
হাম উপসর্গে মৃত্যু আরও বেড়েছে দেশে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৯৪ জন। এতে মোট প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬ জনে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ তথ্য থেকে এ চিত্র পাওয়া গেছে। আগের দিন মোট মৃত্যু ছিল ১ হাজার ২ জন। নতুন চার মৃত্যুর পর সেই সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে আরও বেড়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৯০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিশ্চিত হামে মারা গেছেন আরও ১০০ জন। সব মিলিয়ে হাম ও উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। নিশ্চিত হামে মোট মৃত্যু ১০০ জনেই রয়েছে।
নতুন চার মৃত্যুই হামের উপসর্গ নিয়ে হয়েছে। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে নতুন কোনো মৃত্যুর তথ্য নেই। স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন।
একই সময়ে সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ১৯৪ জন শনাক্ত হয়েছেন। সাম্প্রতিক দিনগুলোতেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারের ওপরে রয়েছে।
হাম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি ও শ্বাসতন্ত্রের নিঃসরণের মাধ্যমে ভাইরাসটি দ্রুত ছড়াতে পারে। শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।
দেশে কয়েক মাস ধরে হাম ও হামের মতো উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। একই সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যাও এক হাজারের সীমা অতিক্রম করেছে।
বিশেষজ্ঞরা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। পাশাপাশি জ্বর, কাশি ও শরীরে ফুসকুড়ির মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। দৈনিক আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে প্রকাশ করা হচ্ছে।
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু হাজার ছুঁইছুঁই
ডেঙ্গুতে এক দিনে ভর্তি ৯৮৮, দুজনের মৃত্যু
তিন বছরের সর্বোচ্চ ডেঙ্গু সংক্রমণ, সেরোটাইপে উদ্বেগ
সর্বশেষ স্বাস্থ্য ও জাতীয় আপডেট পেতে এক্সে দৈনিক বাংলাভিউয়ের সঙ্গে যুক্ত হোন।