানুন দৈনিক বাংলাভিউয়ে।

এমএলএসের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মায়ামি এখন ইস্টার্ন কনফারেন্সে দ্বিতীয় স্থানে আছে। তাদের সংগ্রহ ৩৯ পয়েন্ট, শীর্ষে থাকা ন্যাশভিলের চেয়ে ১০ পয়েন্ট কম।

বিশ্বকাপ বিরতির পর দলটির পারফরম্যান্সে বড় ধাক্কা এসেছে।

ইন্টার মায়ামির নতুন কোচের বড় চ্যালেঞ্জ

সাম্প্রতিক পাঁচ ম্যাচে মায়ামি জয়হীন, এর মধ্যে চারটিতে হেরেছে দলটি। ফলে নতুন কোচের প্রধান দায়িত্ব হবে দ্রুত জয়ের ধারায় ফেরানো।

স্কোয়াডে মেসির পাশাপাশি লুইস সুয়ারেজ, রদ্রিগো দে পল ও কাসেমিরোর মতো তারকা রয়েছেন।

গত এপ্রিলে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে হাভিয়ের মাসচেরানো প্রধান কোচের পদ ছাড়েন।

এরপর হোয়োস অন্তর্বর্তী দায়িত্ব নেন। একই সঙ্গে ক্লাবের প্রধান ফুটবল কর্মকর্তা আলবার্তো মাররেরো স্পোর্টিং ডিরেক্টরের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

হোয়োসও সাম্প্রতিক সময়ে শাস্তির মুখে পড়েছেন। নির্ধারিত সময়ে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করতে মাঠে না ফেরার নিয়ম বারবার ভাঙায় তাকে এক ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে এমএলএস। ক্লাব ও হোয়োসকে জরিমানাও করা হয়েছে।

কিলির নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় অন্তর্বর্তী সময়ে দায়িত্ব পালনের জন্য হোয়োসকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ইন্টার মায়ামি।

ইন্টার মায়ামির নতুন কোচ কে ঘিরে পরবর্তী খবর আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স আপডেটে নজর রাখা যেতে পারে।

ওয়ার্ক পারমিট হাতে পাওয়ার পর কিলি তার কোচিং স্টাফসহ দায়িত্ব নেবেন।

তখন বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে নতুন অধ্যায় শুরু হবে।

রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র: আগস্টে ৬৪ কোটি ইউনিট উৎপাদন

বাংলাভিউ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫০ এম
রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র: আগস্টে ৬৪ কোটি ইউনিট উৎপাদন

রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানি সংকটের মধ্যেও জাতীয় গ্রিডে ধারাবাহিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। বাগেরহাটের এই কেন্দ্রের স্থাপিত ক্ষমতা এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট।

আগস্টের প্রথম ২৫ দিনে কেন্দ্রটি উল্লেখযোগ্য উৎপাদন ধরে রেখেছে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত কেন্দ্রটির অ্যাভেইলিবিলিটি ছিল ১০০ শতাংশ।

এ সময়ে প্রায় ৬৪ কোটি ৩৬ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে। গড় উৎপাদন ছিল প্রায় এক হাজার ৭৩ মেগাওয়াট।

আগস্টে ধারাবাহিক উৎপাদন ধরে রেখেছে রামপাল

এর আগে জুনেও রামপাল থেকে প্রায় ৮২ কোটি ৭৩ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল। তখন গড় উৎপাদন ছিল প্রায় এক হাজার ১৪৯ মেগাওয়াট।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্থিতিশীল উৎপাদন জাতীয় গ্রিডের চাপ সামলাতে সহায়তা করছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমানাথ পূজারী জানান, বর্তমানে দুটি ইউনিটই চালু রয়েছে।

এপ্রিল থেকে গ্রিডের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। আগামী অক্টোবর পর্যন্ত প্রয়োজনীয় কয়লাও মজুত রয়েছে বলে তিনি জানান।

দেশের বিদ্যুৎ খাতের অন্যান্য প্রতিবেদন আরও জানুন দৈনিক বাংলাভিউয়ে।

উৎপাদনের ধারাবাহিকতা থাকলে বাড়তি চাহিদার সময় রামপাল গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিতে পারবে।

বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের হাতে মূল পরিচালনা

মহাব্যবস্থাপক ও প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম বলেন, কেন্দ্রটির মূল পরিচালনা এখন বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের হাতে।

ভারতীয় প্রকৌশলীরা নতুন বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। বর্তমানে তারা মূলত উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

উপব্যবস্থাপক (অপারেশন) খাঁন নোমান শিবলী বলেন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃত মান অনুসরণ করে কেন্দ্রটি পরিচালনা করা হচ্ছে।

তার দাবি, পরিবেশগত সুরক্ষা বজায় রেখেই উৎপাদন চলছে। গ্রিডের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন ধরে রাখাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

এদিকে রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র অতীতে কয়লা সংকটসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার অভিজ্ঞতা দেখেছে।

তবে দুটি ইউনিট সচল থাকায় পরিস্থিতি এখন তুলনামূলক স্থিতিশীল। কর্মকর্তারা ভবিষ্যতেও চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ অব্যাহত রাখার আশা প্রকাশ করেছেন।

রামপালসহ বিদ্যুৎ খাতের দ্রুত আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজে নজর রাখা যেতে পারে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কয়লার মজুত ও ইউনিট সচল থাকলে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সহজ হবে।

সাম্প্রতিক উৎপাদন পরিসংখ্যান জ্বালানি সংকটের মধ্যেও কেন্দ্রটির সক্ষমতার চিত্র তুলে ধরছে।

তবে প্রকৃত সরবরাহ প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডের চাহিদার ওপর নির্ভর করছে। তাই স্থাপিত ক্ষমতা ও বাস্তব উৎপাদনের পার্থক্য বিবেচনায় রেখেই সক্ষমতা মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।