ময়মনসিংহে অবৈধ সার মজুত, ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার জরিমানা

ময়মনসিংহে অবৈধ সার মজুত ঘটনায় ঈশ্বরগঞ্জে এক খুচরা ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার উচাখিলা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমান নেতৃত্ব দেন। অভিযানে নুর এ আলম নামের এক খুচরা সার বিক্রেতার দোকান তল্লাশি করা হয়।
সেখানে অবৈধভাবে মজুত রাখা ৬০০ বস্তা সার পাওয়া যায় বলে প্রশাসন জানায়। কৃষি ও স্থানীয় প্রশাসনের নিয়মিত খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখুন।
ময়মনসিংহে অবৈধ সার মজুত: ব্যবসায়ীর শাস্তি
ইউএনও সানজিদা রহমান জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উচাখিলা বাজারে অভিযান চালানো হয়। পরে নুর এ আলমের দোকান থেকে ৬০০ বস্তা মজুত সার পাওয়া যায়।
এরপর তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা এবং এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
একই অভিযানে শ্যামল চন্দ্র সাহা নামের আরেক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধেও নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া যায়।
পরে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাও ভ্রাম্যমাণ আদালতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে অভিযান
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কৃষকদের কাছে সারের সঠিক বিপণন নিশ্চিত করতেই সরকারি নির্দেশনায় অভিযানটি পরিচালিত হয়েছে।
তাই সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বাজারে সার সরবরাহ ও বিক্রির নিয়ম যথাযথভাবে মানার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ইউএনও বলেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে জব্দ বা উদ্ধার হওয়া সারের পরবর্তী ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে প্রতিবেদনে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
তবে প্রশাসনের বক্তব্যে বাজারে সারের সঠিক বিপণন নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সরকারি নির্দেশনা মেনে সার বিক্রির বিষয়ে সতর্ক থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
উচাখিলা বাজারের এই অভিযানে দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পৃথক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এক ব্যবসায়ী কারাদণ্ড ও জরিমানা পেয়েছেন, আর অন্যজনকে শুধু জরিমানা করা হয়েছে।
এ ধরনের স্থানীয় অভিযানের আপডেট জানতে আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ দেখুন।
ময়মনসিংহে অবৈধ সার মজুত ঘটনায় প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কৃষকদের স্বার্থরক্ষার অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
ইউএনওর ভাষ্য অনুযায়ী, সারের সঠিক বিপণন নিশ্চিত করাই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
তাই একই ধরনের অভিযান সামনের দিনগুলোতেও চলবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

