শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

মন্ত্রিসভায় রদবদল ও নতুন মুখ আসার সম্ভাবনা, দ্রুতই আসছে প্রজ্ঞাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৮ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মন্ত্রিসভায় রদবদল ও নতুন মুখ আসার সম্ভাবনা, দ্রুতই আসছে প্রজ্ঞাপন

মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা চলছে। কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি নতুন মুখ যুক্ত হতে পারেন। দ্রুতই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন আসতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হয়েছে। এই সময়ে মন্ত্রণালয়গুলোর কাজ পর্যালোচনা করেছেন সরকারপ্রধান। প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করাই এর লক্ষ্য।

মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে সক্রিয় আলোচনা

সূত্রগুলোর মতে, দু-তিনটি মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন আসতে পারে। নতুন কয়েকজনকেও দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে দ্রুত সিদ্ধান্ত আসবে।

আগামী ২২ আগস্টের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। তবে সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ে নতুন মুখের আলোচনা

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জন্য একটি নাম আলোচনায় রয়েছে। তিনি বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী। তাঁকে মন্ত্রী করার আলোচনা চলছে।

বর্তমানে মন্ত্রণালয়টিতে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী নেই। গত ১ জুন পদত্যাগ করেন অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি দায়িত্ব ছাড়েন।

দীপেন দেওয়ান ১৭ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহধর্মবিষয়ক সম্পাদক। তাঁর পদত্যাগের পর পদটি শূন্য রয়েছে।

তবে মন্ত্রণালয়ে একজন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। দায়িত্ব পালন করছেন মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীর দায়িত্বে বর্তমানে কেউ নেই।

ধর্ম মন্ত্রণালয়েও নতুন দায়িত্বের সম্ভাবনা

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও নতুন নাম আলোচনায় এসেছে। তিনি গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।

তবে সাচিং প্রু জেরী বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। শামীম কায়সার লিংকনও আনুষ্ঠানিক বার্তা পাননি। বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি শুনেছেন তাঁরা।

বুধবার বিকাল পর্যন্ত শীর্ষ পর্যায় থেকে তাঁদের নিশ্চিত করা হয়নি। তাই বিষয়টি এখনো সম্ভাবনার পর্যায়েই রয়েছে।

বর্তমান সরকারের মন্ত্রীদের দায়িত্বের তালিকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইটে দেখা যায়।

স্থানীয় সরকার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়ে আলোচনা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর পরিবর্তন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়েও নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের পর তাঁর বঙ্গভবনে যাওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।

এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে সালাহউদ্দিন আহমদের নাম আলোচিত হচ্ছে। বর্তমানে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় দেওয়া হতে পারে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ্যানির নাম নিয়ে গুঞ্জন

সালাহউদ্দিন আহমদের দায়িত্ব বদল হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নতুন মন্ত্রী প্রয়োজন হবে। এ ক্ষেত্রে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নাম আলোচনায় রয়েছে।

বর্তমানে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন এ্যানি। তবে এই আলোচনা নিয়ে তিনি গণমাধ্যমে বিব্রতবোধের কথা জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁকে নিয়ে বিভিন্ন খবর ছড়িয়েছে। কিছু গণমাধ্যমেও একই ধরনের খবর এসেছে। এসব খবরে তিনি বিব্রত বলে জানিয়েছেন।

মন্ত্রিসভায় রদবদল টেকনোক্রেটদের সম্ভাবনা

মন্ত্রিসভায় রদবদল শুধু সংসদ সদস্যদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। টেকনোক্রেট কোটায়ও নতুন মুখ আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে রুহুল কবির রিজভীর নাম আলোচিত হচ্ছে। আন্দালিব রহমান পার্থের নামও রাজনৈতিক মহলে রয়েছে। আলোচনায় আছেন লুৎফুজ্জামান বাবর।

এ ছাড়া ড. আসাদুজ্জামান রিপনের নামও শোনা যাচ্ছে। সংসদের হুইপদের মধ্য থেকেও কেউ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন।

আরও কয়েক নেতার নাম আলোচনায়

বিগত সরকারের সময়ে নির্যাতিত নেতারাও গুরুত্ব পেতে পারেন। মামলা ও হামলার শিকার নেতাদের মূল্যায়নের আলোচনা রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে শামসুজ্জামান দুদুর নাম উচ্চারিত হচ্ছে। সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালও আলোচনায় রয়েছেন। হাবিব উন নবী খান সোহেলের নামও রয়েছে।

তবে এসব নাম নিয়ে এখনো সরকারি ঘোষণা আসেনি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য প্রজ্ঞাপন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

রাজনীতির আরও খবর ও সরকারি সিদ্ধান্তের আপডেট পেতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের জাতীয় সংবাদ পড়তে পারেন।

মন্ত্রিসভায় রদবদল দ্রুত আসতে পারে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন

সব মিলিয়ে সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমে পরিবর্তনের আভাস রয়েছে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বদল হতে পারে। নতুন মুখও যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে সম্ভাব্য দায়িত্ব বণ্টন এখনো চূড়ান্ত নয়। আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপনেই পরিবর্তনের পূর্ণ চিত্র জানা যাবে।

সৌদির আগুনে নিহত আত্রাইয়ের সাত প্রবাসীর জানাজা সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
সৌদির আগুনে নিহত আত্রাইয়ের সাত প্রবাসীর জানাজা সম্পন্ন

সৌদির রিয়াদে সোফা কারখানার আগুনে নিহত আত্রাইয়ের সাত প্রবাসীর জানাজা শুক্রবার সকালে সম্পন্ন হয়েছে। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে আত্রাইয়ের মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে একসঙ্গে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে পরিচয় শনাক্ত হওয়া নয়জনের মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়। তাদের মধ্যে সাতজনের বাড়ি নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়। এরপর রাত দেড়টার দিকে বিশেষ ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহগুলো আত্রাইয়ে নেওয়া হয়।

আত্রাইয়ের সাত প্রবাসীর জানাজায় শোকের আবহ

নিহতরা হলেন উদনপৈ গ্রামের মো. ফরিদ এবং গণ্ডগোহালী গ্রামের রুবেল প্রামাণিক, মোহন আলী ও সুমন আলী।

একই গ্রামের কলিমুদ্দিন এবং ডুবাই গ্রামের সোহেল রানাও নিহতদের মধ্যে রয়েছেন। পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরদারও এই সাতজনের একজন।

এদিকে মরদেহগুলো আত্রাইয়ে পৌঁছানোর পর রাত থেকেই থানা কম্পাউন্ডে স্বজন ও স্থানীয়দের ভিড় বাড়তে থাকে।

একনজর প্রিয়জনদের দেখতে এসে অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। ফলে পুরো এলাকায় শোকের পরিবেশ তৈরি হয়।

আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে প্রশাসন সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছে।

জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে বিনা খরচে অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহগুলো আত্রাইয়ে আনা হয়।

প্রবাসী ও দেশের আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

জানাজা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর

সম্মিলিত জানাজা শেষে সাতজনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এরপর পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে নিজ নিজ গ্রামের উদ্দেশে রওনা হন। এছাড়া গণ্ডগোহালী গ্রামের চারজনের জানাজা পরে নিজ গ্রামেও অনুষ্ঠিত হয়।

সৌদি আরবের রিয়াদের ওই সোফা কারখানায় ৯ আগস্ট ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

এতে মোট ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হন বলে সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। পরে সৌদি কর্তৃপক্ষ আঙুলের ছাপ পরীক্ষার মাধ্যমে নয়জনের পরিচয় নিশ্চিত করে।

পরিচয় নিশ্চিত হওয়া নয়জনের মধ্যে সাতজন আত্রাইয়ের বাসিন্দা। অন্যদিকে অন্য দুজনের বাড়ি নাটোরের নলডাঙ্গা ও রাজশাহীর বাগমারায়।

বাকি মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্ত ও দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নওগাঁর জেলা প্রশাসন নিহত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

পাশাপাশি বাকি মরদেহ দ্রুত শনাক্ত করে দেশে ফেরানোর দাবিও জানিয়েছেন স্বজনরা।

আত্রাইয়ের সাত প্রবাসীর বিষয়ে পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলা ও সমঝোতার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪২ এম
কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলা ও সমঝোতার অভিযোগ

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু ঘিরে সাউথ চট্টগ্রাম হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে কন্যাশিশুটির মৃত্যু হয়। শিশুটির বাবা মো. নাঈম ও মা নিফা আক্তারের বাড়ি আনোয়ারা উপজেলায়।

পরিবার জানায়, প্রসবজনিত কারণে ১৬ আগস্ট নিফা আক্তারকে শিকলবাহার ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেদিন রাত দেড়টার দিকে তার সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। অস্ত্রোপচারের পর মা সুস্থ থাকলেও নবজাতকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে পরিবার উদ্বিগ্ন ছিল।

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু নিয়ে পরিবারের অভিযোগ

নাঈমের অভিযোগ, হাসপাতালে থাকা অবস্থায় চিকিৎসকদের বারবার ডাকলেও সময়মতো সাড়া পাওয়া যায়নি।

রাতে ও ভোরে চিকিৎসকের উপস্থিতি চাইলেও যথাযথ সেবা মেলেনি বলে দাবি তার। এই অবহেলার কারণেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

পরিবারের দাবি, মৃত্যুর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আর্থিক সমঝোতার আলোচনা হয়। এক লাখ টাকার রফাদফার গুঞ্জনের মধ্যে নাঈম প্রায় ৮০ হাজার টাকা লেনদেনের কথা জানিয়েছেন।

তার ভাষ্য, বিল ও চিকিৎসা খরচ বাদ দিয়ে ৪০ হাজার টাকা বড় ভাই ইদ্রিসকে দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও স্থানীয় আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

নাঈম বলেন, স্ত্রী এখনো একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় সম্ভাব্য হয়রানি নিয়েও পরিবার উদ্বিগ্ন।

হাসপাতালের বক্তব্য ও তদন্ত কমিটি

তবে হাসপাতালের ম্যানেজার নজরুল ইসলাম এক লাখ টাকার সমঝোতার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

তার দাবি, নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা সত্য হলেও এমন লেনদেন সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, জন্মের পর থেকেই শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না।

ঘটনাটি কর্ণফুলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের নজরে এসেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোছাম্মৎ জেবুন্নেছা বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানিয়েছেন এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সিভিল সার্জনের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

ডা. জেবুন্নেছা বলেন, আর্থিক লেনদেনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ তাদের কাছে জমা পড়েনি।

তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ এবং কারও দায় ছিল কি না, তা স্পষ্ট হবে।

পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ প্রকাশের দাবি জানিয়েছে।

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু নিয়ে তাই তদন্তের ফল এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতিতে বাড়ছে এজেন্সিগুলোর আর্থিক ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪২ এম
ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতিতে বাড়ছে এজেন্সিগুলোর আর্থিক ঝুঁকি

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতি নিয়ে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জিডিএস-ইস্যুকৃত টিকিট বাতিল, এডিএম এবং অনিয়মিত বুকিং নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি বাড়িয়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থাটি।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইস্যু করা টিকিট একই দিনে বাতিল করতে হবে। সেটিও প্রথম ফ্লাইট ছাড়ার অন্তত ৭২ ঘণ্টা আগে করতে হবে। একই সঙ্গে বুকিংয়ের সব ফ্লাইট সেগমেন্ট একসঙ্গে বাতিল করতে হবে।

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতিতে কোথায় কড়াকড়ি

উদাহরণ হিসেবে ঢাকা-দুবাই-মদিনা রুটের কোনো একটি সেগমেন্ট রেখে অন্যটি বাতিল করা যাবে না। এমন কার্যক্রম নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

যাত্রার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল কার্যত নিষিদ্ধের পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

নিয়ম ভাঙলে ১০০ মার্কিন ডলার জরিমানা আরোপ হতে পারে। এর সঙ্গে প্রযোজ্য নো-শো চার্জ এবং অতিরিক্ত ৫০ ডলার প্রশাসনিক ফিও যোগ হতে পারে।

ফলে ছোট ভুলও এজেন্সির জন্য বড় আর্থিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

খাতসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, আগে অনেক ক্ষেত্রে ভুল সংশোধনের সুযোগ ছিল। তবে নতুন কড়াকড়িতে পরিবারভিত্তিক বা দলীয় বুকিংয়ে ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

ভ্রমণ ও এভিয়েশনের আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

এজেন্সিগুলোর জন্য বাড়ছে সতর্কতার প্রয়োজন

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অতীতে টিকিট ইস্যু করে আসন আটকে রাখার অভিযোগ ছিল।

ফ্লাইট সেগমেন্ট বাতিল না করেই টিকিট বাতিল দেখানোর ঘটনাও ঘটত। শেষ মুহূর্তের বুকিং ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও ছিল।

নতুন নীতির লক্ষ্য এসব অনিয়ম কমানো এবং আসন ব্যবস্থাপনা আরও সুশৃঙ্খল করা। খাতসংশ্লিষ্টদের একাংশ মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদে পেশাদার এজেন্টদের জন্য এটি ইতিবাচক হতে পারে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে এজেন্সিগুলোকে এখন আরও সতর্ক থাকতে হবে।

ভিসা জটিলতা, চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থা বা যাত্রীর হঠাৎ পরিকল্পনা বদল বিশেষ সমস্যা তৈরি করতে পারে।

কারণ সময় ঘনিয়ে এলে জরিমানা এড়ানোর সুযোগ সীমিত হয়ে যায়।

এদিকে ইউএস-বাংলার অফিসিয়াল নীতিতে এজেন্সি থেকে কেনা টিকিটের রিফান্ড সংশ্লিষ্ট এজেন্সির মাধ্যমেই করতে বলা হয়েছে।

সেখানে বাতিল চার্জ টিকিটের ভাড়ার শর্ত অনুযায়ী প্রযোজ্য হওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

যাত্রীদেরও টিকিট ইস্যুর আগে তারিখ, গন্তব্য, পাসপোর্ট তথ্য এবং ভ্রমণ পরিকল্পনা ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতি সম্পর্কে আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।