ইরানের নতুন অস্ত্র নিয়ে আবারও সতর্কবার্তা দিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি। ভবিষ্যতে কোনো সংঘাত শুরু হলে আরও বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহারের কথা জানিয়েছে তেহরান।
আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সরদার মোহেব্বি জানিয়েছেন, ইরান অস্ত্র উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, নতুন সংঘাত হলে আগের চেয়ে ভিন্ন সক্ষমতার অস্ত্র ব্যবহার করবে দেশটি।
ইরানের নতুন অস্ত্র প্রযুক্তি নিয়ে আইআরজিসির দাবি
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মোহেব্বি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সামরিক প্রযুক্তির উন্নয়নে ইরান নিয়মিত কাজ করছে।
মোহেব্বির দাবি, আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্রের ওয়ারহেডের ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা আগের তুলনায় বেড়েছে। তিনি বলেন, নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে অস্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ানো হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বৃদ্ধি এবং লক্ষ্যভেদে নির্ভুলতা বাড়ানোর প্রযুক্তি উন্নত করা হয়েছে। ভবিষ্যৎ সংঘাতে এসব সক্ষমতা ব্যবহারের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক খবরের আরও প্রতিবেদন পড়তে দৈনিক বাংলাভিউ আন্তর্জাতিক বিভাগ দেখুন।
ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বাড়ানোর দাবি
আইআরজিসির মুখপাত্র জানান, পরবর্তী প্রজন্মের ওয়ারহেড ব্যবহারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসব পরিবর্তনের মাধ্যমে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের লক্ষ্য হলো প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে আরও উন্নতি করা। দেশটি সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুত করছে।
ইরানের অস্ত্র উৎপাদন কার্যক্রম চলমান
মোহেব্বি জানিয়েছেন, ইরানের অস্ত্র উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। দেশটি ক্ষেপণাস্ত্র ও সামরিক প্রযুক্তির উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে ইরানের এই বক্তব্য নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। দেশটির সামরিক কর্মসূচি নিয়ে আগেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে।
তবে ইরানের এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, আঞ্চলিক পরিস্থিতির ওপর এই বক্তব্যের প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
বিশ্ব রাজনীতির আপডেট পেতে দৈনিক বাংলাভিউ-এর এক্স আপডেট অনুসরণ করুন।
আইআরজিসি জানিয়েছে, ভবিষ্যৎ সংঘাতে ইরান আরও কার্যকর অস্ত্র ব্যবহার করতে প্রস্তুত। মোহেব্বি ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ও নির্ভুলতা বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
ইরানের এই বক্তব্য সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলবে। তারা সামরিক প্রস্তুতি শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন। ইরানের বক্তব্য নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা আরও বাড়তে পারে বলে মহল মনে করছে।