বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩

রংপুরে চারজন হত্যা: পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে ময়নাতদন্তের তথ্যে অমিল

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৭ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
রংপুরে চারজন হত্যা: পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে ময়নাতদন্তের তথ্যে অমিল

রংপুরে চারজন হত্যা মামলায় পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে ময়নাতদন্তের কিছু তথ্যের অমিল দেখা গেছে। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন, চারজনকেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

তবে আগামী চক্রবর্তীর চোয়াল ভাঙার কোনো প্রমাণ ময়নাতদন্তে পাওয়া যায়নি। সোমবার (২৪ আগস্ট) ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক বাবলু কিশোর বিশ্বাস সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

এছাড়া মরদেহে এসিড বা রাসায়নিক ব্যবহারেরও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আরও জানুন সর্বশেষ আপডেট

রংপুরে চারজন হত্যা: ময়নাতদন্তে যা পাওয়া গেছে

চিকিৎসক জানান কয়েকদিন মরদেহ পড়ে থাকায় মুখের রং ও চেহারায় পরিবর্তন হয়েছিল। ফলে অনেকের কাছে চেহারা ঝলসে যাওয়ার মতো মনে হয়েছিল।

তবে এটি পচনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার ফল। তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

এরপর এসব নমুনা পরীক্ষার জন্য সিআইডি ল্যাবে পাঠানো হবে। চূড়ান্ত ফরেনসিক প্রতিবেদনে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে কোথায় অমিল

এর আগে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ ভিন্ন তথ্য দিয়েছিলেন। তিনি জানিয়ে ছিলেন, আগামী চক্রবর্তীর মুখ ও গলায় রশি পেঁচিয়ে টানা হয়েছিল।

এতে তাঁর চোয়াল ভেঙে যায় বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। তবে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের বক্তব্যে সেই চোয়াল ভাঙার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করার বিষয়ে চিকিৎসক ও পুলিশের বক্তব্যে মিল রয়েছে। ফলে তদন্তের পরবর্তী ধাপে ফরেনসিক পরীক্ষার ফল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

গত শনিবার রাতে মাছুয়াপাড়ার বাড়ি থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

চিলেকোঠায় গণপতি এবং সিঁড়িতে প্রীতিলতা ও আগামীর মরদেহ পাওয়া যায়।

অন্যদিকে, দোতলার শোবার ঘরে প্রিয়মের মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহতরা হলেন

  • গণপতি চক্রবর্তী, স্ত্রী প্রীতিলতা
  • মেয়ে আগামী এবং ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী।

স্বজনদের সাড়া না পাওয়ার খবরের পর পুলিশ বাড়িতে প্রবেশ করেছিল। পরে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মাদক সেবনে বাধা দেওয়ার জেরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে।

তবে মামলার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য তদন্ত ও ফরেনসিক প্রতিবেদনের অপেক্ষা করতে হবে।

রংপুরে চারজন হত্যা ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করা যেতে পারে।

বিইউবিটিতে রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি ডিরেক্টর পদে নিয়োগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৮ এম
বিইউবিটিতে রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি ডিরেক্টর পদে নিয়োগ

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বিইউবিটি) রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি ডিরেক্টর (জনসংযোগ) পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীদের আগামী ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

রেজিস্ট্রার পদের বিবরণ

  • পদসংখ্যা: ১টি।
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং ভালো একাডেমিক রেকর্ড থাকতে হবে।
  • অভিজ্ঞতা: সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক। একই ধরনের পদে কাজের অভিজ্ঞতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিকল্প হিসেবে সরকারি, আধা সরকারি বা করপোরেট প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক কাজে কমপক্ষে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেও আবেদন করা যাবে।
  • বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৬০ বছর।

ডেপুটি ডিরেক্টর (জনসংযোগ) পদের বিবরণ

  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর—উভয় পর্যায়েই কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণি/বিভাগ অথবা ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে।
  • অভিজ্ঞতা: কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী পরিচালক বা সহকারী রেজিস্ট্রার (জনসংযোগ) হিসেবে অথবা করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সমপর্যায়ের পদে কমপক্ষে ৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
  • বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৪০ বছর।

আবেদন প্রক্রিয়া

আগ্রহী প্রার্থীদের কভার লেটার, বিস্তারিত জীবনবৃত্তান্ত (সিভি), পাসপোর্ট সাইজের ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের কপি ও অভিজ্ঞতার সনদসহ প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রের হার্ড কপি সরাসরি জমা দিতে হবে। নিয়োগ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট বা নোটিশ বোর্ড থেকে যাচাই করে নেওয়া যেতে পারে।

চাকরির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • চাকরির তথ্যে যোগ হল: পদসংখ্যা: ১।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মর্যাদাপূর্ণ ফেরাতে বৈশ্বিক উদ্যোগ চান ঢাবি উপাচার্য

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মর্যাদাপূর্ণ ফেরাতে বৈশ্বিক উদ্যোগ চান ঢাবি উপাচার্য

সংকটে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন একমাত্র টেকসই সমাধান বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

তিনি বলেন, প্রত্যাবাসন হতে হবে স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ ও সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ যৌথভাবে আয়োজনটি করে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আন্তর্জাতিক উদ্যোগের তাগিদ

উপাচার্য বলেন, দীর্ঘদিন বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বহুমাত্রিক চাপের মুখে রয়েছে। ফলে দেশের অর্থনীতি, সমাজ এবং পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব বাড়ছে।

তার মতে, শুধু মানবিক সহায়তা দিয়ে এই সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব নয়।

তাই বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ চিহ্নিত করে কার্যকর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি জাতিসংঘ ও আসিয়ানের মতো বহুপাক্ষিক ফোরামকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে মিয়ানমারে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।

রোহিঙ্গা সংকটের আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

এছাড়া সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

নিরাপত্তা ও কূটনীতিতেও বাড়ছে চাপ

সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সংকটটি এখন জাতীয় নিরাপত্তা, কূটনীতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সঙ্গেও যুক্ত।

তার ভাষ্য, বাংলাদেশ নয় বছর ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে উদারতার পরিচয় দিয়েছে।

তবে এই দায়িত্ব অনির্দিষ্টকাল বহন করা সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এই সংকট সৃষ্টি করেনি এবং একা এর সমাধানও করতে পারবে না।

তাই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক চাপ ও সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগ জরুরি। সেমিনারের প্রথম প্যানেলে মানবিকতা ও জাতীয় নিরাপত্তার ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা হয়।

সেখানে দেশি-বিদেশি গবেষক, নিরাপত্তা বিশ্লেষক এবং রোহিঙ্গা প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

দ্বিতীয় প্যানেলে প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গকে আবার আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

আলোচনায় কূটনীতিক, সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং মিয়ানমারবিষয়ক বিশ্লেষকেরাও যুক্ত হন। অন্যদিকে উপাচার্য আবারও বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ছাড়া স্থায়ী সমাধান নেই.

সর্বশেষ আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন.

ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে ক্ষোভ প্রকাশ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২১ পিএম
ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে ক্ষোভ প্রকাশ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নে সরাসরি উত্তর দেননি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। সোমবার ২৪ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্ন করেন তিনি।

সাংবাদিকরা জানতে চান, দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না। সাংবাদিকরা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেবেন কি না, সেটিও জানতে চান।

তবে হুমায়ুন কবির নিজেকে বাংলাদেশি পরিচয় দিয়ে তার অবস্থান নিয়ে প্রশ্নের সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন।

এছাড়া তিনি বলেন, সুবিধাবাদী কেউ বাংলাদেশের জন্য কাজ করে না।

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক খবরের আরও আপডেট জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে কেন প্রশ্ন

গত শুক্রবার মন্ত্রিসভার নতুন পাঁচ সদস্যের একজন হিসেবে শপথ নেন হুমায়ুন কবির। তিনি টেকনোক্র্যাট কোটায় প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন এবং আগে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।

শৈশব থেকেই যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা হুমায়ুন কবির দেশটির লেবার পার্টির রাজনীতিতেও যুক্ত ছিলেন।

প্রতিবেদনটি যুক্তরাজ্য বিএনপির একাধিক নেতার বরাতে তার ব্রিটিশ নাগরিকত্বের তথ্য দিয়েছে।

তবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি সেই নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না, তা নিশ্চিত হয়নি।

প্রতিবেদনটি জানায়, সরকারি সূত্রগুলোর কাছেও নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদনসংক্রান্ত চিঠি বা তথ্য নেই। সংবিধানের ৫৬(২) অনুযায়ী, সর্বোচ্চ এক-দশমাংশ মন্ত্রী সংসদ সদস্য না হয়েও নিয়োগ পেতে পারেন।

ফলে তাদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হয়। ৬৬(২)(গ) অনুযায়ী, বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করলে সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্যতা তৈরি হয়।

অন্যদিকে ৬৬(২ক)-এ বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সেই অযোগ্যতা না থাকার বিধান রয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নে পাল্টা প্রতিক্রিয়া

এই সাংবিধানিক প্রেক্ষাপটেই সাংবাদিকরা তার দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে ব্যাখ্যা জানতে চান।

এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ভাইরাল হওয়ার কথাও একজন সাংবাদিক উল্লেখ করেন।

জবাবে হুমায়ুন কবির জানতে চান, কে এই খবর করেছে এবং “কার এত জ্বালা”।

এরপর তিনি ২০০৮ এবং মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের সময়ের প্রসঙ্গ টেনে কয়েকটি পাল্টা প্রশ্ন করেন।

তিনি বলেন, দেশপ্রেমিক এবং দেশের পক্ষে অবস্থান নেওয়া মানুষদের নিয়েই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

তবে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর তিনি দেননি।

হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা তাই সংবাদ সম্মেলনের পরও থামেনি।

বিষয়টির পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।