
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ভ্রমণসংক্রান্ত বৈদেশিক মুদ্রার ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একজন প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে বার্ষিক বৈদেশিক মুদ্রা গ্রহণের সর্বোচ্চ সীমা ১২ হাজার মার্কিন ডলার থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়িয়ে ১৮ হাজার মার্কিন ডলার উন্নীত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
নতুন অনুমোদিত নির্দেশনা বাস্তবায়নের ফলে ডিলার ব্যাংকগুলো একজন নাগরিকের অনুকূলে প্রতি ক্যালেন্ডার বছরে সর্বোচ্চ ১৮ হাজার মার্কিন ডলার সমপরিমাণ অর্থ অবমুক্ত করতে সক্ষম হবে। দৈনিক বাংলাভিউ-এর বিশেষ অর্থনীতি প্রতিবেদনে নতুন এই নির্দেশনার বিস্তারিত আলোচনা নিচে তুলে ধরা হলো।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জারি করা নির্দেশনায় স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে পূর্বের নিয়মই বহাল থাকছে। শিশুদের নির্ধারিত বৈদেশিক মুদ্রা গ্রহণের সুযোগ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বরাদ্দকৃত মোট অনুমোদিত সীমার ঠিক ৫০ শতাংশ বা অর্ধেক রাখা হয়েছে।
প্রয়োজনীয় অন্যান্য দাপ্তরিক শর্ত সাপেক্ষে ব্যাংকগুলো শিশুদের জন্য নির্দিষ্ট এই অর্ধেক পরিমাণ মুদ্রা পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্টের মাধ্যমে অবমুক্ত করতে পারবে। নিয়মিত আন্তর্জাতিক সংবাদের নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে অনুসরণ করুন।
সামগ্রিক ভ্রমণ কোটা বৃদ্ধি পেলেও নগদ নোট হিসেবে ডলার গ্রহণের নিয়মে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। একজন ভ্রমণকারী বরাদ্দকৃত মোট কোটার মধ্য থেকে সর্বাধিক ৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত নগদ নোট আকারে সাথে নিতে পারবেন।
অবশিষ্ট অর্থ অনুমোদিত ব্যাংকিং চ্যানেল, আন্তর্জাতিক ডেবিট কিংবা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ভ্রমণকালে ব্যবহার করতে হবে। অর্থনীতি ও ব্যাংক সংক্রান্ত সব ধরণের ব্রেকিং আপডেট দেখতে চোখ রাখুন আমাদের টুইটার পেজ-এ।
প্রকৃত ভ্রমণকারীদের বাস্তব চাহিদা ও আন্তর্জাতিক ব্যয় বৃদ্ধি মূল্যায়ন করেই বাংলাদেশ ব্যাংক এমন উদার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে প্রজ্ঞাপনে নিশ্চিত করা হয়। উক্ত পরিবর্তন ব্যতীত ভ্রমণসংক্রান্ত বৈদেশিক মুদ্রা ছাড় করার বাকি অন্যান্য শর্তাবলী ও আইনি নির্দেশনাগুলো পুরোপুরি অপরিবর্তিত থাকবে।
খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ফলে বিদেশে চিকিৎসা, বাণিজ্য ও উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে গমনকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের মুদ্রা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের ভোগান্তি বহুলাংশে নিরসন হবে।