
বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক রূপ ধারণ করেছে, যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯৯১-এ পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে যে শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত তিনটি সন্দেহভাজন এবং একটি নিশ্চিত হামজনিত শিশুমৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে। একই সময়ে ৭৪ জন নতুন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং দৈনিক সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৪৩ জনে।
বর্তমানে দেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৩ হাজার ১০৫ জন। স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য জানতে আমাদের ওয়েবসাইটে আরো পড়ুন। একইসাথে তাজা সংবাদের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে যুক্ত হন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশে হাম সংক্রমণের ঝুঁকি
উচ্চ ঘোষণা করেছে এবং সেপ্টেম্বরের শেষে
দেশব্যাপী বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন যে টিকাদানের ঘাটতি পূরণ করতে এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেপ্টেম্বরের শেষদিকে দেশব্যাপী বিশেষ হাম টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। প্রয়োজনীয় টিকার পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং রাঙামাটি ও বান্দরবান ছাড়া বাকি সব জেলায় প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।
নিয়মিত টিকাদানের বাইরে থাকা শিশুদের এই নতুন কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এপ্রিলেই টিকাদানের ঘাটতি ও ব্যাপক সংক্রমণের কারণে শিশুদের উচ্চ স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা জানিয়েছিল।
এ পর্যন্ত দেশে মোট নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৬৪১ জন এবং ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২১ জন আক্রান্ত শিশু সুস্থ হয়ে ইতোমধ্যে হাসপাতাল ছেড়েছে। তবে চলমান সংক্রমণের ফলে অভিভাবকদের দ্রুত সময়ের মধ্যে শিশুদের সরকারি নির্দেশিকা মেনে টিকা দেওয়ার তাগিদ দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে বাদ পড়া শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারলে পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি আশা করা যাচ্ছে।
পরিশেষে বলা যায় যে সরকারি টিকাদান নির্দেশিকা মানা এবং প্রাথমিক লক্ষণ দেখলেই চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
স্বাস্থ্য খবরের সমস্ত তাজা খবরের আপডেট সরাসরি পেতে আমাদের অফিশিয়াল এক্স পেজে সর্বশেষ আপডেট পেতে ফলো করুন।