বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩

তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর: দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন সমীকরণ ও চ্যালেঞ্জ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৪ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর: দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন সমীকরণ ও চ্যালেঞ্জ

চলতি মাসের ২০ থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই হতে যাচ্ছে তার প্রথম ভারত সফর।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী এক-দুই দিনের মধ্যেই এই সফরের চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারিত হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই প্রতিবেশী দেশের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যাগুলো নিরসনের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনে এই সফর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে।

সফরের আলোচ্যসূচিতে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি, বাণিজ্যিক সীমাবদ্ধতা, জ্বালানি সরবরাহ, ভিসা জটিলতা এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলো প্রাধান্য পাওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া, ভারতে অবস্থানরত পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার (প্রত্যর্পণ) বিষয়টিও আলোচনার টেবিলে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে, ভারত তাদের বাণিজ্যিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের পাশাপাশি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার গণমাধ্যমে উপস্থিতির ঘটনায় ঢাকা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। সরকারের মতে, তার মন্তব্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ ও সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আমেনা মহসিন মনে করেন, এ ধরনের উত্তেজনার পরও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।

তবে তিনি মনে করেন, ভবিষ্যতে হাসিনা যাতে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে ক্ষুব্ধ করে এমন কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য না দেন, তা নিশ্চিত করা ভারতের দায়িত্ব।

প্রত্যর্পণ চুক্তির বিষয়ে আমেনা মহসিন বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত রাজনৈতিক। তবে সরকারপ্রধানদের সরাসরি আলোচনায় অনেক সময় জটিল সমস্যার সমাধান সহজ হয়ে যায়। তিনি বাংলাদেশের অগ্রাধিকার হিসেবে সীমান্ত হত্যা বন্ধ, পুশ-ইন রোধ এবং বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের ওপর জোর দেন। তিনি আরও বলেন, ভারত এতদিন কেবল সরকার-কেন্দ্রিক নীতি অনুসরণ করলেও এখন তাদের সামনে জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ওবায়দুল হক এই সফরকে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করেন। তার মতে, তারেক রহমান ব্রিকস সম্মেলনে না গিয়ে পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় সফরের মাধ্যমে সম্পর্কের উত্তেজনা প্রশমিত করতে চেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ একে অপরের পরিপূরক এবং বিচ্ছিন্ন থাকার সুযোগ নেই।

তবে দিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে দেশের ভেতরে যে রাজনৈতিক চাপ তৈরি হতে পারে, তা সামাল দিতে ভারতের পক্ষ থেকে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ বা সদিচ্ছার নিদর্শন প্রয়োজন।

দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক গবেষক আলতাফ পারভেজ মনে করেন, তারেক রহমান ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিলে চীন, রাশিয়া ও ব্রাজিলের নেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পেতেন। তবে ভারতের সঙ্গে এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠককেও তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তার মতে, এই বৈঠক উভয় পক্ষকে তাদের প্রত্যাশা সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনার সুযোগ করে দেবে। বিশেষ করে জ্বালানি ও গঙ্গা চুক্তির মতো বিষয়ে ভারতের কাছ থেকে ইতিবাচক নিশ্চয়তা পাওয়া গেলে তা বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে।

তারেক রহমানের চীন সফরের পর বেইজিংয়ের তিস্তা প্রকল্পে আগ্রহ প্রকাশ ভারতকে কিছুটা অস্বস্তিতে ফেলেছে বলে মনে করেন আলতাফ পারভেজ। তার মতে, এই প্রেক্ষাপটে সফরটি সফল করার ক্ষেত্রে ভারতের নিজস্ব দায়বদ্ধতা রয়েছে। হাসিনা ইস্যু নিয়ে তিনি মনে করেন, দুই দেশ সম্ভবত বিষয়টি লোকচক্ষুর অন্তরালে সমাধান করতে চাইবে। তবে ভারত ইস্যুতে দেশের মানুষকে আশ্বস্ত করা বিএনপি সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে, যা নেতৃত্বের দৃঢ়তার ওপর নির্ভর করবে।

এমনটি বলছেন পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষকেরা। তিনি আরও বলেন, ‘ভারতকে বুঝতে হবে যে কেবল সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখাই যথেষ্ট নয়, বরং জনগণের সঙ্গেও সুসম্পর্ক গড়ে তোলা জরুরি।’

পৃথিবীতে কি আগের চেয়ে বেশি ভূমিকম্প হচ্ছে? কী বলছে তথ্য?

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৯ এম
পৃথিবীতে কি আগের চেয়ে বেশি ভূমিকম্প হচ্ছে? কী বলছে তথ্য?

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনায় জনমনে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—পৃথিবীতে কি আগের চেয়ে বেশি ভূমিকম্প হচ্ছে? গত এক মাসে ইন্দোনেশিয়া, কলম্বিয়া ও মেক্সিকোতে ৭ বা তার বেশি মাত্রার তিনটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর আগে জুন মাসে ভেনেজুয়েলাতেও কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি বড় ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে গত এক দশকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ভূমিকম্পের সংখ্যা কিছুটা ওঠানামা করলেও তা এখনো স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে বছরে প্রায় ২০ হাজার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়, যার অর্থ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫৫টি ভূমিকম্প ঘটে। তবে এর বেশির ভাগই এতটাই দুর্বল যে মানুষ তা অনুভব করতে পারে না। সাধারণত ৬ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্পে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দেয়। ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বে প্রতি বছর গড়ে ১৩৩টি ৬ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালে এ ধরনের ভূমিকম্পের সংখ্যা ছিল ৯৯টি, আর ২০২১ সালে তা সর্বোচ্চ ১৫৭টিতে পৌঁছেছিল।

চলতি বছরের আগস্টের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ৬ বা তার বেশি মাত্রার ৯১টি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে ১১টি। যদিও এই সংখ্যা গত এক দশকের তুলনায় সামান্য বেশি গতিতে এগোচ্ছে বলে মনে হতে পারে, তবে বিজ্ঞানীদের মতে এটি অস্বাভাবিক কোনো প্রবণতা নয়। স্বস্তির বিষয় হলো, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৮ বা ৯ মাত্রার কোনো মহাভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো ভূমিকম্প কতটা প্রাণঘাতী হবে, তা শুধু এর মাত্রার ওপর নির্ভর করে না। ভূমিকম্পের গভীরতা, জনবসতির কত কাছে আঘাত হেনেছে, ভবনগুলোর নির্মাণমান এবং মাটির গঠন—এসব বিষয়ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রায় বড় ভূমিকা রাখে। অনেক সময় তুলনামূলক কম মাত্রার ভূমিকম্পও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ভয়াবহ প্রাণহানি ঘটাতে পারে।

ভূমিকম্পের কোনো নির্দিষ্ট মৌসুম নেই এবং এখন পর্যন্ত বড় ভূমিকম্পের সময় নির্ভুলভাবে পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার ঝুঁকি নির্ধারণ, শক্তিশালী ভবন নির্মাণ এবং আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা মানুষের প্রাণ বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ ভূমিকম্প ঘটে প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে থাকা ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে, যার মধ্যে জাপান, ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া জাভা থেকে হিমালয় হয়ে তুরস্ক ও ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত আলপাইন-হিমালয় অঞ্চলও শক্তিশালী ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পগুলো ভয়ের কারণ হলেও দীর্ঘমেয়াদি তথ্য এখনো কোনো অস্বাভাবিক প্রবণতার প্রমাণ দিচ্ছে না; বরং শক্তিশালী ভূমিকম্পের সংখ্যা স্বাভাবিক ওঠানামার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

বিইউবিটিতে রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি ডিরেক্টর পদে নিয়োগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৮ এম
বিইউবিটিতে রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি ডিরেক্টর পদে নিয়োগ

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বিইউবিটি) রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি ডিরেক্টর (জনসংযোগ) পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীদের আগামী ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

রেজিস্ট্রার পদের বিবরণ

  • পদসংখ্যা: ১টি।
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং ভালো একাডেমিক রেকর্ড থাকতে হবে।
  • অভিজ্ঞতা: সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক। একই ধরনের পদে কাজের অভিজ্ঞতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিকল্প হিসেবে সরকারি, আধা সরকারি বা করপোরেট প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক কাজে কমপক্ষে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেও আবেদন করা যাবে।
  • বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৬০ বছর।

ডেপুটি ডিরেক্টর (জনসংযোগ) পদের বিবরণ

  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর—উভয় পর্যায়েই কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণি/বিভাগ অথবা ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে।
  • অভিজ্ঞতা: কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী পরিচালক বা সহকারী রেজিস্ট্রার (জনসংযোগ) হিসেবে অথবা করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সমপর্যায়ের পদে কমপক্ষে ৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
  • বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৪০ বছর।

আবেদন প্রক্রিয়া

আগ্রহী প্রার্থীদের কভার লেটার, বিস্তারিত জীবনবৃত্তান্ত (সিভি), পাসপোর্ট সাইজের ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের কপি ও অভিজ্ঞতার সনদসহ প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রের হার্ড কপি সরাসরি জমা দিতে হবে। নিয়োগ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট বা নোটিশ বোর্ড থেকে যাচাই করে নেওয়া যেতে পারে।

চাকরির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • চাকরির তথ্যে যোগ হল: পদসংখ্যা: ১।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মর্যাদাপূর্ণ ফেরাতে বৈশ্বিক উদ্যোগ চান ঢাবি উপাচার্য

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মর্যাদাপূর্ণ ফেরাতে বৈশ্বিক উদ্যোগ চান ঢাবি উপাচার্য

সংকটে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন একমাত্র টেকসই সমাধান বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

তিনি বলেন, প্রত্যাবাসন হতে হবে স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ ও সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ যৌথভাবে আয়োজনটি করে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আন্তর্জাতিক উদ্যোগের তাগিদ

উপাচার্য বলেন, দীর্ঘদিন বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বহুমাত্রিক চাপের মুখে রয়েছে। ফলে দেশের অর্থনীতি, সমাজ এবং পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব বাড়ছে।

তার মতে, শুধু মানবিক সহায়তা দিয়ে এই সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব নয়।

তাই বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ চিহ্নিত করে কার্যকর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি জাতিসংঘ ও আসিয়ানের মতো বহুপাক্ষিক ফোরামকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে মিয়ানমারে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।

রোহিঙ্গা সংকটের আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

এছাড়া সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

নিরাপত্তা ও কূটনীতিতেও বাড়ছে চাপ

সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সংকটটি এখন জাতীয় নিরাপত্তা, কূটনীতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সঙ্গেও যুক্ত।

তার ভাষ্য, বাংলাদেশ নয় বছর ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে উদারতার পরিচয় দিয়েছে।

তবে এই দায়িত্ব অনির্দিষ্টকাল বহন করা সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এই সংকট সৃষ্টি করেনি এবং একা এর সমাধানও করতে পারবে না।

তাই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক চাপ ও সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগ জরুরি। সেমিনারের প্রথম প্যানেলে মানবিকতা ও জাতীয় নিরাপত্তার ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা হয়।

সেখানে দেশি-বিদেশি গবেষক, নিরাপত্তা বিশ্লেষক এবং রোহিঙ্গা প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

দ্বিতীয় প্যানেলে প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গকে আবার আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

আলোচনায় কূটনীতিক, সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং মিয়ানমারবিষয়ক বিশ্লেষকেরাও যুক্ত হন। অন্যদিকে উপাচার্য আবারও বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ছাড়া স্থায়ী সমাধান নেই.

সর্বশেষ আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন.