বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩

কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ ফেরাতে ডেপুটি হাইকমিশনের তৎপরতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২১ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ ফেরাতে ডেপুটি হাইকমিশনের তৎপরতা

কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ড-এর ঘটনায় নিহত সাত জন বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ সরকারি উদ্যোগে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার বিশেষ প্রক্রিয়া চলছে।

মূলত গত ১৮ আগস্ট রাতে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ফলে নিহতদের স্বজনদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

​বর্তমানে কলকাতার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন মরদেহগুলো স্বদেশে পাঠাতে জোর প্রশাসনিক তৎপরতা চালাচ্ছে। তবে সব প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ হলে শুক্রবারেই মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে পাঠানো সম্ভব হবে।

তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থানান্তর সম্পন্ন করতে তারা সার্বিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

​কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ড ও আইনি প্রক্রিয়া

​ভয়াবহ এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মোট নয়জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। কারণ এতে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিকের সাথে দুইজন ভারতীয় নাগরিকও মৃত্যুবরণ করেন।

নিহতদের মধ্যে রয়েছে ছয়জন পুরুষ, দুইজন নারী এবং একটি ছোট্ট শিশু। এছাড়া মেডিকেল কলেজ মর্গে সম্পন্ন হয়েছে নিহতদের ময়নাতদন্ত।

​ইতোমধ্যে ভারতীয় দুই নাগরিকের দেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

অন্যদিকে যেসব বাংলাদেশি নাগরিক অগ্নিকাণ্ডে পাসপোর্ট হারিয়েছেন তাদের বিশেষ ভ্রমণ পাস দেওয়া হচ্ছে। এই কাজে সহায়তায় থানায় জিডি করার বাধ্যবাধকতা শিথিল করা হয়েছে। এই সংক্রান্ত যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ আপডেট জানতে দৈনিক বাংলাভিউ-এর সাইটে আরও জানুন

​তদন্ত কার্যক্রম ও কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ড

​আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার আসল কারণ অনুসন্ধানে ব্যাপক তদন্তে নেমেছে।

ফলে নিরাপত্তার চরম গাফিলতির অভিযোগে হোটেলটির লিজ-হোল্ডারকে পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে।

এরপর ব্যাংকসাল আদালত তাকে ১২ দিনের বিশেষ তদন্ত হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

​এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পার্শ্ববর্তী একটি হোটেলের ম্যানেজারসহ আরও দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। সুতরাং শনিবারের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সকল মরদেহ দ্রুত দেশে পৌঁছানোর তীব্র আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর আবেদনের প্রেক্ষিতে ডেপুটি হাইকমিশন জরুরি বৈঠক করে উদ্ধার কার্যক্রম গতিশীল করছে।

​সব মিলিয়ে কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ড পরবর্তীতে দুর্ঘটনাকবলিত বাংলাদেশিদের সবরকম আইনি সহযোগিতায় ডেপুটি হাইকমিশনের কর্মকর্তারা দিনরাত আন্তরিকভাবে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।

নিহতদের পরিবারকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে কলকাতার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

সর্বশেষ তাজা আপডেট পেতে আমাদের অফিশিয়াল এক্স পেজে আরও জানতে যুক্ত থাকুন।

কী বলছে তথ্য?

পৃথিবীতে আগের চেয়ে বেশি ভূমিকম্প হচ্ছে?

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৯ এম
পৃথিবীতে আগের চেয়ে বেশি ভূমিকম্প হচ্ছে?

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনায় জনমনে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—পৃথিবীতে কি আগের চেয়ে বেশি ভূমিকম্প হচ্ছে? গত এক মাসে ইন্দোনেশিয়া, কলম্বিয়া ও মেক্সিকোতে ৭ বা তার বেশি মাত্রার তিনটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর আগে জুন মাসে ভেনেজুয়েলাতেও কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি বড় ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে গত এক দশকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ভূমিকম্পের সংখ্যা কিছুটা ওঠানামা করলেও তা এখনো স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে বছরে প্রায় ২০ হাজার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়, যার অর্থ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫৫টি ভূমিকম্প ঘটে। তবে এর বেশির ভাগই এতটাই দুর্বল যে মানুষ তা অনুভব করতে পারে না। সাধারণত ৬ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্পে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দেয়। ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বে প্রতি বছর গড়ে ১৩৩টি ৬ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালে এ ধরনের ভূমিকম্পের সংখ্যা ছিল ৯৯টি, আর ২০২১ সালে তা সর্বোচ্চ ১৫৭টিতে পৌঁছেছিল।

চলতি বছরের আগস্টের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ৬ বা তার বেশি মাত্রার ৯১টি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে ১১টি। যদিও এই সংখ্যা গত এক দশকের তুলনায় সামান্য বেশি গতিতে এগোচ্ছে বলে মনে হতে পারে, তবে বিজ্ঞানীদের মতে এটি অস্বাভাবিক কোনো প্রবণতা নয়। স্বস্তির বিষয় হলো, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৮ বা ৯ মাত্রার কোনো মহাভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো ভূমিকম্প কতটা প্রাণঘাতী হবে, তা শুধু এর মাত্রার ওপর নির্ভর করে না। ভূমিকম্পের গভীরতা, জনবসতির কত কাছে আঘাত হেনেছে, ভবনগুলোর নির্মাণমান এবং মাটির গঠন—এসব বিষয়ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রায় বড় ভূমিকা রাখে। অনেক সময় তুলনামূলক কম মাত্রার ভূমিকম্পও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ভয়াবহ প্রাণহানি ঘটাতে পারে।

ভূমিকম্পের কোনো নির্দিষ্ট মৌসুম নেই এবং এখন পর্যন্ত বড় ভূমিকম্পের সময় নির্ভুলভাবে পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার ঝুঁকি নির্ধারণ, শক্তিশালী ভবন নির্মাণ এবং আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা মানুষের প্রাণ বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ ভূমিকম্প ঘটে প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে থাকা ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে, যার মধ্যে জাপান, ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া জাভা থেকে হিমালয় হয়ে তুরস্ক ও ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত আলপাইন-হিমালয় অঞ্চলও শক্তিশালী ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পগুলো ভয়ের কারণ হলেও দীর্ঘমেয়াদি তথ্য এখনো কোনো অস্বাভাবিক প্রবণতার প্রমাণ দিচ্ছে না; বরং শক্তিশালী ভূমিকম্পের সংখ্যা স্বাভাবিক ওঠানামার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

বিইউবিটিতে রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি ডিরেক্টর পদে নিয়োগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৮ এম
বিইউবিটিতে রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি ডিরেক্টর পদে নিয়োগ

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বিইউবিটি) রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি ডিরেক্টর (জনসংযোগ) পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীদের আগামী ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

রেজিস্ট্রার পদের বিবরণ

  • পদসংখ্যা: ১টি।
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং ভালো একাডেমিক রেকর্ড থাকতে হবে।
  • অভিজ্ঞতা: সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক। একই ধরনের পদে কাজের অভিজ্ঞতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিকল্প হিসেবে সরকারি, আধা সরকারি বা করপোরেট প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক কাজে কমপক্ষে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেও আবেদন করা যাবে।
  • বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৬০ বছর।

ডেপুটি ডিরেক্টর (জনসংযোগ) পদের বিবরণ

  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর—উভয় পর্যায়েই কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণি/বিভাগ অথবা ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে।
  • অভিজ্ঞতা: কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী পরিচালক বা সহকারী রেজিস্ট্রার (জনসংযোগ) হিসেবে অথবা করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সমপর্যায়ের পদে কমপক্ষে ৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
  • বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৪০ বছর।

আবেদন প্রক্রিয়া

আগ্রহী প্রার্থীদের কভার লেটার, বিস্তারিত জীবনবৃত্তান্ত (সিভি), পাসপোর্ট সাইজের ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের কপি ও অভিজ্ঞতার সনদসহ প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রের হার্ড কপি সরাসরি জমা দিতে হবে। নিয়োগ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট বা নোটিশ বোর্ড থেকে যাচাই করে নেওয়া যেতে পারে।

চাকরির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • চাকরির তথ্যে যোগ হল: পদসংখ্যা: ১।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মর্যাদাপূর্ণ ফেরাতে বৈশ্বিক উদ্যোগ চান ঢাবি উপাচার্য

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মর্যাদাপূর্ণ ফেরাতে বৈশ্বিক উদ্যোগ চান ঢাবি উপাচার্য

সংকটে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন একমাত্র টেকসই সমাধান বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

তিনি বলেন, প্রত্যাবাসন হতে হবে স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ ও সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ যৌথভাবে আয়োজনটি করে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আন্তর্জাতিক উদ্যোগের তাগিদ

উপাচার্য বলেন, দীর্ঘদিন বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বহুমাত্রিক চাপের মুখে রয়েছে। ফলে দেশের অর্থনীতি, সমাজ এবং পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব বাড়ছে।

তার মতে, শুধু মানবিক সহায়তা দিয়ে এই সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব নয়।

তাই বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ চিহ্নিত করে কার্যকর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি জাতিসংঘ ও আসিয়ানের মতো বহুপাক্ষিক ফোরামকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে মিয়ানমারে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।

রোহিঙ্গা সংকটের আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

এছাড়া সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

নিরাপত্তা ও কূটনীতিতেও বাড়ছে চাপ

সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সংকটটি এখন জাতীয় নিরাপত্তা, কূটনীতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সঙ্গেও যুক্ত।

তার ভাষ্য, বাংলাদেশ নয় বছর ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে উদারতার পরিচয় দিয়েছে।

তবে এই দায়িত্ব অনির্দিষ্টকাল বহন করা সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এই সংকট সৃষ্টি করেনি এবং একা এর সমাধানও করতে পারবে না।

তাই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক চাপ ও সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগ জরুরি। সেমিনারের প্রথম প্যানেলে মানবিকতা ও জাতীয় নিরাপত্তার ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা হয়।

সেখানে দেশি-বিদেশি গবেষক, নিরাপত্তা বিশ্লেষক এবং রোহিঙ্গা প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

দ্বিতীয় প্যানেলে প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গকে আবার আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

আলোচনায় কূটনীতিক, সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং মিয়ানমারবিষয়ক বিশ্লেষকেরাও যুক্ত হন। অন্যদিকে উপাচার্য আবারও বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ছাড়া স্থায়ী সমাধান নেই.

সর্বশেষ আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন.