শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩

নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০৮ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

দেশে নিউরো রোগীদের চিকিৎসাসেবার পরিধি আরও বাড়ছে। রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন একটি ভবন চালু হচ্ছে। আগামীকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন ভবনটির উদ্বোধন করবেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন ভবনের নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। অধিকাংশ চিকিৎসা সরঞ্জাম স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে। ভবনটি চালু হলে হাসপাতালটির মোট শয্যা সংখ্যা বেড়ে এক হাজারে দাঁড়াবে।

১৫ তলা বিশিষ্ট নতুন ভবনটির নিচের তিনটি তলা বেজমেন্ট হিসেবে রাখা হয়েছে। সেখানে পার্কিং ও সার্ভিস সেকশনের ব্যবস্থা রয়েছে। ওপরের ১২ তলায় রয়েছে ওয়ার্ড, অপারেশন থিয়েটার ও ডায়াগনস্টিক ইউনিট। ভবনটিতে ৪০টি আইসিইউ বেড, ২৪টি পোস্ট-অপারেটিভ বেড ও ১১২টি কেবিন রয়েছে।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, এখানে সবচেয়ে বেশি চিকিৎসা নিতে আসেন স্ট্রোকের রোগীরা। এরপর দুর্ঘটনায় মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডে আঘাতপ্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা বেশি। পাশাপাশি পার্কিনসন্স, ডিমেনশিয়া, জিবিএস, মৃগী, হাইড্রোকেফালাসসহ বিভিন্ন নিউরোলজিক্যাল রোগের চিকিৎসাও দেওয়া হয়।

নতুন ভবনে রয়েছে ১০০ শয্যার বিশেষায়িত ট্রমা ইউনিট। সেখানে ২৪ ঘণ্টা অস্ত্রোপচারের সুবিধা থাকবে। চারটি অপারেশন থিয়েটারের মধ্যে দুটি মডুলার ওটি রয়েছে। এছাড়া ভবনটি সেন্ট্রাল এসি ব্যবস্থার আওতায় রাখা হয়েছে।

রোগী স্থানান্তরের সুবিধার জন্য এক থেকে তিনতলা পর্যন্ত চলন্ত সিঁড়ির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। রয়েছে ৪০ শয্যার আইসিইউ, ২০ শয্যার এইচডিইউ এবং ৬২টি ভেন্টিলেটর। পাশাপাশি একটি ক্যাথল্যাব, দুটি এমআরআই ও দুটি সিটি স্ক্যান মেশিন স্থাপন করা হয়েছে।

এ ছাড়া চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করার জন্য আধুনিক অটোক্লেভ মেশিন, চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সলিড ওয়েস্ট ডিসপোজাল সিস্টেম এবং পৃথক অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান খান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার নতুন ভবনটির উদ্বোধন করবেন। ভবনটি চালু হলে হাসপাতালে আরও ৫০০ শয্যা যুক্ত হবে।

নেপালের বন্যায় ভেসে উত্তর প্রদেশে সাত মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৬ পিএম
নেপালের বন্যায় ভেসে উত্তর প্রদেশে সাত মরদেহ উদ্ধার

নেপালের বন্যায় ভেসে আসা সাতটি মরদেহ ভারতের উত্তর প্রদেশে উদ্ধার করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। মহারাজগঞ্জ ও কুশীনগর জেলার নদী থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন নারী ও দুজন পুরুষ রয়েছেন।

এখনো কারও পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। কর্মকর্তাদের ধারণা, নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার স্রোতে মরদেহগুলো সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে এসেছে।

উত্তর প্রদেশের এই অংশটি নেপালের বন্যায় কবলিত চিতওয়ান অঞ্চলের ভাটিতে অবস্থিত। গণ্ডক নদীতে এখনো প্রবল স্রোত থাকায় প্রশাসন নজরদারি বাড়িয়েছে।

মহারাজগঞ্জে উদ্ধার চার অজ্ঞাত মরদেহ

মহারাজগঞ্জের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট গৌরব সিং সোগারওয়াল জানান, বৃহস্পতিবার জেলায় চারটি অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিচলাউল তহসিলের উপবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্ধার্থ গুপ্ত বলেন, গণ্ডক নদী থেকে তিন নারী ও এক পুরুষের মরদেহ পাওয়া গেছে।

তার ভাষ্য, মরদেহগুলো নেপাল থেকে ভেসে আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। পরিচয় শনাক্তের জন্য ভারতীয় প্রশাসন নেপালের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।

একই সঙ্গে নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে উদ্ধার ও নিরাপত্তা দল।  বিস্তারিত আরও জানুন দৈনিক বাংলাভিউয়ের আন্তর্জাতিক সংবাদে।

নেপালের বন্যায় কুশীনগরে আরও তিন মরদেহ

মহারাজগঞ্জ থেকে ভাটির দিকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরের কুশীনগরে আরও তিনটি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিদ্ধার্থ ভার্মা জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে দুজন নারী ও একজন পুরুষ।

মরদেহগুলো ফ্রিজারে সংরক্ষণ করে পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। ভারী বৃষ্টির পর গণ্ডক নদীতে তীব্র স্রোত অব্যাহত রয়েছে।

ফলে আগামী কয়েক দিনে আরও মরদেহ বা ধ্বংসাবশেষ ভেসে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয় প্রশাসন।

মহারাজগঞ্জ ও কুশীনগরের নদীতীরবর্তী বাসিন্দাদেরও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

এদিকে নেপাল-তিব্বত সীমান্তের দুর্যোগে প্রাণহানির সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। শনিবারের সর্বশেষ আন্তর্জাতিক হিসাবে নেপাল ও তিব্বতে অন্তত ৬৩৩ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে।

প্রায় তিন হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

ভারতে উদ্ধার হওয়া সাতটি মরদেহ ওই সরকারি মৃত্যুর হিসাবের বাইরে রয়েছে।

তাদের পরিচয় নিশ্চিত হলে সংশ্লিষ্ট দেশের প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগোবে।

নেপালের বন্যা নিয়ে নতুন উদ্ধার তথ্য ও সীমান্ত পরিস্থিতি আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পাতায়ও হালনাগাদ দেখা যাবে।

উদ্ধারকারী দলগুলো নদীর প্রবাহ ও সম্ভাব্য নতুন ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রেখেছে।

লা গ্রঁদ-মোত: স্থাপত্যেই যে শহরের অনন্য পরিচয়

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪০ এম
লা গ্রঁদ-মোত: স্থাপত্যেই যে শহরের অনন্য পরিচয়

লা গ্রঁদ-মোত ফ্রান্সের দক্ষিণ উপকূলের এমন এক সমুদ্রতীরবর্তী শহর, যার পরিচয়ের কেন্দ্রে রয়েছে স্থাপত্য। স্থপতি জ্যাঁ বালাদুরের পরিকল্পনায় গড়ে ওঠে শহরটি।

পিরামিডসদৃশ ভবন, বাঁকানো অবয়ব ও জ্যামিতিক নকশা আলাদা করে নজর কাড়ে। ১৯৬০-এর দশকে লাঙ্গেদক উপকূল উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন এই পর্যটনশহরের নির্মাণ শুরু হয়।

ফরাসি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বালাদুর প্রায় তিন দশক ধরে শহরটির নগর পরিকল্পনা ও স্থাপত্যে কাজ করেন।

লা গ্রঁদ-মোতের পিরামিড স্থাপত্য

শহরটির সবচেয়ে পরিচিত স্থাপনাগুলোর একটি ‘লা গ্রঁদ পিরামিদ’। এর এক পাশ সরল ঢালু, অন্য পাশ বাঁকানো।

নকশাটিতে কাছের পিক সাঁ-লু পাহাড়ের উল্টো অবয়বের অনুপ্রেরণা রয়েছে বলে স্থানীয় পর্যটন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

এখানকার অনেক আবাসিক ভবনের বারান্দা ধাপে ধাপে বাইরে বেরিয়ে এসেছে। ফলে দূর থেকে সেগুলো থিয়েটারের বক্স কিংবা বিশাল জ্যামিতিক ভাস্কর্যের মতো দেখায়।

শহরের পথ, উন্মুক্ত স্থান ও সবুজায়নও একই পরিকল্পনার অংশ। পথচারী ও সাইকেল আরোহীদের চলাচল সহজ করতে সড়কের পাশাপাশি আলাদা সংযোগপথও রাখা হয়েছিল।

এতে পর্যটনকেন্দ্র হলেও শহরটি কেবল কংক্রিটনির্ভর হয়ে ওঠেনি।

—ফ্রান্সের স্থাপত্য ও ভ্রমণের নানা গল্প জানতে ক্লিক করুন।

২০১০ সালে শহরটি ফ্রান্সের বিংশ শতাব্দীর স্থাপত্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায়।

পুয়াঁ জেরো থেকে শুরু শহরের গল্প

পুয়াঁ জেরো শহরটির ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৬৭ সালে নির্মিত এই স্থাপনাকে কেন্দ্র করেই নতুন শহরের পরিকল্পনা বিস্তার পায়।

কাছের পুয়াঁ জেরো সৈকত এখন পরিবার, পর্যটক ও সাইকেল আরোহীদের জনপ্রিয় গন্তব্য।

সৈকতটি শহরের জন্মপর্বের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত এবং বিস্তৃত সবুজ এলাকার পাশে অবস্থিত।

এখানকার ৫০ মিটার উঁচু ফেরিস হুইলও পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এতে ৯০ বর্গমিটার সৌর প্যানেল রয়েছে।

ফলে প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের একটি অংশ সেখানেই উৎপাদিত হয়। শক্তি পুনরুদ্ধারকারী বৈদ্যুতিক মোটরও এর ব্যবস্থায় যুক্ত রয়েছে।

ভ্রমণের আরও তথ্য জানতে এক্স পাতায় চোখ রাখুন।

লা গ্রঁদ-মোত স্থাপত্য ফ্যাশনজগতেও প্রভাব ফেলেছে। ফরাসি ডিজাইনার সিমন পোর্ত জাকেমুস তার ২০১৪ সালের বসন্ত-গ্রীষ্ম সংগ্রহের নাম দেন ‘লা গ্রঁদ-মোত’।

একই বছর শহরটি ঘিরে তিনি একটি ফটোগ্রাফি বইও প্রকাশ করেন। স্থাপত্য, সমুদ্র ও পরিকল্পিত সবুজের এই সমন্বয় শহরটিকে সাধারণ সৈকতনগরীর বাইরে আলাদা পরিচয় দিয়েছে।

তাই শুধু সমুদ্রভ্রমণ নয়, আধুনিক নগর স্থাপত্য দেখতেও পর্যটকদের কাছে জায়গাটি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে আছে।

চীন-নেপাল সীমান্তে ভূমিধসের হ্রদে নতুন বন্যার শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫১ এম
চীন-নেপাল সীমান্তে ভূমিধসের হ্রদে নতুন বন্যার শঙ্কা

চীন-নেপাল সীমান্তে হ্রদ ঘিরে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নেপালের দিক থেকে নেমে আসা ভূমিধস ও ধ্বংসাবশেষ নদীর প্রবাহ আটকে এই হ্রদ তৈরি করেছে।

গিরং সীমান্তবন্দর ও ভাটির জনপদগুলোকে তাই সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে হ্রদটিতে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি ছিল।

পরবর্তী তিন দিনে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি প্রবেশের পূর্বাভাস দেওয়া হয়।

অব্যাহত বৃষ্টিতে প্রাকৃতিক বাঁধ ভাঙলে নিচু এলাকায় আকস্মিক বন্যা নামতে পারে।

চীন-নেপাল সীমান্তে হ্রদ নিয়ে সতর্কতা

কর্তৃপক্ষের হিসাবে, পানির প্রবাহ ১ সেপ্টেম্বরের দিকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। বিশেষজ্ঞ দলও হ্রদের বাঁধ, পানির গভীরতা ও প্রবাহের গতি নিয়মিত পরীক্ষা করছে।

সম্ভাব্য ক্ষতির তালিকায় গিরং বন্দর এবং নদীর নিম্নাঞ্চল রয়েছে। স্যাটেলাইট ও জরুরি জলবিদ্যুৎ পর্যবেক্ষণ দল দিয়ে পরিস্থিতি নজরে রাখা হচ্ছে।

শুক্রবার পর্যন্ত ৪৯৯ জন ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা ও নির্মাণশ্রমিককে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৫৫৫ জন পর্যটককেও দুর্যোগ এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেখানে আর কোনো পর্যটক আটকা নেই।

তবে শুক্রবার হ্রদের পানি কিছুটা কমায় তাৎক্ষণিক ঝুঁকি সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণযোগ্য বলে উদ্ধারকারীরা জানান।

এরপর স্থগিত উদ্ধার কার্যক্রম আবার শুরু হয়। তবু চলমান বৃষ্টি ও অস্থিতিশীল পাহাড়ের কারণে দ্বিতীয় দফা দুর্যোগের আশঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি।

উদ্ধার ও পর্যবেক্ষণে বাড়তি সতর্কতা

বুধবারের ভয়াবহ কাদা ও ধ্বংসাবশেষের স্রোতে গিরং এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাস্তা, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ায় উদ্ধার তৎপরতা কঠিন হয়ে পড়ে।

শত শত মানুষ নিখোঁজ থাকার খবরও পাওয়া গেছে। সীমান্ত দুর্যোগের প্রেক্ষাপট নিয়ে দৈনিক বাংলাভিউয়ে আরও জানুন

উদ্ধারকারীরা ড্রোন, স্যাটেলাইট যোগাযোগ ও ভারী যন্ত্র ব্যবহার করে দুর্গম এলাকায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।

চীনা কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য নতুন হ্রদ শনাক্ত করতেও আশপাশের নদী ও পাহাড় পর্যবেক্ষণ করছে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ জনপদ আগে থেকেই খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পানি ও ভূমিধস পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যেতে পারে।

চীন-নেপাল সীমান্তে হ্রদ পরিস্থিতির পরবর্তী সতর্কতা আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স আপডেটে নজর রাখা যেতে পারে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, উদ্ধারকাজের পাশাপাশি আগাম সতর্কতা ও দ্রুত স্থানান্তর এখন প্রধান অগ্রাধিকার।