শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩

একের পর এক সংকটে বাড়তি চাপে মার্কিন নৌবাহিনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫৭ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
একের পর এক সংকটে বাড়তি চাপে মার্কিন নৌবাহিনী

মার্কিন নৌবাহিনী একের পর এক সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্রভিত্তিক সামরিক সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

জাহাজ নির্মাণে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে কারিগরি ত্রুটি। দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটছে। এ ছাড়া দীর্ঘ মোতায়েন নাবিকদের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। ফলে বিশ্বজুড়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন নৌবাহিনী এখন বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।

মার্কিন নৌবাহিনীর কারিগরি ত্রুটি

সম্প্রতি দক্ষিণ চীন সাগরে অভিযান চালাচ্ছিল ইউএসএস বেনফোল্ড। এ সময় জাহাজটিতে গুরুতর কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়।

গত ২৪ জুলাই জাহাজটির জেনারেটর বিকল হয়। ফলে এটি চার দিন বিদ্যুৎহীন ছিল। এতে খাবার সরবরাহ ব্যাহত হয়।

পাশাপাশি শৌচাগার ব্যবহারেও সমস্যা দেখা দেয়। শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও ব্যাহত হয়। বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেয়। বর্তমানে মার্কিন নৌবাহিনী ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করছে।

আরও পড়ুন: দৈনিক বাংলাভিউয়ের আন্তর্জাতিক সংবাদ

মার্কিন নৌবাহিনী দীর্ঘ মোতায়েন

এদিকে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে প্রায় ৫ হাজার নৌসদস্য রয়েছেন। তারা দীর্ঘ সময় ধরে সমুদ্রে আছেন।

গত নভেম্বর থেকে এই মোতায়েন শুরু হয়। পরে কয়েক দফা মেয়াদ বাড়ানো হয়। জাহাজটি ২৫০ দিনের বেশি সমুদ্রে রয়েছে।

এতে খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি পানির সমস্যাও রয়েছে। নষ্ট পাইপলাইন নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে নাবিকদের ক্লান্তি বেড়েছে। তবে মার্কিন নৌবাহিনী কিছু অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজে আগুন

অন্যদিকে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডে গত মার্চে আগুন লাগে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। জাহাজটির লন্ড্রি এলাকায় আগুনের সূত্রপাত হয়।

আগুন নিয়ন্ত্রণে ৩০ ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। এতে দুই নাবিক আহত হন। ধোঁয়ায় অনেকে অসুস্থ হন।

মার্কিন নৌবাহিনীর একাধিক দুর্ঘটনা

ইউএসএস হ্যারি এস ট্রুম্যানও গত বছর দুর্ঘটনার শিকার হয়। মিসরের পোর্ট সাঈদের কাছে সংঘর্ষটি ঘটে। একটি বাণিজ্যিক জাহাজের সঙ্গে এর সংঘর্ষ হয়।

এ ছাড়া লোহিত সাগরে দুটি এফ/এ-১৮ যুদ্ধবিমান হারায়। তদন্তে দুর্বল যোগাযোগের বিষয়টি উঠে আসে। সীমিত প্রশিক্ষণের কথাও উঠে আসে। পাশাপাশি অতিরিক্ত চাপ শনাক্ত হয়। এসব দুর্ঘটনায় ১০ কোটি ডলারের বেশি ক্ষতি হয়েছে।

মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ নির্মাণে বিলম্ব

সরকারি হিসাব পর্যবেক্ষণ সংস্থা জিএও এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিয়েছে। সংস্থাটির মতে, জাহাজ নির্মাণে বাজেট প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। গত দুই দশকে এই পরিবর্তন ঘটেছে।

তবে নৌবহরের আকার বাড়েনি। বরং গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে দীর্ঘ বিলম্ব হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: U.S. Government Accountability Office (GAO)

মার্কিন নৌবাহিনী নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

চীনের নৌবাহিনী দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ বাড়ছে। চীনের নৌবহরে ৩৭০টির বেশি জাহাজ রয়েছে। মার্কিন নৌ গোয়েন্দা দপ্তর এই তথ্য দিয়েছে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহরে ৩০০টিরও কম জাহাজ রয়েছে। কয়েক বছর ধরে এই সংখ্যা ৩০০-এর নিচে।

সব মিলিয়ে দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েন চাপ বাড়াচ্ছে। এর সঙ্গে রয়েছে রক্ষণাবেক্ষণ সমস্যা। পাশাপাশি জাহাজ নির্মাণেও বিলম্ব হচ্ছে। ফলে মার্কিন নৌবাহিনী বড় ধরনের সংকটের মুখে রয়েছে।

মেসিদের নতুন কোচ কিলি গঞ্জালেজ, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৯ এম
মেসিদের নতুন কোচ কিলি গঞ্জালেজ, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

ইন্টার মায়ামির নতুন কোচ হিসেবে আর্জেন্টিনার ক্রিস্তিয়ান আলবার্তো ‘কিলি’ গঞ্জালেজকে নিয়োগ দিয়েছে ক্লাবটি। তবে প্রয়োজনীয় ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার পরই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেবেন।

ততদিন অন্তর্বর্তী কোচ গিয়ের্মো হোয়োসই মেসিদের ডাগআউট সামলাবেন। ৫২ বছর বয়সী কিলির জন্ম আর্জেন্টিনার রোসারিও শহরে, লিওনেল মেসিরও জন্ম একই শহরে।

খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ৫৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। ইউরোপে ভ্যালেন্সিয়া ও ইন্টার মিলানের মতো বড় ক্লাবেও খেলেছেন এই সাবেক উইঙ্গার।

কিলি গঞ্জালেজের খেলোয়াড়ি ও কোচিং অভিজ্ঞতা

ভ্যালেন্সিয়ার হয়ে ২০০২ সালে লা লিগা জেতেন কিলি। পরে ইন্টার মিলানের হয়ে ২০০৬ সালে সিরি আ শিরোপার অংশ ছিলেন।

অবসরের নয় বছর পর ২০২০ সালে রোসারিও সেন্ট্রালের মাধ্যমে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি।

এরপর আর্জেন্টিনার ইউনিয়ন সান্তা ফে ও প্লাতেন্সের দায়িত্বও সামলেছেন কিলি। ইন্টার মায়ামির আগে প্লাতেন্স ছিল তার সর্বশেষ ক্লাব।

আন্তর্জাতিক ফুটবলের আরও খবর আরও জানুন দৈনিক বাংলাভিউয়ে।

এমএলএসের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মায়ামি এখন ইস্টার্ন কনফারেন্সে দ্বিতীয় স্থানে আছে। তাদের সংগ্রহ ৩৯ পয়েন্ট, শীর্ষে থাকা ন্যাশভিলের চেয়ে ১০ পয়েন্ট কম।

বিশ্বকাপ বিরতির পর দলটির পারফরম্যান্সে বড় ধাক্কা এসেছে।

ইন্টার মায়ামির নতুন কোচের বড় চ্যালেঞ্জ

সাম্প্রতিক পাঁচ ম্যাচে মায়ামি জয়হীন, এর মধ্যে চারটিতে হেরেছে দলটি। ফলে নতুন কোচের প্রধান দায়িত্ব হবে দ্রুত জয়ের ধারায় ফেরানো।

স্কোয়াডে মেসির পাশাপাশি লুইস সুয়ারেজ, রদ্রিগো দে পল ও কাসেমিরোর মতো তারকা রয়েছেন।

গত এপ্রিলে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে হাভিয়ের মাসচেরানো প্রধান কোচের পদ ছাড়েন।

এরপর হোয়োস অন্তর্বর্তী দায়িত্ব নেন। একই সঙ্গে ক্লাবের প্রধান ফুটবল কর্মকর্তা আলবার্তো মাররেরো স্পোর্টিং ডিরেক্টরের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

হোয়োসও সাম্প্রতিক সময়ে শাস্তির মুখে পড়েছেন। নির্ধারিত সময়ে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করতে মাঠে না ফেরার নিয়ম বারবার ভাঙায় তাকে এক ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে এমএলএস। ক্লাব ও হোয়োসকে জরিমানাও করা হয়েছে।

কিলির নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় অন্তর্বর্তী সময়ে দায়িত্ব পালনের জন্য হোয়োসকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ইন্টার মায়ামি।

ইন্টার মায়ামির নতুন কোচ কে ঘিরে পরবর্তী খবর আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স আপডেটে নজর রাখা যেতে পারে।

ওয়ার্ক পারমিট হাতে পাওয়ার পর কিলি তার কোচিং স্টাফসহ দায়িত্ব নেবেন।

তখন বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে নতুন অধ্যায় শুরু হবে।

রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র: আগস্টে ৬৪ কোটি ইউনিট উৎপাদন

বাংলাভিউ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫০ এম
রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র: আগস্টে ৬৪ কোটি ইউনিট উৎপাদন

রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানি সংকটের মধ্যেও জাতীয় গ্রিডে ধারাবাহিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। বাগেরহাটের এই কেন্দ্রের স্থাপিত ক্ষমতা এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট।

আগস্টের প্রথম ২৫ দিনে কেন্দ্রটি উল্লেখযোগ্য উৎপাদন ধরে রেখেছে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত কেন্দ্রটির অ্যাভেইলিবিলিটি ছিল ১০০ শতাংশ।

এ সময়ে প্রায় ৬৪ কোটি ৩৬ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে। গড় উৎপাদন ছিল প্রায় এক হাজার ৭৩ মেগাওয়াট।

আগস্টে ধারাবাহিক উৎপাদন ধরে রেখেছে রামপাল

এর আগে জুনেও রামপাল থেকে প্রায় ৮২ কোটি ৭৩ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল। তখন গড় উৎপাদন ছিল প্রায় এক হাজার ১৪৯ মেগাওয়াট।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্থিতিশীল উৎপাদন জাতীয় গ্রিডের চাপ সামলাতে সহায়তা করছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমানাথ পূজারী জানান, বর্তমানে দুটি ইউনিটই চালু রয়েছে।

এপ্রিল থেকে গ্রিডের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। আগামী অক্টোবর পর্যন্ত প্রয়োজনীয় কয়লাও মজুত রয়েছে বলে তিনি জানান।

দেশের বিদ্যুৎ খাতের অন্যান্য প্রতিবেদন আরও জানুন দৈনিক বাংলাভিউয়ে।

উৎপাদনের ধারাবাহিকতা থাকলে বাড়তি চাহিদার সময় রামপাল গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিতে পারবে।

বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের হাতে মূল পরিচালনা

মহাব্যবস্থাপক ও প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম বলেন, কেন্দ্রটির মূল পরিচালনা এখন বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের হাতে।

ভারতীয় প্রকৌশলীরা নতুন বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। বর্তমানে তারা মূলত উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

উপব্যবস্থাপক (অপারেশন) খাঁন নোমান শিবলী বলেন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃত মান অনুসরণ করে কেন্দ্রটি পরিচালনা করা হচ্ছে।

তার দাবি, পরিবেশগত সুরক্ষা বজায় রেখেই উৎপাদন চলছে। গ্রিডের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন ধরে রাখাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

এদিকে রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র অতীতে কয়লা সংকটসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার অভিজ্ঞতা দেখেছে।

তবে দুটি ইউনিট সচল থাকায় পরিস্থিতি এখন তুলনামূলক স্থিতিশীল। কর্মকর্তারা ভবিষ্যতেও চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ অব্যাহত রাখার আশা প্রকাশ করেছেন।

রামপালসহ বিদ্যুৎ খাতের দ্রুত আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজে নজর রাখা যেতে পারে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কয়লার মজুত ও ইউনিট সচল থাকলে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সহজ হবে।

সাম্প্রতিক উৎপাদন পরিসংখ্যান জ্বালানি সংকটের মধ্যেও কেন্দ্রটির সক্ষমতার চিত্র তুলে ধরছে।

তবে প্রকৃত সরবরাহ প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডের চাহিদার ওপর নির্ভর করছে। তাই স্থাপিত ক্ষমতা ও বাস্তব উৎপাদনের পার্থক্য বিবেচনায় রেখেই সক্ষমতা মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

নেপাল-তিব্বত বন্যায় মৃত্যু ৫৮৪, নিখোঁজ প্রায় আড়াই হাজার

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৮ এম
নেপাল-তিব্বত বন্যায় মৃত্যু ৫৮৪, নিখোঁজ প্রায় আড়াই হাজার

নেপাল-তিব্বত বন্যা প্রাণহানি ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বেড়েছে। সর্বশেষ হিসাবে নেপালে ৫৭৯ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। তিব্বতে আরও পাঁচজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ।

নেপালে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৯২৪ জনে পৌঁছেছে। তিব্বতে আরও পাঁচ শতাধিক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে দুই অঞ্চলে নিখোঁজের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে।

নেপাল-তিব্বত বন্যায় বাড়ছে প্রাণহানি ও নিখোঁজ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নতুন হ্রদ তৈরি হওয়ায় উদ্ধারকাজও জটিল হয়ে পড়েছে। তাই কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় উদ্ধারকারী দলকে সাময়িকভাবে পিছিয়ে যেতে হয়েছে।

হ্রদের পানি উপচে পড়ায় নতুন বন্যার আশঙ্কাও রয়েছে।

চিলিমে এলাকার জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মী কমল খারেল ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।

তার ভাষ্য, পুরো এলাকা ভূমিকম্পের মতো কাঁপছিল। বাইরে গিয়ে তিনি প্রচণ্ড জলরাশি ও সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো উঁচু স্রোত দেখেন।

অন্যদিকে নুয়াকোটের সোলে গ্রামের সাংবাদিক নিরাজন পৌড়েল নিখোঁজ বাবা-মা ও স্বজনদের খুঁজছেন। এখনো তাদের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় তিনি গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

নতুন হ্রদে বাড়ছে উদ্ধারকাজের ঝুঁকি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বলছে, ধসের ধ্বংসাবশেষে নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে নতুন হ্রদ সৃষ্টি হয়েছে। এর পানি বাড়লে আবারও আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে।

আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক খবর জানতে আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

এদিকে জাতিসংঘ জরুরি চিকিৎসা, আশ্রয় ও বিশুদ্ধ পানির জন্য ২০ লাখ ডলার বরাদ্দ করেছে।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা প্রধান টম ফ্লেচার এই বিপর্যয়কে ভয়াবহ বলে উল্লেখ করেছেন।

এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছাতে কাজ করছে।

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের সৃজনা গুরুং বলেছেন, নেপাল ধারাবাহিক জলবায়ু ধাক্কার মুখে রয়েছে।

তার মতে, বন্যা ও ভূমিধসের তীব্রতা এবং ঘনত্ব বাড়ছে। বিশুদ্ধ পানির সংকটে পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।

অন্যদিকে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মায়া ওয়াং তিব্বতে তথ্যপ্রবাহ ও প্রবেশাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

তিনি আন্তর্জাতিক গবেষক ও সাংবাদিকদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

রেড ক্রসের হিসাবে অন্তত ৯৩ হাজার মানুষ এই দুর্যোগে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

তাই উদ্ধার, চিকিৎসা, আশ্রয় ও বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত করাই এখন প্রধান অগ্রাধিকার।

নেপাল-তিব্বত বন্যা পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।