শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

চাঁদা দাবির মামলায় জামায়াত এমপির পিএসহ ছয়জন আসামি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৯ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
চাঁদা দাবির মামলায় জামায়াত এমপির পিএসহ ছয়জন আসামি

চাঁদা দাবির মামলায় চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী মো. আরমান উদ্দিনসহ ছয়জনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।

প্রবাসী আমির হোসেন বাদী হয়ে রোববার চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন।

বাদীর আইনজীবী কবির জিলান জানান, আদালত আমির হোসেনের জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন।

এরপর অভিযোগ তদন্তের জন্য সাতকানিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় অপরাধসংক্রান্ত আরও প্রতিবেদন আরও জানুন

চাঁদা দাবির মামলায় অভিযোগে যা বলা হয়েছে

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আমির হোসেন দীর্ঘদিন বিদেশে বসবাস করেছেন। লোহাগাড়ার আজিজ কমপ্লেক্স এলাকায় তার একটি চারতলা ভবন রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, আরমান উদ্দিনের নেতৃত্বে আরিফ উদ্দিন ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছিলেন।

আরও অভিযোগ করা হয়েছে, গত ৩ এপ্রিল রাতে একটি দোকানের তালা ভেঙে প্রবেশ করেন অভিযুক্তরা।

সেখান থেকে বিভিন্ন স্টিলের আলমারি, ওয়াল শোকেস এবং অন্যান্য মালামাল নেওয়া হয়।

এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য ১১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ টাকা বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, ক্যাশ টেবিল থেকে নগদ এক লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়া হয়।

পরে দোকানে নতুন তালা লাগানো এবং অন্য ভাড়াটিয়াদের ভয় দেখানোর অভিযোগও করা হয়েছে। বাদীকে মারধর করে আহত করার অভিযোগও মামলার আবেদনে রয়েছে।

আদালতের নির্দেশ ও অভিযুক্তের বক্তব্য

বাদীর দাবি, ২০ আগস্ট আবারও ২০ লাখ টাকা দেওয়ার জন্য তাকে চাপ দেওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, টাকা না দিলে দোকান ও বাড়ির দখল ছাড়বে না বলে জানানো হয়।

এ সময় আরমান উদ্দিন ফোনে চাপ দিয়েছেন বলেও বাদী অভিযোগ করেছেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন আরিফ উদ্দিন, শওকত আলী, মো. আদিল, মো. আনোয়ার ও জয়নাল আবেদিন।

তবে অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

আরমান উদ্দিন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তিনি বাদীকে চেনেন না এবং তাকে হেয় করতে পরিকল্পিত অভিযোগ আনা হয়েছে।

চাঁদা দাবির মামলা নিয়ে পরবর্তী আপডেট জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানতে এক্স পেজ অনুসরণ করা যেতে পারে।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা আপিলে ৯১ শতাংশ নাম ফিরল

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৪ এম
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা আপিলে ৯১ শতাংশ নাম ফিরল

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের আপিল নিষ্পত্তিতে ৯১ শতাংশের বেশি নাম আবার তালিকায় ফিরেছে। বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার পর এই তথ্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

নির্বাচন কমিশনের আরটিআই তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৮২ হাজার ৭৮২টি আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫ হাজার ৪৪৩ জনের নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা আপিলে ৯১ শতাংশ নাম ফিরল

নিষ্পত্তি হওয়া আপিলের মধ্যে সাত হাজার ৩৩৯ জনের নাম তালিকার বাইরে রয়ে গেছে।

অর্থাৎ সিদ্ধান্ত হওয়া মামলার ৯১ দশমিক ১৩ শতাংশেই ভোটারের নাম পুনর্বহাল হয়েছে।

কংগ্রেস সংসদ সদস্য ইশা খান চৌধুরীর তথ্য অধিকার আবেদনের জবাবে এসব পরিসংখ্যান দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আরটিআই তথ্যটি পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

৭ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৩৮ লাখ ১০ হাজার ৬২০টি আপিল জমা পড়েছিল।

তবে এর মধ্যে মাত্র ৮২ হাজার ৭৮২টির নিষ্পত্তি হয়েছে, যা মোট আপিলের ২ দশমিক ১৭ শতাংশ।

ফলে ৩৭ লাখ ২৭ হাজার ৮৩৮টি আপিল তখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল।

ভারতের নির্বাচনসংক্রান্ত আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

আপিলের সংখ্যায় বড় অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন

আরটিআই তথ্যে আপিলের মোট সংখ্যা নিয়েও বড় পার্থক্য সামনে এসেছে। এসআইআর পর্যালোচনায় ২৭ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ ভোটারকে ‘অযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

কিন্তু আপিল জমা পড়েছে ৩৮ লাখ ১০ হাজার ৬২০টি। অর্থাৎ অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত ভোটারের তুলনায় আপিলের সংখ্যা ১০ লাখ ৮২ হাজার ১২০টি বেশি।

ইশা খান চৌধুরী এই পার্থক্যের ব্যাখ্যা নির্বাচন কমিশনের কাছে চেয়েছেন।

তার অভিযোগ, অতিরিক্ত আপিলের একটি অংশ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার উদ্দেশ্যে কমিশন বা অন্য পক্ষ থেকে করা হয়েছে।

তবে এই অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পৃথক ব্যাখ্যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

ফলে আপিলের সংখ্যা কেন অযোগ্য ভোটারের চেয়ে বেশি, সেই প্রশ্ন এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।

ইশা খান চৌধুরীর মতে, বিপুলসংখ্যক সফল আপিল প্রাথমিক বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

তার দাবি, প্রকৃত ভোটারদের অনেকে প্রথম পর্যায়ে তালিকা থেকে বাদ পড়েছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই পরিসংখ্যান এখন রাজনৈতিক বিতর্কের নতুন বিষয় হয়ে উঠেছে। পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

নাগরিক নিরাপত্তায় দৃশ্যমান পদক্ষেপ জরুরি, বাড়ছে উদ্বেগ

বাংলাভিউ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৫ এম
নাগরিক নিরাপত্তায় দৃশ্যমান পদক্ষেপ জরুরি, বাড়ছে উদ্বেগ

নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে সামনে ছিল। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি।

সরকার গঠনের শুরুতেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

তবে গত ছয় মাসের বিভিন্ন উদ্যোগের পরও জনমনে নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম সাত মাসের তুলনায় চলতি বছর খুন বেড়েছে।

নাগরিক নিরাপত্তা বাড়ছে উদ্বেগ

রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনা নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

পুলিশের প্রাথমিক ভাষ্য নিয়েও নিহতদের স্বজন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে ২৫ জুন লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। অনুসন্ধানে ছয় মাসে একই পরিবারের একাধিক সদস্য হত্যার ১৮টি ঘটনা পাওয়া গেছে।

এসব ঘটনায় মোট ৪৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৪টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ভুক্তভোগীদের নিজেদের ঘর বা বাড়িতে।

ফলে মানুষের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

মাদক নিয়ন্ত্রণ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তে গুরুত্ব

খুনের বিভিন্ন ঘটনায় মাদক, জমি বা সম্পত্তি বিরোধ এবং পারিবারিক কলহের বিষয় সামনে এসেছে।

রংপুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজন মাদকাসক্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ। লক্ষ্মীপুরের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রেও একই তথ্য এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইয়াবাসহ সিনথেটিক মাদকের বিস্তার অপরাধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।

মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে উৎসমুখে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ এবং শক্তিশালী নজরদারি প্রয়োজন।

রংপুরের চার হত্যার বিশ্বাসযোগ্য তদন্তও পুলিশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

যৌক্তিক সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জোরালো হয়েছে।

এদিকে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধের হারও ঊর্ধ্বমুখী বলে সংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে। তাই শুধু অগ্রাধিকারের ঘোষণা নয়, দৃশ্যমান ও সমন্বিত পদক্ষেপ এখন জরুরি।

নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘরে-বাইরে মানুষের নিরাপত্তাবোধ ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। মাদক নিয়ন্ত্রণ, পেশাদার তদন্ত এবং অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা ছাড়া সেই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

চার বছরে ১৪৭ প্রাণহানি

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৪ এম
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা গত চার বছরে উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। মাওয়া টোল প্লাজা থেকে ধলেশ্বরী টোল প্লাজা পর্যন্ত ৫৪৮টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ১৪৭ জন নিহত এবং ৮৭৪ জন আহত হয়েছেন।

পরিসংখ্যানটি ২৫ জুন ২০২২ থেকে ২৭ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের। বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম তথ্যগুলো নিশ্চিত করেন।

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা:চার বছরের চিত্র

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের চাপ দ্রুত বেড়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে ছোট-বড় দুর্ঘটনার সংখ্যাও বাড়তে দেখা গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে, নির্ধারিত অংশে চার বছরে ৫৪৮টি দুর্ঘটনায় শতাধিক মানুষের প্রাণ গেছে।

এছাড়া আহত ৮৭৪ জনের অনেককেই ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেলেই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধারকাজে যান। তারা ঝুঁকি নিয়ে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান।

অন্যদিকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সড়ক ও জননিরাপত্তার আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এড়াতে চালকদের আহ্বান

এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনার উদাহরণ হিসেবে ২০২৫ সালের ২৯ এপ্রিলের একটি ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সেদিন শ্রীনগরে রাস্তা পার হওয়ার সময় বাসের ধাক্কায় এক ব্যক্তি নিহত হন।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, যানবাহনের চাপ বাড়ার সঙ্গে দুর্ঘটনার সংখ্যাও বাড়ছে।

তাই চালকদের ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং থেকে বিরত থাকতে বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে পথচারী ও সাধারণ মানুষকেও সড়ক ব্যবহারে আরও সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিয়ম মেনে চললে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব বলে মনে করছে সংস্থাটি।

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনার এই পরিসংখ্যান সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

চার বছরে ১৪৭ প্রাণহানি দ্রুত ও কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তাও সামনে এনেছে।

তবে দুর্ঘটনা কমাতে শুধু চালকদের সতর্কতাই যথেষ্ট নয়। নিয়মিত নজরদারি, সচেতনতা এবং সড়ক ব্যবহারে দায়িত্বশীল আচরণও গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ফায়ার সার্ভিসও নিয়মিত সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা নিয়ে পরবর্তী তথ্য আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।