রাজধানীর বাজারদর এখনো ক্রেতাদের চাপে রেখেছে; মাছ, মাংস, ডিম ও চিনির দাম চড়া। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিভিন্ন বাজারে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলো হিমশিম খাচ্ছে।
তবে সবজি ও কাঁচামরিচের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বেশিরভাগ সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
রাজধানীর বাজারদর: সবজিতে স্বস্তি
ব্যবসায়ী ফিরোজ মাহমুদ জানান, ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির সুযোগে সরবরাহ বেড়েছে এবং খুচরা বাজারে দাম নেমে এখন ১২০ থেকে ১৬০ টাকায় এসেছে।
পাইকারিতে কাঁচামরিচ ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি। পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের বাজারে স্বস্তি নেই; প্রতি ডজন ১৫০ টাকা এবং চারটি ডিম ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা।
মাছ-মাংস ও চিনির চড়া দাম
ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ২০০ এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা কেজি।
আবদুল্লাহপুর আড়তে বড় রুই ৩৩০ থেকে ৩৮০, কাতল ৩৬০ থেকে ৪০০ এবং ইলিশ ৯০০ থেকে ২০০০ টাকা কেজি দরে দেখা গেছে।
চিনির দাম ১০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় পৌঁছেছে।
প্যাকেটজাত আটা ৬৫ টাকা, খোলা ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ এবং প্যাকেটজাত ময়দা ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজি।
ভোজ্যতেল ও বাজার মনিটরিং
খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, কোম্পানিগুলো সরবরাহ কমিয়েছে; বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০০ টাকা লিটার হলেও অনেক দোকানে চাহিদামতো তেল এখন পাওয়া যাচ্ছে না।
খোলা সয়াবিন তেল ১৮৫ থেকে ১৯০ এবং পাম তেল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা লিটার।
আরও বাজার প্রতিবেদন দৈনিক বাংলাভিউতে।
রাজধানীর বাজারদর নিয়ে বিশ্লেষকদের মতে, নিয়মিত মনিটরিংয়ের অভাবে একই পণ্য ভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানও যথেষ্ট নয়।
খিলক্ষেতের জেসমিন আরা বলেন, সংসার চালানো কঠিন হয়েছে। বসুন্ধরার নাঈমও বাজারে নিজেকে অসহায় মনে করেন।
রামপুরার ব্যাংক কর্মকর্তা রাজীবের অভিযোগ, চিনি, ডিম ও সবজির দাম বাড়ায় মাসের বাজার কঠিন হয়েছে; আরও আপডেট দৈনিক বাংলাভিউ-এর এক্স পাতায় পাওয়া যাবে।
খেটে খাওয়া মানুষ চাল ও আটা কিনতে পারলেও মাছ, মাংস এবং কাঁচা শাকসবজি কেনা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে।