শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

এসিআর পরিবর্তনের অভিযোগে পটুয়াখালীর ৬ ভূমি কর্মকর্তার বেতন বৃদ্ধি স্থগিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৫ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
এসিআর পরিবর্তনের অভিযোগে পটুয়াখালীর ৬ ভূমি কর্মকর্তার বেতন বৃদ্ধি স্থগিত

পটুয়াখালীর ভূমি কর্মকর্তাদের শাস্তি হিসেবে ছয়জনের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করেছে বরিশাল বিভাগীয় প্রশাসন।

এসিআরের নম্বর অনুমোদন ছাড়া পরিবর্তনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তাই বিভাগীয় প্রশাসন এই শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কর্মকর্তাদের বেতন বৃদ্ধি ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এই সময়ে তারা পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন না।

পটুয়াখালীর ভূমি কর্মকর্তাদের শাস্তি: অভিযোগের বিবরণ

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিভিন্ন বছরের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন যাচাই করেছে বিভাগীয় প্রশাসন। এতে নম্বর পরিবর্তনের প্রমাণ পাওয়া যায়।

প্রতিস্বাক্ষরকারী কর্মকর্তার দেওয়া নম্বর পরিবর্তন করেছিলেন অভিযুক্তরা। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া হয়নি।

অননুমোদিত পরিবর্তন সরকারি নথির গোপনীয়তা ও স্বচ্ছতার পরিপন্থী। প্রশাসন ঘটনাটিকে গুরুতর অসদাচরণ হিসেবে বিবেচনা করেছে।

তদন্তে শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালার ৩(খ) বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ মেলে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী দণ্ড দেওয়া হয়।

বিধিমালার ৪(২)(খ) বিধি অনুযায়ী তাদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত হয়েছে। শাস্তির মেয়াদ ২০২৮ সালের জুনে শেষ হবে।

শাস্তি পাওয়া ছয় কর্মকর্তার পরিচয়

আমখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তানিয়া আক্তার ঝুমা শাস্তি পেয়েছেন। একই তালিকায় রয়েছেন পটুয়াখালী সদরের মোহাম্মদ মাহাতাব।

মাহাতাব বর্তমানে পৌর ভূমি অফিসে সংযুক্ত রয়েছেন। বাউফলের ধুলিয়া ইউনিয়নের মোহাম্মদ আল কাউছারও দণ্ড পেয়েছেন।

গলাচিপার ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা এ এস এম মুরাদুল ইসলাম তালিকায় রয়েছেন। তার বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

রাঙ্গাবালীর চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের মোহাম্মদ আবু আসকরও শাস্তি পেয়েছেন। দশমিনার রণগোপালদীর মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামও দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন।

বিভাগীয় মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত

অভিযোগ পাওয়ার পর প্রত্যেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক বিভাগীয় মামলা করা হয়। তাদের কারণ দর্শানোর সুযোগ দেয় কর্তৃপক্ষ।

অভিযুক্তরা নির্ধারিত সময়ে লিখিত জবাব জমা দেন। ব্যক্তিগত শুনানিতেও তারা নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

এরপর সংশ্লিষ্ট তথ্য, প্রতিবেদন ও নথিপত্র বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। দীর্ঘ পর্যালোচনায় অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

বুধবার বিভাগীয় মামলাগুলো নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত আদেশ দেওয়া হয়। এতে ছয় কর্মকর্তার জন্য একই শাস্তি নির্ধারিত হয়েছে।

শাস্তির আদেশ প্রত্যেক কর্মকর্তার চাকরির নথিতে স্থায়ীভাবে লিপিবদ্ধ হবে। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত তাদের পদোন্নতিও বন্ধ থাকবে।

পটুয়াখালীর ভূমি কর্মকর্তাদের শাস্তি ও কঠোর বার্তা

পটুয়াখালীর ভূমি কর্মকর্তাদের শাস্তি প্রশাসনে কঠোর বার্তা দিয়েছে। সরকারি নথির যথার্থতা রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ দায়িত্ব পালনে সততা ও শৃঙ্খলার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলেছেন।

তার মতে, নথিতে অননুমোদিত পরিবর্তন প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তথ্য বিকৃতির অভিযোগও গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত হবে।

প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

বিভাগীয় প্রশাসন নথির নির্ভুলতাকে জবাবদিহির প্রধান ভিত্তি মনে করে। তাই অনিয়ম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।

পটুয়াখালীর ভূমি কর্মকর্তাদের শাস্তি অন্য সরকারি কর্মচারীদের জন্যও সতর্কবার্তা। সিদ্ধান্তটি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার বার্তা দিয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাভিউয়ের সর্বশেষ জাতীয় সংবাদ

ভিডিও সংবাদ: বাংলাভিউয়ের ভিডিও সংবাদ দেখুন

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলা ও সমঝোতার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪২ এম
কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলা ও সমঝোতার অভিযোগ

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু ঘিরে সাউথ চট্টগ্রাম হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে কন্যাশিশুটির মৃত্যু হয়। শিশুটির বাবা মো. নাঈম ও মা নিফা আক্তারের বাড়ি আনোয়ারা উপজেলায়।

পরিবার জানায়, প্রসবজনিত কারণে ১৬ আগস্ট নিফা আক্তারকে শিকলবাহার ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেদিন রাত দেড়টার দিকে তার সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। অস্ত্রোপচারের পর মা সুস্থ থাকলেও নবজাতকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে পরিবার উদ্বিগ্ন ছিল।

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু নিয়ে পরিবারের অভিযোগ

নাঈমের অভিযোগ, হাসপাতালে থাকা অবস্থায় চিকিৎসকদের বারবার ডাকলেও সময়মতো সাড়া পাওয়া যায়নি।

রাতে ও ভোরে চিকিৎসকের উপস্থিতি চাইলেও যথাযথ সেবা মেলেনি বলে দাবি তার। এই অবহেলার কারণেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

পরিবারের দাবি, মৃত্যুর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আর্থিক সমঝোতার আলোচনা হয়। এক লাখ টাকার রফাদফার গুঞ্জনের মধ্যে নাঈম প্রায় ৮০ হাজার টাকা লেনদেনের কথা জানিয়েছেন।

তার ভাষ্য, বিল ও চিকিৎসা খরচ বাদ দিয়ে ৪০ হাজার টাকা বড় ভাই ইদ্রিসকে দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও স্থানীয় আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

নাঈম বলেন, স্ত্রী এখনো একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় সম্ভাব্য হয়রানি নিয়েও পরিবার উদ্বিগ্ন।

হাসপাতালের বক্তব্য ও তদন্ত কমিটি

তবে হাসপাতালের ম্যানেজার নজরুল ইসলাম এক লাখ টাকার সমঝোতার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

তার দাবি, নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা সত্য হলেও এমন লেনদেন সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, জন্মের পর থেকেই শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না।

ঘটনাটি কর্ণফুলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের নজরে এসেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোছাম্মৎ জেবুন্নেছা বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানিয়েছেন এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সিভিল সার্জনের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

ডা. জেবুন্নেছা বলেন, আর্থিক লেনদেনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ তাদের কাছে জমা পড়েনি।

তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ এবং কারও দায় ছিল কি না, তা স্পষ্ট হবে।

পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ প্রকাশের দাবি জানিয়েছে।

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু নিয়ে তাই তদন্তের ফল এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতিতে বাড়ছে এজেন্সিগুলোর আর্থিক ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪২ এম
ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতিতে বাড়ছে এজেন্সিগুলোর আর্থিক ঝুঁকি

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতি নিয়ে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জিডিএস-ইস্যুকৃত টিকিট বাতিল, এডিএম এবং অনিয়মিত বুকিং নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি বাড়িয়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থাটি।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইস্যু করা টিকিট একই দিনে বাতিল করতে হবে। সেটিও প্রথম ফ্লাইট ছাড়ার অন্তত ৭২ ঘণ্টা আগে করতে হবে। একই সঙ্গে বুকিংয়ের সব ফ্লাইট সেগমেন্ট একসঙ্গে বাতিল করতে হবে।

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতিতে কোথায় কড়াকড়ি

উদাহরণ হিসেবে ঢাকা-দুবাই-মদিনা রুটের কোনো একটি সেগমেন্ট রেখে অন্যটি বাতিল করা যাবে না। এমন কার্যক্রম নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

যাত্রার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল কার্যত নিষিদ্ধের পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

নিয়ম ভাঙলে ১০০ মার্কিন ডলার জরিমানা আরোপ হতে পারে। এর সঙ্গে প্রযোজ্য নো-শো চার্জ এবং অতিরিক্ত ৫০ ডলার প্রশাসনিক ফিও যোগ হতে পারে।

ফলে ছোট ভুলও এজেন্সির জন্য বড় আর্থিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

খাতসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, আগে অনেক ক্ষেত্রে ভুল সংশোধনের সুযোগ ছিল। তবে নতুন কড়াকড়িতে পরিবারভিত্তিক বা দলীয় বুকিংয়ে ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

ভ্রমণ ও এভিয়েশনের আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

এজেন্সিগুলোর জন্য বাড়ছে সতর্কতার প্রয়োজন

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অতীতে টিকিট ইস্যু করে আসন আটকে রাখার অভিযোগ ছিল।

ফ্লাইট সেগমেন্ট বাতিল না করেই টিকিট বাতিল দেখানোর ঘটনাও ঘটত। শেষ মুহূর্তের বুকিং ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও ছিল।

নতুন নীতির লক্ষ্য এসব অনিয়ম কমানো এবং আসন ব্যবস্থাপনা আরও সুশৃঙ্খল করা। খাতসংশ্লিষ্টদের একাংশ মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদে পেশাদার এজেন্টদের জন্য এটি ইতিবাচক হতে পারে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে এজেন্সিগুলোকে এখন আরও সতর্ক থাকতে হবে।

ভিসা জটিলতা, চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থা বা যাত্রীর হঠাৎ পরিকল্পনা বদল বিশেষ সমস্যা তৈরি করতে পারে।

কারণ সময় ঘনিয়ে এলে জরিমানা এড়ানোর সুযোগ সীমিত হয়ে যায়।

এদিকে ইউএস-বাংলার অফিসিয়াল নীতিতে এজেন্সি থেকে কেনা টিকিটের রিফান্ড সংশ্লিষ্ট এজেন্সির মাধ্যমেই করতে বলা হয়েছে।

সেখানে বাতিল চার্জ টিকিটের ভাড়ার শর্ত অনুযায়ী প্রযোজ্য হওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

যাত্রীদেরও টিকিট ইস্যুর আগে তারিখ, গন্তব্য, পাসপোর্ট তথ্য এবং ভ্রমণ পরিকল্পনা ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতি সম্পর্কে আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা আপিলে ৯১ শতাংশ নাম ফিরল

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৪ এম
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা আপিলে ৯১ শতাংশ নাম ফিরল

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের আপিল নিষ্পত্তিতে ৯১ শতাংশের বেশি নাম আবার তালিকায় ফিরেছে। বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার পর এই তথ্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

নির্বাচন কমিশনের আরটিআই তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৮২ হাজার ৭৮২টি আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫ হাজার ৪৪৩ জনের নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা আপিলে ৯১ শতাংশ নাম ফিরল

নিষ্পত্তি হওয়া আপিলের মধ্যে সাত হাজার ৩৩৯ জনের নাম তালিকার বাইরে রয়ে গেছে।

অর্থাৎ সিদ্ধান্ত হওয়া মামলার ৯১ দশমিক ১৩ শতাংশেই ভোটারের নাম পুনর্বহাল হয়েছে।

কংগ্রেস সংসদ সদস্য ইশা খান চৌধুরীর তথ্য অধিকার আবেদনের জবাবে এসব পরিসংখ্যান দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আরটিআই তথ্যটি পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

৭ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৩৮ লাখ ১০ হাজার ৬২০টি আপিল জমা পড়েছিল।

তবে এর মধ্যে মাত্র ৮২ হাজার ৭৮২টির নিষ্পত্তি হয়েছে, যা মোট আপিলের ২ দশমিক ১৭ শতাংশ।

ফলে ৩৭ লাখ ২৭ হাজার ৮৩৮টি আপিল তখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল।

ভারতের নির্বাচনসংক্রান্ত আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

আপিলের সংখ্যায় বড় অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন

আরটিআই তথ্যে আপিলের মোট সংখ্যা নিয়েও বড় পার্থক্য সামনে এসেছে। এসআইআর পর্যালোচনায় ২৭ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ ভোটারকে ‘অযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

কিন্তু আপিল জমা পড়েছে ৩৮ লাখ ১০ হাজার ৬২০টি। অর্থাৎ অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত ভোটারের তুলনায় আপিলের সংখ্যা ১০ লাখ ৮২ হাজার ১২০টি বেশি।

ইশা খান চৌধুরী এই পার্থক্যের ব্যাখ্যা নির্বাচন কমিশনের কাছে চেয়েছেন।

তার অভিযোগ, অতিরিক্ত আপিলের একটি অংশ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার উদ্দেশ্যে কমিশন বা অন্য পক্ষ থেকে করা হয়েছে।

তবে এই অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পৃথক ব্যাখ্যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

ফলে আপিলের সংখ্যা কেন অযোগ্য ভোটারের চেয়ে বেশি, সেই প্রশ্ন এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।

ইশা খান চৌধুরীর মতে, বিপুলসংখ্যক সফল আপিল প্রাথমিক বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

তার দাবি, প্রকৃত ভোটারদের অনেকে প্রথম পর্যায়ে তালিকা থেকে বাদ পড়েছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই পরিসংখ্যান এখন রাজনৈতিক বিতর্কের নতুন বিষয় হয়ে উঠেছে। পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।