শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

শীঘ্রই রাস্তায় নামছে টেসলার স্টিয়ারিংহীন সাইবারক্যাব, শুরু হচ্ছে পরীক্ষামূলক যাত্রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১০ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
শীঘ্রই রাস্তায় নামছে টেসলার স্টিয়ারিংহীন সাইবারক্যাব, শুরু হচ্ছে পরীক্ষামূলক যাত্রা

স্টিয়ারিংহীন সাইবারক্যাব শিগগিরই টেক্সাসের অস্টিনের রাস্তায় সীমিত যাত্রা শুরু করতে পারে। টেসলা এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে।

দুই আসনের গাড়িটিতে কোনো স্টিয়ারিং হুইল বা প্যাডেল নেই। এটি স্বয়ংক্রিয় যাত্রী পরিবহনের জন্য তৈরি।

টেসলা আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষামূলক যাত্রার নির্দিষ্ট তারিখ জানায়নি। তবে প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক বার্তায় দ্রুত কার্যক্রম শুরুর ইঙ্গিত রয়েছে।

স্টিয়ারিংহীন সাইবারক্যাব নিয়ে টেসলার প্রস্তুতি

টেসলার রোবোট্যাক্সি বিভাগের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইবারক্যাব নিয়ে নতুন প্রচার শুরু হয়েছে। এতে আসন্ন উদ্বোধনের সম্ভাবনা বেড়েছে।

প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম দ্য ইনফরমেশন জানিয়েছে, অস্টিনে প্রথমে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা গাড়িটি ব্যবহার করবেন। এই পর্যায় সীমিত থাকবে।

কর্মীদের যাত্রা থেকে নতুন গাড়ির চালনা-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করবে টেসলা। পরে এটি সাধারণ যাত্রীসেবায় যুক্ত হতে পারে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সাইবারক্যাবের উৎপাদন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রকৌশলভিত্তিক পরীক্ষাও জনসড়কে পরিচালিত হচ্ছে।

তবে কর্মীদের যাত্রা এবং অর্থের বিনিময়ে যাত্রী পরিবহন এক বিষয় নয়। বাণিজ্যিক সেবায় আলাদা অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।

প্রথমে টেসলা কর্মীদের পরীক্ষামূলক যাত্রা

প্রাথমিক যাত্রায় টেসলার কর্মীরা গাড়িটির ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা যাচাই করবেন। এতে নতুন নকশা ও প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

সাইবারক্যাবের চলাচল নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে সীমিত থাকতে পারে। অনুমোদিত এলাকার বাইরে গাড়িটি পরিচালনা করা কঠিন হবে।

গাড়িটিতে প্রচলিত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা না থাকায় দূরবর্তী পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রী সহায়তার ব্যবস্থাও প্রয়োজন।

পরীক্ষামূলক পর্যায়ের তথ্য বিশ্লেষণের পর জনসাধারণের জন্য সেবা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত আসতে পারে। টেসলা ধাপে ধাপে এগোচ্ছে।

বর্তমান রোবোট্যাক্সি সেবায় মডেল ওয়াই

টেসলার বর্তমান রোবোট্যাক্সি বহরে প্রধানত মডেল ওয়াই গাড়ি ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব গাড়িতে প্রচলিত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ছয় শহরের সীমিত এলাকায় সেবাটি পাওয়া যাচ্ছে। অস্টিনও এই তালিকায় রয়েছে।

অন্য শহরগুলো হলো ডালাস, হিউস্টন, মিয়ামি, অরল্যান্ডো এবং ট্যাম্পা। যাত্রীরা সেবার এলাকার মধ্যেই গাড়ি ডাকতে পারেন।

বর্তমান বহরের গাড়িগুলো টেসলার স্বয়ংক্রিয় চালনা প্রযুক্তি ব্যবহার করে। তবে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক নজরদারি এখনো গুরুত্বপূর্ণ।

স্টিয়ারিংহীন সাইবারক্যাব ও নিয়ন্ত্রক অনুমোদন

স্টিয়ারিংহীন সাইবারক্যাব ও প্রচলিত গাড়ির নকশায় বড় পার্থক্য রয়েছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ নিয়ন্ত্রক অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।

বর্তমান নিরাপত্তা বিধিতে স্টিয়ারিং হুইল ও প্যাডেলের শর্ত রয়েছে। বিশেষ ছাড় পেলে এই বাধা অতিক্রম করা সম্ভব।

অ্যামাজনের জুক্স ইতোমধ্যে এমন গাড়ির জন্য সীমিত সরকারি ছাড় পেয়েছে। টেসলাকেও প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিশ্চিত করতে হবে।

অনুমোদন ছাড়া ব্যাপক বাণিজ্যিক যাত্রীসেবা শুরু করা কঠিন হবে। তবে সীমিত পরীক্ষামূলক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

স্টিয়ারিংহীন সাইবারক্যাব টেসলার ভবিষ্যৎ পরিবহন পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সফল পরীক্ষা ও অনুমোদনের ওপর এর বাণিজ্যিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে।

আরও পড়ুন: বাংলাভিউয়ের সর্বশেষ প্রযুক্তি সংবাদ

ভিডিও সংবাদ: বাংলাভিউয়ের ভিডিও সংবাদ দেখুন

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতিতে বাড়ছে এজেন্সিগুলোর আর্থিক ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪২ এম
ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতিতে বাড়ছে এজেন্সিগুলোর আর্থিক ঝুঁকি

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতি নিয়ে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জিডিএস-ইস্যুকৃত টিকিট বাতিল, এডিএম এবং অনিয়মিত বুকিং নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি বাড়িয়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থাটি।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইস্যু করা টিকিট একই দিনে বাতিল করতে হবে। সেটিও প্রথম ফ্লাইট ছাড়ার অন্তত ৭২ ঘণ্টা আগে করতে হবে। একই সঙ্গে বুকিংয়ের সব ফ্লাইট সেগমেন্ট একসঙ্গে বাতিল করতে হবে।

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতিতে কোথায় কড়াকড়ি

উদাহরণ হিসেবে ঢাকা-দুবাই-মদিনা রুটের কোনো একটি সেগমেন্ট রেখে অন্যটি বাতিল করা যাবে না। এমন কার্যক্রম নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

যাত্রার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল কার্যত নিষিদ্ধের পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

নিয়ম ভাঙলে ১০০ মার্কিন ডলার জরিমানা আরোপ হতে পারে। এর সঙ্গে প্রযোজ্য নো-শো চার্জ এবং অতিরিক্ত ৫০ ডলার প্রশাসনিক ফিও যোগ হতে পারে।

ফলে ছোট ভুলও এজেন্সির জন্য বড় আর্থিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

খাতসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, আগে অনেক ক্ষেত্রে ভুল সংশোধনের সুযোগ ছিল। তবে নতুন কড়াকড়িতে পরিবারভিত্তিক বা দলীয় বুকিংয়ে ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

ভ্রমণ ও এভিয়েশনের আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

এজেন্সিগুলোর জন্য বাড়ছে সতর্কতার প্রয়োজন

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অতীতে টিকিট ইস্যু করে আসন আটকে রাখার অভিযোগ ছিল।

ফ্লাইট সেগমেন্ট বাতিল না করেই টিকিট বাতিল দেখানোর ঘটনাও ঘটত। শেষ মুহূর্তের বুকিং ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও ছিল।

নতুন নীতির লক্ষ্য এসব অনিয়ম কমানো এবং আসন ব্যবস্থাপনা আরও সুশৃঙ্খল করা। খাতসংশ্লিষ্টদের একাংশ মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদে পেশাদার এজেন্টদের জন্য এটি ইতিবাচক হতে পারে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে এজেন্সিগুলোকে এখন আরও সতর্ক থাকতে হবে।

ভিসা জটিলতা, চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থা বা যাত্রীর হঠাৎ পরিকল্পনা বদল বিশেষ সমস্যা তৈরি করতে পারে।

কারণ সময় ঘনিয়ে এলে জরিমানা এড়ানোর সুযোগ সীমিত হয়ে যায়।

এদিকে ইউএস-বাংলার অফিসিয়াল নীতিতে এজেন্সি থেকে কেনা টিকিটের রিফান্ড সংশ্লিষ্ট এজেন্সির মাধ্যমেই করতে বলা হয়েছে।

সেখানে বাতিল চার্জ টিকিটের ভাড়ার শর্ত অনুযায়ী প্রযোজ্য হওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

যাত্রীদেরও টিকিট ইস্যুর আগে তারিখ, গন্তব্য, পাসপোর্ট তথ্য এবং ভ্রমণ পরিকল্পনা ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতি সম্পর্কে আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা আপিলে ৯১ শতাংশ নাম ফিরল

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৪ এম
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা আপিলে ৯১ শতাংশ নাম ফিরল

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের আপিল নিষ্পত্তিতে ৯১ শতাংশের বেশি নাম আবার তালিকায় ফিরেছে। বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার পর এই তথ্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

নির্বাচন কমিশনের আরটিআই তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৮২ হাজার ৭৮২টি আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫ হাজার ৪৪৩ জনের নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা আপিলে ৯১ শতাংশ নাম ফিরল

নিষ্পত্তি হওয়া আপিলের মধ্যে সাত হাজার ৩৩৯ জনের নাম তালিকার বাইরে রয়ে গেছে।

অর্থাৎ সিদ্ধান্ত হওয়া মামলার ৯১ দশমিক ১৩ শতাংশেই ভোটারের নাম পুনর্বহাল হয়েছে।

কংগ্রেস সংসদ সদস্য ইশা খান চৌধুরীর তথ্য অধিকার আবেদনের জবাবে এসব পরিসংখ্যান দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আরটিআই তথ্যটি পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

৭ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৩৮ লাখ ১০ হাজার ৬২০টি আপিল জমা পড়েছিল।

তবে এর মধ্যে মাত্র ৮২ হাজার ৭৮২টির নিষ্পত্তি হয়েছে, যা মোট আপিলের ২ দশমিক ১৭ শতাংশ।

ফলে ৩৭ লাখ ২৭ হাজার ৮৩৮টি আপিল তখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল।

ভারতের নির্বাচনসংক্রান্ত আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

আপিলের সংখ্যায় বড় অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন

আরটিআই তথ্যে আপিলের মোট সংখ্যা নিয়েও বড় পার্থক্য সামনে এসেছে। এসআইআর পর্যালোচনায় ২৭ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ ভোটারকে ‘অযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

কিন্তু আপিল জমা পড়েছে ৩৮ লাখ ১০ হাজার ৬২০টি। অর্থাৎ অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত ভোটারের তুলনায় আপিলের সংখ্যা ১০ লাখ ৮২ হাজার ১২০টি বেশি।

ইশা খান চৌধুরী এই পার্থক্যের ব্যাখ্যা নির্বাচন কমিশনের কাছে চেয়েছেন।

তার অভিযোগ, অতিরিক্ত আপিলের একটি অংশ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার উদ্দেশ্যে কমিশন বা অন্য পক্ষ থেকে করা হয়েছে।

তবে এই অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পৃথক ব্যাখ্যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

ফলে আপিলের সংখ্যা কেন অযোগ্য ভোটারের চেয়ে বেশি, সেই প্রশ্ন এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।

ইশা খান চৌধুরীর মতে, বিপুলসংখ্যক সফল আপিল প্রাথমিক বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

তার দাবি, প্রকৃত ভোটারদের অনেকে প্রথম পর্যায়ে তালিকা থেকে বাদ পড়েছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই পরিসংখ্যান এখন রাজনৈতিক বিতর্কের নতুন বিষয় হয়ে উঠেছে। পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

নাগরিক নিরাপত্তায় দৃশ্যমান পদক্ষেপ জরুরি, বাড়ছে উদ্বেগ

বাংলাভিউ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৫ এম
নাগরিক নিরাপত্তায় দৃশ্যমান পদক্ষেপ জরুরি, বাড়ছে উদ্বেগ

নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে সামনে ছিল। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি।

সরকার গঠনের শুরুতেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

তবে গত ছয় মাসের বিভিন্ন উদ্যোগের পরও জনমনে নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম সাত মাসের তুলনায় চলতি বছর খুন বেড়েছে।

নাগরিক নিরাপত্তা বাড়ছে উদ্বেগ

রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনা নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

পুলিশের প্রাথমিক ভাষ্য নিয়েও নিহতদের স্বজন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে ২৫ জুন লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। অনুসন্ধানে ছয় মাসে একই পরিবারের একাধিক সদস্য হত্যার ১৮টি ঘটনা পাওয়া গেছে।

এসব ঘটনায় মোট ৪৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৪টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ভুক্তভোগীদের নিজেদের ঘর বা বাড়িতে।

ফলে মানুষের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

মাদক নিয়ন্ত্রণ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তে গুরুত্ব

খুনের বিভিন্ন ঘটনায় মাদক, জমি বা সম্পত্তি বিরোধ এবং পারিবারিক কলহের বিষয় সামনে এসেছে।

রংপুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজন মাদকাসক্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ। লক্ষ্মীপুরের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রেও একই তথ্য এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইয়াবাসহ সিনথেটিক মাদকের বিস্তার অপরাধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।

মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে উৎসমুখে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ এবং শক্তিশালী নজরদারি প্রয়োজন।

রংপুরের চার হত্যার বিশ্বাসযোগ্য তদন্তও পুলিশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

যৌক্তিক সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জোরালো হয়েছে।

এদিকে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধের হারও ঊর্ধ্বমুখী বলে সংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে। তাই শুধু অগ্রাধিকারের ঘোষণা নয়, দৃশ্যমান ও সমন্বিত পদক্ষেপ এখন জরুরি।

নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘরে-বাইরে মানুষের নিরাপত্তাবোধ ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। মাদক নিয়ন্ত্রণ, পেশাদার তদন্ত এবং অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা ছাড়া সেই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।