বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩

তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আজ জানা যেতে পারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৯ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আজ জানা যেতে পারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়টি বর্তমানে পুরোপুরি নয়াদিল্লির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর দ্রুত দিল্লি সফর করেন। উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে ঢাকার সুনির্দিষ্ট বার্তা পৌঁছে দেওয়া। গত ১১ই আগস্ট সন্ধ্যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ত্রিবেদীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সেই আলোচনার ফিরতি বার্তা নিয়ে শুক্রবার বিকেলে ঢাকায় ফিরেছেন তিনি। কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, আজ দিনের যেকোনো সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করবেন ভারতীয় হাইকমিশনার। এই আলোচনার পরই স্পষ্ট হবে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যাচ্ছেন কি না। নয়াদিল্লির কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেলে এ মাসেই সফরের সম্ভাবনা রয়েছে, অন্যথায় ঢাকা বিকল্প পথে হাঁটতে পারে।

শেখ হাসিনার পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে ভারত তৎপর। গত ১২ই জুন ঢাকায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দীনেশ ত্রিবেদী সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। গত ১০ই আগস্ট তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথমবার সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে ঢাকার পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে হলে বাংলাদেশের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

এর আগে ৩০শে জুলাই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের সময় ত্রিবেদী জানিয়েছিলেন, ভারত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। মূলত এরপর থেকেই সফরের আলোচনা গতি পায়, যদিও বাংলাদেশ সরকার বারবার জানিয়েছে যে এখনো কোনো দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি।

সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়ায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড। গত ৫ই আগস্ট নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্ট ক্লাবের অনলাইন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার বক্তব্য দুই দেশের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

এর দুই দিন আগেই ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করে সতর্ক করা হয়েছিল যে, হাসিনা ভারতে বসে অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ পেলে তা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে আঘাত হানবে। কিন্তু ভারত সরকার তাকে বিরত রাখতে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এই ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা। গত ৯ই আগস্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে ভারতীয় হাইকমিশনারকে ঢাকার ক্ষোভের বিষয়টি সরাসরি জানানো হয়। ড. খলিল আশা প্রকাশ করেছেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ঢাকার উদ্বেগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে অনুধাবন করবে।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের টানাপোড়েনের পাশাপাশি হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুটিও এখন ঢাকার অন্যতম প্রধান দাবি। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ত্রিবেদী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। এসব বৈঠকে ঢাকা বারবার দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনুকূল পরিবেশ তৈরির তাগিদ দিয়েছে।

ভারতীয় দূত অবশ্য সাংবাদিকদের ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, দুই দেশের সরকার প্রধানের সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই অনেক জটিল সমস্যার সমাধান সম্ভব। তবে ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায় এবং দ্বিতীয় সফর চীনে হওয়ায় ভারত বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বেইজিং সফরের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতেই ত্রিবেদী প্রেসিডেন্টের কাছে পরিচয়পত্র জমা দিয়েছিলেন।

ব্রিকস সম্মেলন নিয়েও তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। গত ২৩শে জুলাই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছিলেন, সেপ্টেম্বরে ব্রিকসের আউটরিচ পর্বে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে ঢাকা মনে করে, আমন্ত্রণপত্রটি যথাযথ ছিল না কারণ সেখানে তাকে বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে ডাকা হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরে স্পষ্ট করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, বরং বিমসটেক চেয়ারম্যান হিসেবে আমন্ত্রণ এসেছে। এই জটিলতার কারণে প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে যোগদানের বিষয়টি প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এখন সব মিলিয়ে নয়াদিল্লির ফিরতি বার্তার ওপরই নির্ভর করছে দুই দেশের পরবর্তী কূটনৈতিক পদক্ষেপ।

ঢাকায় পা রাখার ৫৯ দিন পর গত ১০ই আগস্ট প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ পান ত্রিবেদী।

ঢাকার সতর্কবার্তার পরেও হাসিনা কথা বলেন এবং বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে নিয়ে তীব্রভাবে বিষোদ্গার করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াটি ছিল নজিরবিহীন।

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত সরকার গঠনের আবহে সেই সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে ভারতকে বিশেষ মনোযোগী হতে দেখা যায়।

পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় গত এপ্রিলে ঢাকায় নতুন দূত প্রেরণের ঘোষণা দেয় দিল্লি।

এই ঘটনার দুইদিন আগে ত্রিবেদীকে ডেকে ঢাকার তরফে সতর্ক করা হয়েছিল।

পরে অবশ্য নয়াদিল্লিও দায়সারা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকারকে নিয়ে হাসিনার কোনো বক্তব্যে তাদের সমর্থন নেই।

পাশাপাশি হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যু ত্বরান্বিত করার বিষয়েও তাগাদা দেয়া হয়।

সরকার গঠনের পর প্রথমেই তারেক রহমানকে সফরে নেয়ার আগ্রহের কথা জানায় বাংলাদেশের সঙ্গে চার হাজার কিলোমিটার সীমান্ত ভাগ করে নেয়া প্রতিবেশী ভারত।

১৭ই ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নয়াদিল্লির সেই আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন দেশটির স্পিকার ওম বিড়লা।

সেখান থেকে দ্বিতীয় সফরে চীন যান ঢাকার জাতীয়তাবাদী সরকারের প্রধান।

এর পরের দিন প্রায় ১৮ মাস বন্ধ রাখা ভারতীয় ভিসা সেন্টার খোলার ঘোষণা দেয়া হয়।

দাওয়াত দেয়া হয়েছে বিমসটেক-এর চেয়ারম্যানকে।

ঢাকায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর ঢাকায় আসার ঠিক একদিন আগে।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোতে বলা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহেই এ সফর হতে পারে।

কী বলছে তথ্য?

পৃথিবীতে আগের চেয়ে বেশি ভূমিকম্প হচ্ছে?

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৯ এম
পৃথিবীতে আগের চেয়ে বেশি ভূমিকম্প হচ্ছে?

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনায় জনমনে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—পৃথিবীতে কি আগের চেয়ে বেশি ভূমিকম্প হচ্ছে? গত এক মাসে ইন্দোনেশিয়া, কলম্বিয়া ও মেক্সিকোতে ৭ বা তার বেশি মাত্রার তিনটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর আগে জুন মাসে ভেনেজুয়েলাতেও কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি বড় ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে গত এক দশকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ভূমিকম্পের সংখ্যা কিছুটা ওঠানামা করলেও তা এখনো স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে বছরে প্রায় ২০ হাজার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়, যার অর্থ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫৫টি ভূমিকম্প ঘটে। তবে এর বেশির ভাগই এতটাই দুর্বল যে মানুষ তা অনুভব করতে পারে না। সাধারণত ৬ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্পে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দেয়। ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বে প্রতি বছর গড়ে ১৩৩টি ৬ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালে এ ধরনের ভূমিকম্পের সংখ্যা ছিল ৯৯টি, আর ২০২১ সালে তা সর্বোচ্চ ১৫৭টিতে পৌঁছেছিল।

চলতি বছরের আগস্টের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ৬ বা তার বেশি মাত্রার ৯১টি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে ১১টি। যদিও এই সংখ্যা গত এক দশকের তুলনায় সামান্য বেশি গতিতে এগোচ্ছে বলে মনে হতে পারে, তবে বিজ্ঞানীদের মতে এটি অস্বাভাবিক কোনো প্রবণতা নয়। স্বস্তির বিষয় হলো, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৮ বা ৯ মাত্রার কোনো মহাভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো ভূমিকম্প কতটা প্রাণঘাতী হবে, তা শুধু এর মাত্রার ওপর নির্ভর করে না। ভূমিকম্পের গভীরতা, জনবসতির কত কাছে আঘাত হেনেছে, ভবনগুলোর নির্মাণমান এবং মাটির গঠন—এসব বিষয়ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রায় বড় ভূমিকা রাখে। অনেক সময় তুলনামূলক কম মাত্রার ভূমিকম্পও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ভয়াবহ প্রাণহানি ঘটাতে পারে।

ভূমিকম্পের কোনো নির্দিষ্ট মৌসুম নেই এবং এখন পর্যন্ত বড় ভূমিকম্পের সময় নির্ভুলভাবে পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার ঝুঁকি নির্ধারণ, শক্তিশালী ভবন নির্মাণ এবং আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা মানুষের প্রাণ বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ ভূমিকম্প ঘটে প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে থাকা ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে, যার মধ্যে জাপান, ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া জাভা থেকে হিমালয় হয়ে তুরস্ক ও ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত আলপাইন-হিমালয় অঞ্চলও শক্তিশালী ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পগুলো ভয়ের কারণ হলেও দীর্ঘমেয়াদি তথ্য এখনো কোনো অস্বাভাবিক প্রবণতার প্রমাণ দিচ্ছে না; বরং শক্তিশালী ভূমিকম্পের সংখ্যা স্বাভাবিক ওঠানামার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

বিইউবিটিতে রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি ডিরেক্টর পদে নিয়োগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৮ এম
বিইউবিটিতে রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি ডিরেক্টর পদে নিয়োগ

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বিইউবিটি) রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি ডিরেক্টর (জনসংযোগ) পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীদের আগামী ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

রেজিস্ট্রার পদের বিবরণ

  • পদসংখ্যা: ১টি।
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং ভালো একাডেমিক রেকর্ড থাকতে হবে।
  • অভিজ্ঞতা: সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক। একই ধরনের পদে কাজের অভিজ্ঞতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিকল্প হিসেবে সরকারি, আধা সরকারি বা করপোরেট প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক কাজে কমপক্ষে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেও আবেদন করা যাবে।
  • বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৬০ বছর।

ডেপুটি ডিরেক্টর (জনসংযোগ) পদের বিবরণ

  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর—উভয় পর্যায়েই কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণি/বিভাগ অথবা ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে।
  • অভিজ্ঞতা: কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী পরিচালক বা সহকারী রেজিস্ট্রার (জনসংযোগ) হিসেবে অথবা করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সমপর্যায়ের পদে কমপক্ষে ৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
  • বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৪০ বছর।

আবেদন প্রক্রিয়া

আগ্রহী প্রার্থীদের কভার লেটার, বিস্তারিত জীবনবৃত্তান্ত (সিভি), পাসপোর্ট সাইজের ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের কপি ও অভিজ্ঞতার সনদসহ প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রের হার্ড কপি সরাসরি জমা দিতে হবে। নিয়োগ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট বা নোটিশ বোর্ড থেকে যাচাই করে নেওয়া যেতে পারে।

চাকরির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • চাকরির তথ্যে যোগ হল: পদসংখ্যা: ১।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মর্যাদাপূর্ণ ফেরাতে বৈশ্বিক উদ্যোগ চান ঢাবি উপাচার্য

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মর্যাদাপূর্ণ ফেরাতে বৈশ্বিক উদ্যোগ চান ঢাবি উপাচার্য

সংকটে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন একমাত্র টেকসই সমাধান বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

তিনি বলেন, প্রত্যাবাসন হতে হবে স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ ও সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ যৌথভাবে আয়োজনটি করে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আন্তর্জাতিক উদ্যোগের তাগিদ

উপাচার্য বলেন, দীর্ঘদিন বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বহুমাত্রিক চাপের মুখে রয়েছে। ফলে দেশের অর্থনীতি, সমাজ এবং পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব বাড়ছে।

তার মতে, শুধু মানবিক সহায়তা দিয়ে এই সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব নয়।

তাই বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ চিহ্নিত করে কার্যকর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি জাতিসংঘ ও আসিয়ানের মতো বহুপাক্ষিক ফোরামকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে মিয়ানমারে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।

রোহিঙ্গা সংকটের আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

এছাড়া সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

নিরাপত্তা ও কূটনীতিতেও বাড়ছে চাপ

সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সংকটটি এখন জাতীয় নিরাপত্তা, কূটনীতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সঙ্গেও যুক্ত।

তার ভাষ্য, বাংলাদেশ নয় বছর ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে উদারতার পরিচয় দিয়েছে।

তবে এই দায়িত্ব অনির্দিষ্টকাল বহন করা সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এই সংকট সৃষ্টি করেনি এবং একা এর সমাধানও করতে পারবে না।

তাই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক চাপ ও সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগ জরুরি। সেমিনারের প্রথম প্যানেলে মানবিকতা ও জাতীয় নিরাপত্তার ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা হয়।

সেখানে দেশি-বিদেশি গবেষক, নিরাপত্তা বিশ্লেষক এবং রোহিঙ্গা প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

দ্বিতীয় প্যানেলে প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গকে আবার আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

আলোচনায় কূটনীতিক, সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং মিয়ানমারবিষয়ক বিশ্লেষকেরাও যুক্ত হন। অন্যদিকে উপাচার্য আবারও বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ছাড়া স্থায়ী সমাধান নেই.

সর্বশেষ আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন.