বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩

এটাই হয়তো শেষ বছর’—অবসরের স্পষ্ট ইঙ্গিত রোনালদোর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৫ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
এটাই হয়তো শেষ বছর’—অবসরের স্পষ্ট ইঙ্গিত রোনালদোর

চলতি মৌসুম শেষেই পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানাতে পারেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল সাময়িকী ‘ভোগ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৪১ বছর বয়সী পর্তুগিজ মহাতারকা সরাসরিই বলেছেন, ‘সম্ভবত ফুটবলার হিসেবে এটাই আমার শেষ বছর।’

সৌদি ক্লাব আল নাসরের সঙ্গে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত চুক্তি থাকলেও বেশ কিছুদিন ধরে রোনালদোর অবসর নিয়ে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। তবে ঠিক কবে বুটজোড়া তুলে রাখবেন, তা নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানাননি এত দিন। রোববার প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে সিআর সেভেন বলেন, ‘সম্ভবত ফুটবলে এটাই আমার শেষ বছর হতে চলেছে। আমি ফুটবলে অনন্যসাধারণ ছাপ রেখে বিদায় নিতে চাই।’

গত বছরের নভেম্বরে রোনালদো জানিয়েছিলেন, তিনি আরও ‘এক বা দুই বছর’ খেলা চালিয়ে যেতে চান এবং ২০২৬ বিশ্বকাপই হবে তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। গত মাসে স্পেনের কাছে হেরে পর্তুগাল বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর অবসর নিয়ে কিছু বলেননি। তবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এই ফরোয়ার্ড এবার জানিয়েছেন, ফুটবল-পরবর্তী জীবনের পরিকল্পনা এরই মধ্যে করে ফেলেছেন। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে পরিবারকে আরও সময় দেওয়া।

অবসর-পরবর্তী জীবন নিয়ে রোনালদো বলেন, ‘আমার ভবিষ্যতের পুরো রূপরেখা তৈরি করা আছে। ফুটবল ছেড়ে দিলে জীবনে বড় একটি শূন্যতা তৈরি হবে, তাই নিজেকে নানা কাজে যুক্ত রাখতে হবে। আরও বেশি ঘুরতে চাই, নিজের পছন্দের প্যাডেল খেলা দেখতে ও খেলতে চাই। সবচেয়ে বড় কথা, ২৫ বছরের দীর্ঘ আত্মত্যাগের পর আমরা যা অর্জন করেছি, তা উপভোগ করতে চাই।’

পর্তুগালের কাসকাইসে দীর্ঘদিনের সঙ্গী জর্জিনা রদ্রিগেজের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পাঁচ দিন আগে সাক্ষাৎকারটি দেন রোনালদো। পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী রোনালদোর ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল স্পোর্তিং লিসবনে। এরপর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাস হয়ে ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে খেলছেন আল নাসরে। রিয়াল মাদ্রিদে কাটানো ৯ বছর ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের সেরা সময়, যেখানে ৪৩৮ ম্যাচে ক্লাব রেকর্ড ৪৫০টি গোল করেন তিনি। ২০২৬ বিশ্বকাপে ৩টি গোল করেছিলেন রোনালদো, যেখানে পর্তুগাল উঠেছিল শেষ ষোলোতে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মর্যাদাপূর্ণ ফেরাতে বৈশ্বিক উদ্যোগ চান ঢাবি উপাচার্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মর্যাদাপূর্ণ ফেরাতে বৈশ্বিক উদ্যোগ চান ঢাবি উপাচার্য

সংকটে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন একমাত্র টেকসই সমাধান বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

তিনি বলেন, প্রত্যাবাসন হতে হবে স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ ও সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ যৌথভাবে আয়োজনটি করে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আন্তর্জাতিক উদ্যোগের তাগিদ

উপাচার্য বলেন, দীর্ঘদিন বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বহুমাত্রিক চাপের মুখে রয়েছে। ফলে দেশের অর্থনীতি, সমাজ এবং পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব বাড়ছে।

তার মতে, শুধু মানবিক সহায়তা দিয়ে এই সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব নয়।

তাই বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ চিহ্নিত করে কার্যকর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি জাতিসংঘ ও আসিয়ানের মতো বহুপাক্ষিক ফোরামকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে মিয়ানমারে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।

রোহিঙ্গা সংকটের আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

এছাড়া সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

নিরাপত্তা ও কূটনীতিতেও বাড়ছে চাপ

সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সংকটটি এখন জাতীয় নিরাপত্তা, কূটনীতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সঙ্গেও যুক্ত।

তার ভাষ্য, বাংলাদেশ নয় বছর ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে উদারতার পরিচয় দিয়েছে।

তবে এই দায়িত্ব অনির্দিষ্টকাল বহন করা সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এই সংকট সৃষ্টি করেনি এবং একা এর সমাধানও করতে পারবে না।

তাই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক চাপ ও সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগ জরুরি। সেমিনারের প্রথম প্যানেলে মানবিকতা ও জাতীয় নিরাপত্তার ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা হয়।

সেখানে দেশি-বিদেশি গবেষক, নিরাপত্তা বিশ্লেষক এবং রোহিঙ্গা প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

দ্বিতীয় প্যানেলে প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গকে আবার আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

আলোচনায় কূটনীতিক, সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং মিয়ানমারবিষয়ক বিশ্লেষকেরাও যুক্ত হন। অন্যদিকে উপাচার্য আবারও বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ছাড়া স্থায়ী সমাধান নেই.

সর্বশেষ আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন.

ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে ক্ষোভ প্রকাশ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২১ পিএম
ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে ক্ষোভ প্রকাশ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নে সরাসরি উত্তর দেননি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। সোমবার ২৪ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্ন করেন তিনি।

সাংবাদিকরা জানতে চান, দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না। সাংবাদিকরা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেবেন কি না, সেটিও জানতে চান।

তবে হুমায়ুন কবির নিজেকে বাংলাদেশি পরিচয় দিয়ে তার অবস্থান নিয়ে প্রশ্নের সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন।

এছাড়া তিনি বলেন, সুবিধাবাদী কেউ বাংলাদেশের জন্য কাজ করে না।

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক খবরের আরও আপডেট জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে কেন প্রশ্ন

গত শুক্রবার মন্ত্রিসভার নতুন পাঁচ সদস্যের একজন হিসেবে শপথ নেন হুমায়ুন কবির। তিনি টেকনোক্র্যাট কোটায় প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন এবং আগে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।

শৈশব থেকেই যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা হুমায়ুন কবির দেশটির লেবার পার্টির রাজনীতিতেও যুক্ত ছিলেন।

প্রতিবেদনটি যুক্তরাজ্য বিএনপির একাধিক নেতার বরাতে তার ব্রিটিশ নাগরিকত্বের তথ্য দিয়েছে।

তবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি সেই নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না, তা নিশ্চিত হয়নি।

প্রতিবেদনটি জানায়, সরকারি সূত্রগুলোর কাছেও নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদনসংক্রান্ত চিঠি বা তথ্য নেই। সংবিধানের ৫৬(২) অনুযায়ী, সর্বোচ্চ এক-দশমাংশ মন্ত্রী সংসদ সদস্য না হয়েও নিয়োগ পেতে পারেন।

ফলে তাদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হয়। ৬৬(২)(গ) অনুযায়ী, বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করলে সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্যতা তৈরি হয়।

অন্যদিকে ৬৬(২ক)-এ বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সেই অযোগ্যতা না থাকার বিধান রয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নে পাল্টা প্রতিক্রিয়া

এই সাংবিধানিক প্রেক্ষাপটেই সাংবাদিকরা তার দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে ব্যাখ্যা জানতে চান।

এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ভাইরাল হওয়ার কথাও একজন সাংবাদিক উল্লেখ করেন।

জবাবে হুমায়ুন কবির জানতে চান, কে এই খবর করেছে এবং “কার এত জ্বালা”।

এরপর তিনি ২০০৮ এবং মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের সময়ের প্রসঙ্গ টেনে কয়েকটি পাল্টা প্রশ্ন করেন।

তিনি বলেন, দেশপ্রেমিক এবং দেশের পক্ষে অবস্থান নেওয়া মানুষদের নিয়েই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

তবে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর তিনি দেননি।

হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা তাই সংবাদ সম্মেলনের পরও থামেনি।

বিষয়টির পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশ দিল বার্তা, বিশ্বমঞ্চে এখন বাড়ছে সম্মান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫১ এম
অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশ দিল বার্তা, বিশ্বমঞ্চে এখন বাড়ছে সম্মান

অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে নিজেদের সামর্থ্যের শক্ত বার্তা দিয়েছে বলে মনে করেন হাবিবুল বাশার। ম্যাকাইতে শেষ টেস্টে হারলেও ডারউইনের ঐতিহাসিক জয় সিরিজ ড্রয়ের গৌরব এনে দিয়েছে।

প্রধান নির্বাচক বলেন, বাংলাদেশ এখনই সেরা টেস্ট দল হয়ে ওঠেনি। তবে নিয়মিত জয় এবং সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান দলের স্পষ্ট উন্নতির প্রমাণ দিচ্ছে।

এছাড়া বাশার পাকিস্তানসহ আগের টেস্টগুলোর সাফল্যও এই অগ্রগতির অংশ হিসেবে দেখছেন। ক্রিকেটের আরও খবর জানতে ভিজিট করুন।

অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশ পেল বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃতি

সিরিজ শেষে বাংলাদেশ আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের ছয় নম্বরে উঠে এসেছে। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ট্রফি ভাগাভাগিও দলের জন্য বড় অর্জন হয়েছে।

তবে বাশারের কাছে র‍্যাঙ্কিংয়ের চেয়ে বিশ্বজুড়ে পাওয়া সম্মান বেশি তৃপ্তির। তার মতে, এই সফর বাংলাদেশকে নতুনভাবে মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি করেছে।

ডারউইনসহ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষ বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররাও এখন বাংলাদেশকে আগের চেয়ে বেশি সমীহ করছেন।

বাশার বলেন, প্রতিপক্ষরা এখন জানে বাংলাদেশ যেকোনো দলকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে।

তাই এই স্বীকৃতিকে তিনি সফরের অন্যতম বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখছেন।

সামনের পাঁচ টেস্টে ধারাবাহিকতার পরীক্ষা

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান অবস্থান নিয়েও আশাবাদী প্রধান নির্বাচক। তবে সামনে থাকা পাঁচটি টেস্ট বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।

বাশারের মতে, সাম্প্রতিক দুই বছরের ফল আগের সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখাচ্ছে। ফলে ধারাবাহিকতা ধরে রাখাই এখন দলের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

২০০৩ সালে খেলোয়াড় হিসেবে অস্ট্রেলিয়া সফর করেছিলেন হাবিবুল বাশার।

এবার প্রধান নির্বাচক হিসেবে একই দেশে গিয়ে ভিন্ন অভিজ্ঞতা পেয়েছেন তিনি।

ক্রিকেট কিংবদন্তি এবং সাধারণ মানুষের মূল্যায়ন তাকে বিশেষভাবে আনন্দ দিয়েছে।

তিনি এই স্বীকৃতিকে নিজের জীবনের অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ম্যাকাইয়ের হতাশা তাই ডারউইনের ঐতিহাসিক সাফল্যকে আড়াল করতে পারেনি। বরং সিরিজ ড্র বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের সাম্প্রতিক অগ্রগতিকে আরও দৃশ্যমান করেছে।

বাশার মনে করেন, এই সম্মান ভবিষ্যতের টেস্টগুলোর জন্য বাংলাদেশকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেবে।

তবে উন্নতির পথ এখনো দীর্ঘ বলেও তিনি মনে করেন।

অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশ যে সম্মান পেয়েছে, সেটি ধরে রাখাই এখন বড় লক্ষ্য।

সর্বশেষ ক্রিকেট আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।