বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ করার উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, ভিসার খরচ কমানো, আবেদন কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো এবং ভিসা দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে কাজ চলছে। লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের আবেদন প্রক্রিয়ায় ভোগান্তি কমানো।
বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসার চাহিদা দীর্ঘদিন ধরেই বেশি। চিকিৎসা, ব্যবসা, শিক্ষা ও পর্যটনের জন্য প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষ ভারতে যান। এ কারণে ভিসা সেবা আরও সহজ ও বিস্তৃত করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে ভারতীয় পক্ষ।
দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই চাহিদা সামাল দিতে নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যমান কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতাও বাড়ানো হবে।
তিনি সাধারণ মানুষের ভিসা-সংক্রান্ত ব্যয় কমানোর বিষয়েও কাজ করার কথা বলেছেন। তবে কোন ফি কমবে বা নতুন কেন্দ্র কোথায় হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত ঘোষণা আসেনি।
বাংলাদেশিদের ভিসা পেতে খরচ কমানো, আবেদন কেন্দ্র বাড়ানো এবং ভিসা দেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে ভারত।
প্রায় দুই বছর সীমিত থাকার পর গত ২৮ জুন থেকে বাংলাদেশিদের পর্যটন ভিসার আবেদন আবার গ্রহণ শুরু করে ভারত। প্রথম পর্যায়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনার পাঁচটি কেন্দ্র থেকে আবেদন নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে চিকিৎসা, ব্যবসা ও জরুরি প্রয়োজনে বিভিন্ন ভিসা সীমিতভাবে দেওয়া হচ্ছিল। স্বাভাবিক ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর পর আবেদনকারীদের চাপও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনের আরও খবর পড়ুন দৈনিক বাংলাভিউয়ে।
ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার পরিকল্পনা থাকলেও দীর্ঘমেয়াদি বা মাল্টিপল-এন্ট্রি সুবিধা বাড়ানোর বিষয়ে নতুন কোনো আনুষ্ঠানিক নীতিমালা প্রকাশ হয়নি। তাই এসব সুবিধার পরিধি কতটা বাড়বে, তা এখনই নিশ্চিত নয়।
ভারতীয় হাইকমিশন আবেদনকারীদের শুধু অনুমোদিত প্রক্রিয়া অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছে। দ্রুত ভিসা বা নিশ্চিত অ্যাপয়েন্টমেন্টের নামে অননুমোদিত মধ্যস্থতাকারীদের অর্থ না দিতেও সতর্ক করা হয়েছে।
ভিসা সেবার সক্ষমতা বাড়লে বাংলাদেশি পর্যটক, রোগী, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াত আরও সহজ হতে পারে। এতে দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ এবং বাণিজ্যিক সম্পর্কও উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বশেষ আপডেট পেতে এক্সে দৈনিক বাংলাভিউয়ের সঙ্গে যুক্ত হোন।