শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের দায়ে চট্টগ্রামে বাবা-ছেলের কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৪ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের দায়ে চট্টগ্রামে বাবা-ছেলের কারাদণ্ড

চট্টগ্রামে বাবা-ছেলের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অবৈধ সম্পদ অর্জন, তথ্য গোপন এবং অবৈধ সম্পদ বৈধ করার চেষ্টার দায়ে এই সাজা হয়েছে। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কক্সবাজারের টেকনাফের মো. আবদুল্লাহ ও তাঁর বাবা আবুল বশর। তবে রায়ের সময় তাঁরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে বাবা-ছেলের কারাদণ্ডের মামলার শুরু

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ এপ্রিল মো. আবদুল্লাহকে নোটিশ দেয় দুর্নীতি দমন কমিশন। তাঁকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে বলা হয়।

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী জমা দেননি। পাশাপাশি সময় বাড়ানোর জন্য কোনো আবেদনও করেননি।

এরপর দুদক তাঁর সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানে বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।

আবদুল্লাহর সম্পদের হিসাবে বড় অসংগতি

দুদকের অনুসন্ধানে আবদুল্লাহর নামে ১ কোটি ১০ লাখ ২৩ হাজার ৬৫ টাকার সম্পদ পাওয়া যায়। এর মধ্যে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রয়েছে।

অন্যদিকে, তাঁর বৈধ আয়ের উৎস ছিল মাত্র ১০ লাখ টাকা। ফলে সম্পদের বড় অংশ বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।

দুদকের হিসাবে ১ কোটি ১৩ হাজার ৬৫ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে প্রমাণিত হয়।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে চার বছরের সাজা

দুদকের পিপি মোকাররম হোসাইন রায়ের বিস্তারিত জানিয়েছেন। তাঁর তথ্য অনুযায়ী, মো. আবদুল্লাহকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে তাঁকে এই সাজা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাঁকে অর্থদণ্ডও দিয়েছেন আদালত।

আবদুল্লাহকে ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৮ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ফলে কারাদণ্ডের পাশাপাশি বড় অঙ্কের আর্থিক দণ্ডও রয়েছে।

দুর্নীতি ও আদালতসংক্রান্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পড়ুন দৈনিক বাংলাভিউয়ে

বাবা আবুল বশরের তিন বছরের কারাদণ্ড

মামলায় আবদুল্লাহর বাবা আবুল বশরকেও দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত। তাঁকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অবৈধ সম্পদ বৈধ করার অপচেষ্টায় তাঁর সহায়তার বিষয়টি আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। তাই তাঁকেও শাস্তির আওতায় আনা হয়।

তদন্তে টেকনাফের একটি জমির লেনদেনের তথ্য সামনে আসে। আবুল বশর ২০ লাখ টাকা দিয়ে ওই জমি কিনেছিলেন।

হেবা দলিলে ছেলের নামে জমি

জমি কেনার মাত্র তিন মাস পর মালিকানায় পরিবর্তন আসে। আবুল বশর জমিটি তাঁর বড় ছেলে মো. আবদুল্লাহকে দিয়ে দেন।

এ ক্ষেত্রে হেবা দলিল করা হয়েছিল। তদন্তে এই লেনদেনকে অবৈধ সম্পদ বৈধ করার অপচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হয়।

এই অপচেষ্টায় সহায়তার অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়। ফলে আবুল বশরকে তিন বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে বাবা-ছেলের কারাদণ্ডের রায়

চট্টগ্রামে বাবা-ছেলের কারাদণ্ড এর রায় বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হয়। সাত কর্মদিবসের মধ্যে রায় দিয়ে মামলাটির নিষ্পত্তি করেছেন আদালত।

তবে রায় ঘোষণার সময় দুই আসামির কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। ফলে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সাজা পরোয়ানামূলে দুজনের বিরুদ্ধেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আদালতের রায় অনুযায়ী পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলবে।

দৈনিক বাংলাভিউয়ের সর্বশেষ আপডেট পেতে আমাদের X অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করুন

সৌদির আগুনে নিহত আত্রাইয়ের সাত প্রবাসীর জানাজা সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
সৌদির আগুনে নিহত আত্রাইয়ের সাত প্রবাসীর জানাজা সম্পন্ন

সৌদির রিয়াদে সোফা কারখানার আগুনে নিহত আত্রাইয়ের সাত প্রবাসীর জানাজা শুক্রবার সকালে সম্পন্ন হয়েছে। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে আত্রাইয়ের মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে একসঙ্গে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে পরিচয় শনাক্ত হওয়া নয়জনের মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়। তাদের মধ্যে সাতজনের বাড়ি নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়। এরপর রাত দেড়টার দিকে বিশেষ ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহগুলো আত্রাইয়ে নেওয়া হয়।

আত্রাইয়ের সাত প্রবাসীর জানাজায় শোকের আবহ

নিহতরা হলেন উদনপৈ গ্রামের মো. ফরিদ এবং গণ্ডগোহালী গ্রামের রুবেল প্রামাণিক, মোহন আলী ও সুমন আলী।

একই গ্রামের কলিমুদ্দিন এবং ডুবাই গ্রামের সোহেল রানাও নিহতদের মধ্যে রয়েছেন। পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরদারও এই সাতজনের একজন।

এদিকে মরদেহগুলো আত্রাইয়ে পৌঁছানোর পর রাত থেকেই থানা কম্পাউন্ডে স্বজন ও স্থানীয়দের ভিড় বাড়তে থাকে।

একনজর প্রিয়জনদের দেখতে এসে অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। ফলে পুরো এলাকায় শোকের পরিবেশ তৈরি হয়।

আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে প্রশাসন সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছে।

জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে বিনা খরচে অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহগুলো আত্রাইয়ে আনা হয়।

প্রবাসী ও দেশের আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

জানাজা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর

সম্মিলিত জানাজা শেষে সাতজনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এরপর পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে নিজ নিজ গ্রামের উদ্দেশে রওনা হন। এছাড়া গণ্ডগোহালী গ্রামের চারজনের জানাজা পরে নিজ গ্রামেও অনুষ্ঠিত হয়।

সৌদি আরবের রিয়াদের ওই সোফা কারখানায় ৯ আগস্ট ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

এতে মোট ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হন বলে সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। পরে সৌদি কর্তৃপক্ষ আঙুলের ছাপ পরীক্ষার মাধ্যমে নয়জনের পরিচয় নিশ্চিত করে।

পরিচয় নিশ্চিত হওয়া নয়জনের মধ্যে সাতজন আত্রাইয়ের বাসিন্দা। অন্যদিকে অন্য দুজনের বাড়ি নাটোরের নলডাঙ্গা ও রাজশাহীর বাগমারায়।

বাকি মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্ত ও দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নওগাঁর জেলা প্রশাসন নিহত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

পাশাপাশি বাকি মরদেহ দ্রুত শনাক্ত করে দেশে ফেরানোর দাবিও জানিয়েছেন স্বজনরা।

আত্রাইয়ের সাত প্রবাসীর বিষয়ে পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলা ও সমঝোতার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪২ এম
কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলা ও সমঝোতার অভিযোগ

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু ঘিরে সাউথ চট্টগ্রাম হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে কন্যাশিশুটির মৃত্যু হয়। শিশুটির বাবা মো. নাঈম ও মা নিফা আক্তারের বাড়ি আনোয়ারা উপজেলায়।

পরিবার জানায়, প্রসবজনিত কারণে ১৬ আগস্ট নিফা আক্তারকে শিকলবাহার ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেদিন রাত দেড়টার দিকে তার সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। অস্ত্রোপচারের পর মা সুস্থ থাকলেও নবজাতকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে পরিবার উদ্বিগ্ন ছিল।

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু নিয়ে পরিবারের অভিযোগ

নাঈমের অভিযোগ, হাসপাতালে থাকা অবস্থায় চিকিৎসকদের বারবার ডাকলেও সময়মতো সাড়া পাওয়া যায়নি।

রাতে ও ভোরে চিকিৎসকের উপস্থিতি চাইলেও যথাযথ সেবা মেলেনি বলে দাবি তার। এই অবহেলার কারণেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

পরিবারের দাবি, মৃত্যুর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আর্থিক সমঝোতার আলোচনা হয়। এক লাখ টাকার রফাদফার গুঞ্জনের মধ্যে নাঈম প্রায় ৮০ হাজার টাকা লেনদেনের কথা জানিয়েছেন।

তার ভাষ্য, বিল ও চিকিৎসা খরচ বাদ দিয়ে ৪০ হাজার টাকা বড় ভাই ইদ্রিসকে দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও স্থানীয় আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

নাঈম বলেন, স্ত্রী এখনো একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় সম্ভাব্য হয়রানি নিয়েও পরিবার উদ্বিগ্ন।

হাসপাতালের বক্তব্য ও তদন্ত কমিটি

তবে হাসপাতালের ম্যানেজার নজরুল ইসলাম এক লাখ টাকার সমঝোতার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

তার দাবি, নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা সত্য হলেও এমন লেনদেন সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, জন্মের পর থেকেই শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না।

ঘটনাটি কর্ণফুলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের নজরে এসেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোছাম্মৎ জেবুন্নেছা বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানিয়েছেন এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সিভিল সার্জনের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

ডা. জেবুন্নেছা বলেন, আর্থিক লেনদেনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ তাদের কাছে জমা পড়েনি।

তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ এবং কারও দায় ছিল কি না, তা স্পষ্ট হবে।

পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ প্রকাশের দাবি জানিয়েছে।

কর্ণফুলীতে নবজাতকের মৃত্যু নিয়ে তাই তদন্তের ফল এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতিতে বাড়ছে এজেন্সিগুলোর আর্থিক ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪২ এম
ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতিতে বাড়ছে এজেন্সিগুলোর আর্থিক ঝুঁকি

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতি নিয়ে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জিডিএস-ইস্যুকৃত টিকিট বাতিল, এডিএম এবং অনিয়মিত বুকিং নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি বাড়িয়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থাটি।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইস্যু করা টিকিট একই দিনে বাতিল করতে হবে। সেটিও প্রথম ফ্লাইট ছাড়ার অন্তত ৭২ ঘণ্টা আগে করতে হবে। একই সঙ্গে বুকিংয়ের সব ফ্লাইট সেগমেন্ট একসঙ্গে বাতিল করতে হবে।

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতিতে কোথায় কড়াকড়ি

উদাহরণ হিসেবে ঢাকা-দুবাই-মদিনা রুটের কোনো একটি সেগমেন্ট রেখে অন্যটি বাতিল করা যাবে না। এমন কার্যক্রম নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

যাত্রার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল কার্যত নিষিদ্ধের পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

নিয়ম ভাঙলে ১০০ মার্কিন ডলার জরিমানা আরোপ হতে পারে। এর সঙ্গে প্রযোজ্য নো-শো চার্জ এবং অতিরিক্ত ৫০ ডলার প্রশাসনিক ফিও যোগ হতে পারে।

ফলে ছোট ভুলও এজেন্সির জন্য বড় আর্থিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

খাতসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, আগে অনেক ক্ষেত্রে ভুল সংশোধনের সুযোগ ছিল। তবে নতুন কড়াকড়িতে পরিবারভিত্তিক বা দলীয় বুকিংয়ে ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

ভ্রমণ ও এভিয়েশনের আরও খবর জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

এজেন্সিগুলোর জন্য বাড়ছে সতর্কতার প্রয়োজন

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অতীতে টিকিট ইস্যু করে আসন আটকে রাখার অভিযোগ ছিল।

ফ্লাইট সেগমেন্ট বাতিল না করেই টিকিট বাতিল দেখানোর ঘটনাও ঘটত। শেষ মুহূর্তের বুকিং ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও ছিল।

নতুন নীতির লক্ষ্য এসব অনিয়ম কমানো এবং আসন ব্যবস্থাপনা আরও সুশৃঙ্খল করা। খাতসংশ্লিষ্টদের একাংশ মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদে পেশাদার এজেন্টদের জন্য এটি ইতিবাচক হতে পারে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে এজেন্সিগুলোকে এখন আরও সতর্ক থাকতে হবে।

ভিসা জটিলতা, চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থা বা যাত্রীর হঠাৎ পরিকল্পনা বদল বিশেষ সমস্যা তৈরি করতে পারে।

কারণ সময় ঘনিয়ে এলে জরিমানা এড়ানোর সুযোগ সীমিত হয়ে যায়।

এদিকে ইউএস-বাংলার অফিসিয়াল নীতিতে এজেন্সি থেকে কেনা টিকিটের রিফান্ড সংশ্লিষ্ট এজেন্সির মাধ্যমেই করতে বলা হয়েছে।

সেখানে বাতিল চার্জ টিকিটের ভাড়ার শর্ত অনুযায়ী প্রযোজ্য হওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

যাত্রীদেরও টিকিট ইস্যুর আগে তারিখ, গন্তব্য, পাসপোর্ট তথ্য এবং ভ্রমণ পরিকল্পনা ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।

ইউএস-বাংলার টিকিটিং নীতি সম্পর্কে আরও জানতে দৈনিক বাংলাভিউয়ের এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।